kalerkantho

ডাকসু নির্বাচন আজ

সাদা দলের কোনো শিক্ষককে যুক্ত না করার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১১ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাদা দলের কোনো শিক্ষককে যুক্ত না করার অভিযোগ

ডাকসু নির্বাচন আজ। এ উপলক্ষে গতকাল মহসীন হলে ভোট দেওয়ার বুথ তৈরি করা হয়। ছবি : কালের কণ্ঠ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত সাদা দলের শিক্ষকরা অভিযোগ করেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এবং হল সংসদ নির্বাচনে বিরোধী মতের কোনো শিক্ষককে যুক্ত করা হয়নি। এ ছাড়া নির্বাচনের আগে কর্তৃপক্ষ বিরোধী ছাত্র সংগঠনগুলোর বিভিন্ন দাবি নিয়ে আলোচনা করলেও গঠনতন্ত্র সংশোধন ও আচরণবিধিতে সেসবের প্রতিফলন দেখা যায়নি। গতকাল রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন তাঁরা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা ছিল, এ নির্বাচনকে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য করার স্বার্থে নির্বাচন পরিচালনার জন্য গঠিত কমিশনসহ বিভিন্ন কমিটিতে ভিন্নমতের শিক্ষকদের প্রতিনিধিত্ব রাখা হবে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ তা করেনি।’

তিনি আরো বলেন, ‘বস্তুত এক দশক ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও চলছে একদলীয় শাসন। ১৮টি হলের প্রশাসনে সরকার সমর্থক শিক্ষক ছাড়া ভিন্নমতের একজন প্রভোস্ট ও হাউস টিউটর নেই। ফলে নির্বাচন পরিচালনায় গঠিত কমিশনে বিরোধী মতের শিক্ষক নেই।’

হলে হলে শিক্ষার্থীদের সহাবস্থান নেই দাবি করে তিনি বলেন, ‘ডাকসু নির্বাচন দেশের বিপন্ন নির্বাচন পদ্ধতি ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পুনরুদ্ধারে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করবে।’ সকল ভয়-ভীতি ও চাপ উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীদের পছন্দের প্রার্থীদের নির্বাচিত করার আহ্বান জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাবি সাদা দলের প্রচার সম্পাদক প্রফেসর সিদ্দিকুর রহমান, প্রফেসর কালাম সরকার, প্রফেসর নুরুল আমিন প্রমুখ।

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ১০ শিক্ষকের আবেদন : ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে আবেদন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ শিক্ষক। গতকাল রবিবার প্রধান রিটার্নিং অফিসার বরাবর আবেদন করেন তাঁরা।

নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে আবেদনকারীরা হলেন- গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কামরুল হাসান, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ফাহমিদুল হক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামিনা লুত্ফা, অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রুশাদ ফরিদী, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক কাজী মারুফুল ইসলাম, অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক অতনু রব্বানী, ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাহমিনা খানম এবং শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাজ্জাদ এইচ সিদ্দিকী।

মন্তব্য