kalerkantho


ডিএনসিসির ২১ নম্বর ওয়ার্ড

ব্যাপক যানজট ও উন্নয়নকাজের বিলম্বে বাড়ছে দুর্ভোগ

রামপুরা সেতু থেকে নতুন বাজার পর্যন্ত প্রগতি সরণি ঢাকা শহরের ব্যাপক যানজটপূর্ণ রাস্তাগুলোর অন্যতম। রিকশার আধিক্য, অবৈধ পার্কিং, ভাঙাচোরা সড়কসহ নানা কারণে এ রাস্তায় যানজট লেগেই থাকে। ফলে ওই রাস্তায় চলাচলকারী যাত্রীদের দুর্ভোগের পাশাপাশি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ড এলাকাবাসীর জীবনযাপনে নাভিশ্বাস পরিস্থিতি। সরেজমিনে ঘুরে ওয়ার্ডটির সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে লিখেছেন রাজু আহমেদ

২২ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



ব্যাপক যানজট ও উন্নয়নকাজের বিলম্বে বাড়ছে দুর্ভোগ

যেখানে-সেখানে বাস থামিয়ে যাত্রী তোলা-নামানো, রিকশার আধিক্য, অবৈধ পার্কিং, ভাঙাচোরা সড়ক, সড়ক বন্ধ করে নির্মাণকাজ, সড়কে ময়লার খোলা কনটেইনার ও বিশালাকার বাসের ইউ টার্নের কারণে রামপুরা সেতু থেকে নতুন বাজার পর্যন্ত প্রগতি সরণিতে দিন-রাত যানজট লেগেই থাকে। ফলে এই রাস্তায় চলাচলকারী পথচারী ও যাত্রীদের দুর্ভোগের পাশাপাশি বলা যায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উত্তর বাড্ডা, দক্ষিণ বাড্ডা, মেরুল বাড্ডা, গোপিপাড়া এলাকা নিয়ে গঠিত ২১ নম্বর ওয়ার্ড এলাকাবাসীর জীবনযাপনে নাভিশ্বাস পরিস্থিতি।

দীর্ঘদিন ধরে এসব সমস্যা থাকলেও এলাকাবাসীর দাবি, দেখার যেন কেউ নেই।

 

অবৈধ পার্কিংয়ে বাড়ছে ভোগান্তি

বাস চলাচলের জন্য যেসব আইন-কানুন আছে, তা না মেনে যেখানে-সেখানে যেনতেনভাবে যাত্রী নামানো এবং উঠানো হয়। অন্যদিকে সিএনজি, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও লেগুনা রাস্তার ওপরে যাত্রী উঠানো-নামানো করে থাকে। এতে সৃষ্টি হচ্ছে যানজটের। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাসে বসে থাকতে হয় শিক্ষার্থীসহ নানা বয়সের মানুষকে। রাত ৮টার আগে রাস্তায় ট্রাক চলাচল নিষেধ। কিন্তু রাত-দিন সব সময়ই ট্রাক চলাচল করতে দেখা যায় এ রাস্তায়। এ ব্যাপারে ট্রাফিক পুলিশের কোনো ভূমিকা নেই; বরং সুযোগ পেলেই উেকাচ নিতে ব্যস্ত তারা। ফলে ট্রাফিক অব্যবস্থাপনায় বাড়ছে দুর্ভোগ।

এমন বহু ধরনের সমস্যায় জর্জরিত রাজধানীর উত্তর বাড্ডা, মধ্য বাড্ডা, দক্ষিণ বাড্ডা, মেরুল বাড্ডা এলাকার বাসিন্দারা। এ বিষয়ে উত্তর বাড্ডার বাসিন্দা সুভাষ আব্দুল্লাহ বলেন, ‘উত্তর বাড্ডা বাসস্ট্যান্ড থেকে রামপুরা যেতে সময় লাগার কথা সর্বোচ্চ পাঁচ থেকে সাত মিনিট। কিন্তু তীব্র যানজটের কারণে লেগে যায় ৪০-৪৫ মিনিট। অথচ হেঁটে গেলে অনেক সময় বাসের আগেই পৌঁছানো যায়। কিন্তু ফুটপাত যেভাবে দখল হয়ে আছে আপনি চাইলেও পায়ে হেঁটে যেতে পারবেন না। ’ অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ অটোরিকশা, লেগুনা ও সিএনজির কাছ থেকে টাকা নেয় আর রাস্তার ওপর অবৈধভাবে পার্কিং করার ও চলাচলের সুযোগ করে দেয়। এতে রাস্তা সংকুচিত হয়ে যানজটের সৃষ্টি হয়।

 

যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনার স্তূপ 

মধ্য বাড্ডা লিংক রোড, গোপিপাড়া, উত্তর বাড্ডা, দক্ষিণ বাড্ডায় বিভিন্ন রোডের ফুটপাতে ময়লা-আবর্জনা, ইট, কাঠ, বাঁশ স্তূপ করে রাখা হয়েছে। জমে থাকা ময়লা-আবর্জনার স্তূপের কারণে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, আশপাশের কিছু মানুষ এখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলে দুর্ভোগ সৃষ্টি করে। স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘রাস্তা নির্মাণের ইট-পাথর, কাঠ, বাঁশ ফেলে রাখা হয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরে। এর কারণে ফুটপাত থেকে নেমে মূল রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হয় পথচারীদের। দিনের পর দিন এলাকাবাসী ও পথচারীদের সমস্যা হলেও দেখার যেন কেউ নেই। ’

 

যেখানে-সেখানে ম্যানহোল

বাড্ডা লিংক রোড ও উত্তর বাড্ডা এলাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় যেখানে-সেখানে ঢাকনাবিহীন ম্যানহোল, খোলা ড্রেন লাইন ও নির্মাণকাজের সময় খুঁড়ে রাখা গর্ত পথচারীদের ভোগান্তিতে ফেলেছে। সকাল থেকেই বাড্ডা লিংক রোড দিয়ে যাতায়াত করে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সের মানুষ। এতে চরম দুর্ভোগে পড়ে পথচারীরা। মধ্য বাড্ডা লিংক রোডের ইলেকট্রনিকস পণ্য বিক্রেতা শামসুল আলম বলেন, ‘এই ম্যানহোল ঢাকনাবিহীন পড়ে আছে কয়েক মাস ধরে, এতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে! গত কয়েক দিন আগেও এক মহিলা পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে। ’ এ ধরনের সমস্যার কথা জানালেন আরো একাধিক স্থানীয় ব্যবসায়ী।

 

মাদক ব্যবসা ও ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্য

মধ্য বাড্ডা, উত্তর বাড্ডা, গুদারাঘাট, ছয়তলা, গুলশান লেক এলাকায় চলে মাদক ব্যবসা। প্রায় সময়ই এসব এলাকায় মাদকসেবীদের আড্ডা ও আনাগোনা চলে। আর মাদকের কারণে এলাকায় বাড়ছে চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা। স্থানীয় এক তরুণ নাম প্রকাশ না করার শর্তে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বাড্ডার অনেক স্থানেই মাদকের স্পট রয়েছে। সেসব জায়গায় মাদকসেবীদের আড্ডা দিতে দেখা যায়। মাদকের ছোবলে যুবসমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়েই চলেছে। আমরা কাউন্সিলরকে জানিয়েছি, কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। তিনি কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। ’ মধ্য বাড্ডার বেকারি সেলসম্যান মোস্তফা বলেন, ‘বাড্ডা এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীর অভাব নেই। ইয়াবা, ফেনসিডিল, গাঁজাসহ এমন কোনো মাদক নেই যা এ এলাকায় পাওয়া যায় না! একটু খোঁজ নিলে আপনিও জানতে পারবেন। আমরা কিছু বলার সাহস পাই না। বললে নানা সমস্যায় পড়তে হয়। ’

 

পয়োনিষ্কাশন অব্যবস্থাপনা ও জলাবদ্ধতা

বাড্ডা এলাকাটি অপেক্ষাকৃত নিচু হওয়ায় একটু বৃষ্টি হলেই সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতার। এ ছাড়া পয়োনিষ্কাশন অব্যবস্থাপনার কারণে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতার তীব্রতা। স্থানীয় ফার্নিচার ব্যবসায়ী বেল্লাল হোসেন বলেন, ‘মাঝেমধ্যে ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও রাস্তা সংস্কার করা হলেও বেশি দিন টেকসই হয় না। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই অকার্যকর হয়ে পড়ে। ’ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কিছু কিছু এলাকার গলি ও প্রধান রাস্তার ধারে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ। হালকা বৃষ্টিতে জমে পানি। ভারি বৃষ্টি হলেই রাস্তাঘাট উপচে বাড়িঘরেও পানি ঢুকে যায়। ফলে ভোগান্তি বেড়ে যায় এলাকাবাসীর। দক্ষিণ বাড্ডা, খানবাগ, কুমিল্লাপাড়া, গোপিপাড়া, মধ্য বাড্ডাসহ বেশির ভাগ এলাকায় পানি জমে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। উত্তর বাড্ডা এলাকার বাসিন্দা আবদুল জলিল বলেন, ‘বর্ষার সময় এসব এলাকায় জমে যায় হাঁটুপানি। চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। বছর ঘুরে বর্ষাকাল আসে-যায়, কিন্তু জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে আমাদের মুক্তি মেলে না। ’ বৃষ্টি হলে রাজধানীর বেশির ভাগ এলাকার রাস্তা চলাচলের উপযোগী থাকে না। কিন্তু বৃষ্টি না হলেও মধ্য বাড্ডা, লিংক রোড মোড়, উত্তর বাড্ডা, দক্ষিণ বাড্ডাসহ ২১ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন জায়গায় দেখা যায়, ড্রেনের ময়লা পানি উপচে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা, ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পিংকি বলেন, ‘ড্রেনের ময়লাযুক্ত দুর্গন্ধ পানি রাস্তায় উঠে আসে। চলাচল করতে চরম অসুবিধা হয়। এগুলোর দ্রুত সমাধান দরকার। ’

রাস্তা দখল করে বসানো হয়েছে ফলের দোকান

হকারদের দখলে ফুটপাত ও সড়ক

রাজধানী ঢাকা শহরের ব্যস্ত সড়কগুলোর মধ্যে উত্তর বাড্ডা-মেরুল বাড্ডা সড়কটি অন্যতম। হাতিরঝিল ও গুলশান লেকের পাশে অবস্থিত এই এলাকাটি নানামুখী সমস্যায় জর্জরিত। অবৈধ পার্কিং ও ফুটপাতজুড়ে ব্যবসা করায় সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। এমন বেহাল অবস্থা হলেও কার্যত কারো নজর নেই। উত্তর বাড্ডা থেকে শুরু করে মেরুল বাড্ডা পর্যন্ত মূল সড়কের দুই পাশ দিয়েই সারি সারি অবৈধ দোকান। ফুটপাতের পুরোটাই ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীদের দখলে। ফুটপাত দিয়ে চলাচলের কোনো উপায় নেই। এতে পথচারীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। তা ছাড়া পথচারীদের মেইন রোডের পাশ দিয়ে হাঁটতে গিয়ে মাঝেমধ্যেই ঘটে দুর্ঘটনা।

বৃষ্টি না হলেও ২১ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন জায়গায় দেখা যায় এমন জলাবদ্ধতা

সংস্কার কাজের বিলম্বতা

মধ্য বাড্ডা, উত্তর বাড্ডা, মেরুল বাড্ডার সড়কের বিভিন্ন স্থানে উন্নয়নকাজ চলছে। খোঁড়াখুঁড়ির কারণে রাস্তা সংকুচিত হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে যত্রতত্র অবৈধ পার্কিং—এই দুইয়ে মিলে সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজটের। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা সবুজ মিয়া কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘একদিকে রাস্তার কাজ চলছে অন্যদিকে রিকশা, ভ্যান, লেগুনা, পিকআপ, প্রাইভেটকার পার্ক করে রাস্তা দখল করে রেখেছে। ফলে রাস্তায় ভালোভাবে গাড়ি চলাচল করতে পারে না। এতে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। যথাসময় যদি সংস্কারকাজ শেষ করা হতো তাহলে এত সমস্যা হতো না। ’ জলাবদ্ধতা নিরসনে ঢাকা উত্তর সিটি করপরেশনের উদ্যোগে ২১ নম্বর ওয়ার্ডের ড্রেনের সংস্কারকাজ শুরু হয় কয়েক মাস আগে। অভিযোগ রয়েছে, কাজ সম্পূর্ণ না করে ফেলে রাখা হয়েছে বেশ কিছু দিন ধরে। কর্তৃপক্ষ এসব দেখেও দেখছে না।

 

লেগুনার দখলে লিংক রোড

মধ্য বাড্ডা থেকে গুলশান-গুদারাঘাটের দিকে যেতে লিংক রোড মোড়ে দেখা যায় অবৈধ লেগুনা স্ট্যান্ড। লেগুনাগুলো মধ্য বাড্ডা থেকে গুলশান, মহাখালী হয়ে মোহাম্মদপুর আসা-যাওয়া করে। এসব লেগুনার নির্ধারিত কোনো

স্টেশন নেই। যেখানে-সেখানে থামিয়ে যাত্রী উঠানো-নামানো হয়। এতে যানজট সৃষ্টি হয়। পথচারী কলেজছাত্র জাহিদ হাসান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমি নিয়মিত এই দিক দিয়ে ক্যাম্পাসে যাওয়া-আসা করি। লেগুনাগুলোর জন্য অনেক সমস্যা হয়। তারা বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালায়। ’

 

রিকশার ভিড়ে পথচারী বিড়ম্বনায়

মধ্য বাড্ডা ফুট ওভারব্রিজের পাশে রাস্তার ওপরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে। কোনো রিকশা থেকে যাত্রী নামছে, কোনোটিতে উঠছে। যাত্রী নিয়ে দুটি রিকশা ছেড়ে গেলেও আরো চারটি এসে যোগ হচ্ছে লাইনে। সৃষ্টি হচ্ছে জটলার। রাস্তার বেশির ভাগজুড়েই এমন পার্কিং। পায়ে হেঁটে চলার পথটুকুও যেন নেই! অভিযোগ রয়েছে, মাঝেমধ্যেই অটোরিকশার ধাক্কা মেনে নিতে হয় পথচারীদের। পথচারী গার্মেন্টশ্রমিক শারমিন আক্তার বলেন, ‘এই অটোরিকশা খুব মারাত্মক। ওরা খুব জোরে চালায়। এ জন্য কয় দিন পর পরই দুর্ঘটনা ঘটে। আবার রাস্তা দখল করে রাখে, সাইড দিতে চায় না। এসব রিকশার কারণে, আমাদের মতো মানুষের পথ চলতে খুব সমস্যা হয়। ’ সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক পুলিশ থাকলেও কার্যত কোনো সমাধান নেই।

 

এলাকার উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে

মো. ওসমান গণি

ডিএনসিসির ২১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি মোতাবেক আমার এলাকার প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করেছি। এলাকায় জলাবদ্ধতার সমস্যা আগে থেকেই ছিল। আগের স্যুয়ারেজ লাইনগুলো ছিল অপরিকল্পিত। অনেক স্থানে পাইপলাইনের লেভেল সমান রাখা হয়নি। এসব সমস্যা সমাধানের জন্য সড়ক সংস্কারের সঙ্গে সঙ্গে পানি ও পয়োনালা সংস্কারের কাজ করা হয়েছে এবং এখনো চলছে। অন্যদিকে বাসাবাড়ির ময়লা-আবর্জনাও সরাসরি ড্র্রেনে ফেলা হয়। ফলে পানির প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে। এ ব্যাপারে এলাকাবাসীকেও সচেতন হতে হবে। এলাকার উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। আর বেহাল সড়কগুলোর সংস্কারকাজ বলতে গেলে শূন্য থেকে শুরু করেছি। আমরা দুই ধাপে ১০ কোটি টাকার কাজ করেছি। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মাদরাসাসংলগ্ন সড়কের কাজ করেছি। কিছু কাজ চলমান আছে। অন্যদিকে পথচারীদের অবাধ চলাচলে আমরা অনেকবার ফুটপাত থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করেছি। কিন্তু কাজ হয় না। দু-চার দিন যেতে না যেতেই তারা আবার ফুটপাত দখল করে বসে যায়। আমি মনে করি, ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সচেষ্ট হতে হবে।


মন্তব্য