kalerkantho


সহজ হচ্ছে ডিএনসিসির তথ্যসেবা

নগরিয়ার দ্বিতীয় সংখ্যা প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



নগরিয়ার দ্বিতীয় সংখ্যা প্রকাশ

‘নগরিয়া’র দ্বিতীয় সংখ্যা বিলির জন্য ডেপুটি পোস্টমাস্টার জেনারেল মাসুদ খানের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ছবি : কালের কণ্ঠ

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) সেবা ও সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে নগরবাসীকে অবহিত করতে ‘নগরিয়া’ নামের নিউজলেটারের দ্বিতীয় সংখ্যা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। গত সোমবার নিউজলেটারটির দ্বিতীয় সংখ্যা উদ্বোধনের পর তা নগরবাসীর বাড়ি বাড়ি পাঠাতে ডাক বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে যেসব নাগরিক সিটি করপোরেশনকে হোল্ডিং ট্যাক্স প্রদান করে শুধু তাদের বাড়িতেই নিউজলেটারটি পাঠানো হবে।

সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা এ এস এম মামুন নিউজলেটারটির সম্পাদক। ডিএনসিসির প্রায় সব কটি বিভাগের সেবা ও সেবা প্রদানের প্রক্রিয়া বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে নগরিয়ায়। একই সঙ্গে নির্দিষ্ট সেবা কত দিনের মধ্যে কোন বিভাগ থেকে পাওয়া যাবে—সে ব্যাপারেও বর্ণনা রয়েছে। ডিএনসিসির সার্বিক তত্ত্বাবধান এবং সিডস এশিয়া নামে একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার অর্থায়নে প্রকাশিত হয়েছে নিউজলেটারটি। গত বছরের জুলাই মাসে নগরিয়ার প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হওয়ার পর ডিএনসিসির প্রায় দুই লাখ ৩০ হাজার হোল্ডিংয়ে পাঠানো হয়েছিল। দ্বিতীয় সংখ্যাও সমানসংখ্যক হোল্ডিংয়ে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন ডাক বিভাগের ডেপুটি পোস্ট মাস্টার জেনারেল মাসুদ খান।

নগরিয়ার দ্বিতীয় সংখ্যা উদ্বোধনের সময় ডিএনসিসির ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব রবীন্দ্রশ্রী বড়ুয়া বলেন, ‘নগরিয়া নাগরিক ও ডিএনসিসির মাঝে সেতুবন্ধ রচনা করবে। এ যুগে তথ্যই শক্তি। তথ্যসেবা প্রদানের মাধ্যমে জনগণকে ক্ষমতায়ন করা সম্ভব। ভবিষ্যতেও নগরিয়ার প্রকাশ অব্যাহত থাকবে।’

নগরিয়ার সম্পাদক ও ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এ এস এম মামুন বলেন, ‘ডিএনসিসির নাগরিকদের তথ্যসেবা প্রদানের লক্ষ্য নিয়ে নগরিয়ার যাত্রা শুরু হয়েছিল গত বছর জুলাই মাসে। প্রথম সংখ্যা ডিএনসিসির প্রতিটি হোল্ডিংয়ে ডাক বিভাগের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছিল। প্রথম সংখ্যা হাতে পেয়ে নাগরিকরা উপকৃত হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়েছে। সেবা প্রদানে কোনো অনিয়ম হচ্ছে কি না, তথ্য প্রাপ্তির ফলে তা নাগরিকরা সহজেই বুঝতে পারবে। প্রথম সংখ্যার মতো চলতি সংখ্যাও ডিএনসিসির প্রতিটি হোল্ডিংয়ে ডাক বিভাগের মাধ্যমে পাঠানো হবে।’



মন্তব্য