kalerkantho


ঢাকা : ডানা ভাঙা পরির কল্পনা

আজ ৮ নভেম্বর। বিশ্ব নগর পরিকল্পনা দিবস। একবিংশ শতাব্দীতে প্রত্যেক নাগরিকেরই প্রত্যাশা উন্নত নগরজীবন। কিন্তু সময়ের দাবি অনুযায়ী আমরা কতটা প্রস্তুত? প্রতিনিয়ত বাড়ছে ঢাকার জনসংখ্যা ও পরিধি। সে মোতাবেক ক্রমবর্ধমান নগরায়ণের সঙ্গে তাল মিলিয়ে গড়ে উঠছে কি একটি বাসযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব পরিকল্পিত ঢাকা? না গৃহীত পরিকল্পনা দীর্ঘসূত্রতায় পড়ে পরিণত হচ্ছে কাগুজে ব্যাপারে? এসব প্রশ্নের উত্তর-প্রত্যুত্তর নিয়ে সবিস্তারে লিখেছেন আবুল হাসান রুবেল

৮ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



ঢাকা : ডানা ভাঙা পরির কল্পনা

অঙ্কন : মাসুম

লোকালয় হিসেবে ঢাকা বেশ প্রাচীন। খ্রিস্টীয় সপ্তম শতকেও এর অবস্থিতি ছিল বলে জানা যায়।

পৃথিবীর সব প্রাচীন জনপদের মতো ঢাকাও অতীতে বুড়িগঙ্গা নদীর তীর ঘেঁষে বিক্ষিপ্তভাবে গড়ে উঠেছিল। ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে ফখরউদ্দীন মুবারক শাহ কর্তৃক সোনারগাঁয়ে স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০০ বছরব্যাপী বাংলার স্বাধীন সুলতানি রাজ্যের। এই সময়কাল থেকেই একটি ছোট্ট শহর হিসেবে ঢাকার অস্তিত্ব ইতিহাসের সূত্রে পাওয়া যায়। সতেরো শতকের শুরুতে ঢাকায় মোগল অধিকার প্রতিষ্ঠার আগে এ যুগের আকর গ্রন্থ বাহারিস্তান-ই-গায়েবিতে মির্জা নাথান ঢাকার যে অবস্থার বর্ণনা করেছেন তা অনেকটা এমন— শহরটি বুড়িগঙ্গার পূর্ব তীরে প্রতিষ্ঠিত ছিল। তা প্রলম্বিত ছিল বর্তমান বাবুবাজারের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে কয়েক মাইল পর্যন্ত।

বর্তমান পুরান ঢাকার অনেক স্থানের নাম হিন্দু নামে দীর্ঘকাল ধরে টিকে আছে। অনুমান করা হয় মুসলিম অধিকার ও সমাজ প্রতিষ্ঠার আগে প্রাচীনকাল থেকেই এখানে হিন্দু বসতি ও তাদের বাণিজ্যকেন্দ্র ছিল। হাকিম হাবিবুর রহমান উর্দু ভাষায় লেখা তাঁর ‘ঢাকা পঁচাশ বরস পহেলে’ গ্রন্থে বলেছেন, বিক্রমপুর যখন সেন রাজাদের রাজধানী তখন ঢাকার দক্ষিণাংশে হিন্দু বসতি গড়ে উঠেছিল। সেই যুগের স্মৃতিবিজড়িত নামগুলো হচ্ছে—লক্ষ্মীবাজার, বাংলাবাজার, সূত্রাপুর, জালুনগর, বানিয়ানগর, গোয়ালনগর, তাঁতীবাজার, সুতারনগর, কামারনগর, পাটুয়াটুলী, কুমারটুলী ইত্যাদি।

এই নামগুলো মোগলপূর্ব যুগে হিন্দু নিয়ন্ত্রিত পেশাজীবীদের অবস্থানও নিশ্চিত করছে। রাজধানী সোনারগাঁয়ের নিকটবর্তী হওয়ায় বাণিজ্য অঞ্চল বিস্তার করতে গিয়ে ঢাকার এই অঞ্চলে ক্রমে নাগরিকজীবনের বিকাশ ঘটে। সোনারগাঁ থেকে ঢাকার নগরায়ণের পথ প্রশস্ত হয় নদীপথে যোগাযোগ থাকায়। প্রাক-মোগল যুগে ঢাকার দক্ষিণ ও পূর্ব সীমা নির্ধারণ করেছে যথাক্রমে বুড়িগঙ্গা ও দোলাইখাল। মোগল আমলে ১৬০৮ সালে ঢাকা প্রাদেশিক রাজধানীর মর্যাদা পায়। তবে এ সময় কিছু উল্লেখযোগ্য স্থাপত্য ছাড়া ঢাকা শহরের সমৃদ্ধি ও সম্প্রসারণে কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা জানা যায় না। ব্রিটিশ আমলে বর্তমান ঢাকা সিটি করপোরেশন ‘ঢাকা মিউনিসিপ্যালিটি’ নামে যাত্রা শুরু করে ১৮৬৪ সালে। এর আগে ১৮২৩ সালে ঢাকার তৎকালীন কালেক্টর ওয়াল্টার সাহেবের অধীনে শহরের দেখভাল করার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়। ঢাকার নবাবরা এ সময় ঢাকার উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন। তবে এ সময় ঢাকা মিউনিসিপ্যালিটির কাজ ছিল মূলত রক্ষণাবেক্ষণমূলক। ঢাকার জন্য আধুনিক নগর পরিকল্পনাবিষয়ক প্রথম রিপোর্ট প্রণীত হয় ১৯১৭ সালে। বিখ্যাত স্কটিশ বিজ্ঞানী ও নগর পরিকল্পনাবিদ স্যার প্যাট্রিক গেডেস (জন্ম ১৮৫৪, মৃত্যু ১৯৩২) প্রণীত এ রিপোর্টে প্লাবনভূমির ওপর অবস্থিত ঢাকা শহরের জন্য একটি সুসামঞ্জস্যপূর্ণ পরিকল্পনার প্রস্তাব করা হয়।

পাকিস্তান সৃষ্টি হওয়ার পর, পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী ঢাকার জন্য ১৯৫৯ সালে রাজউকের পূর্বসূরি ডিআইটির তত্ত্বাবধানে প্রথম মাস্টার প্ল্যান তৈরি করা হয়। এখানে উল্লেখ্য, টাউন ইমপ্রুভমেন্ট অ্যাক্ট-১৯৫৩-র আওতায় ১৯৫৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ঢাকা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট বা ডিআইটি। কী ছিল সেই মাস্টার প্ল্যানে? মজার ব্যাপার হচ্ছে, সেই মাস্টার প্ল্যানে যেসব সুপারিশ ছিল কমবেশি এখনো প্রস্তাব করে যাওয়া হচ্ছে ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে, বাঁচাতে। সেখানে বলা হয়েছিল—

১. পরিকল্পনার সময় ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জসহ আশপাশের উপশহর মিলিয়ে জনসংখ্যা ছিল ১০ লাখের মতো। ২৯০ বর্গকিলোমিটার এলাকা ধরে পরিকল্পনা করা হয়েছিল। পরিকল্পনাকারীরা উপনিবেশ-উত্তর দেশগুলোতে রাজধানীকেন্দ্রিকতা বিষয়ে সচেতন ছিলেন। বিশেষত আমলাতন্ত্র, শিল্প-কলকারখানা ও মানুষজনের রাজধানীমুখী প্রবণতা সম্পর্কে সচেতন করে তাঁরা প্রস্তাব দিয়েছিলেন—প্রাতিষ্ঠানিক ও অর্থনৈতিক কারণে অপরিহার্য নয় এমন সব ক্ষেত্রে শিল্প-কারখানা ও অফিস-আদালত ঢাকার বাইরে স্থাপন করতে হবে।

২. দ্বিতীয় বিষয়টি ছিল জলাভূমি প্রসঙ্গে। তাঁরা বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী, তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যাকে রক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নগরীর প্রাকৃতিক নিষ্কাশন রেখার সঙ্গে জালের মতো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা খালগুলোকে যুক্ত করাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে চিহ্নিত করেছিলেন। নগরীর আবাসন ও স্থাপনা পরিকল্পনা যাতে এই প্রাকৃতিক ব্যবস্থার ক্ষতি না করে সেটির প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন।

৩. আরেকটি বিষয়ে তাঁরা বিশেষ জোর দিয়েছিলেন সেটি হলো নগরীতে খোলা জায়গা রক্ষা। তাঁরা প্রতি এক হাজার লোকের জন্য তিন-চার একর ফাঁকা জায়গার প্রস্তাব করেছিলেন। এর জন্য বিভিন্ন স্থাপনা ঢাকার আশপাশে সরিয়ে ফেলার নির্দিষ্ট কিছু প্রস্তাবও তাঁরা দিয়েছিলেন।

স্বাধীনতাপরবর্তীকালে ব্যাপক জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে

এই প্ল্যান অনুপযোগী হয়ে পড়েছে বলা হলেও এটি প্রায় ৪০ বছর ধরে থেকেই যায়। যদিও এর সময়কালে এই পরিকল্পনার বিভিন্ন সুপারিশ অগ্রাহ্য করেই গড়ে ওঠে ঢাকা। ১৯৭৯ সালে মহাপরিকল্পনাটির মেয়াদকাল শেষ হওয়ার পর ইউএনডিপির অর্থায়নে ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান শাঙ্কল্যান্ড কক্স ‘ঢাকা ইন্টিগ্রেটেড প্ল্যান’ নামে আরেকটি নতুন পরিকল্পনা তৈরি করেছিল, কিন্তু সে পরিকল্পনা কখনো গৃহীত ও বাস্তবায়ন হয়নি।

১৯৯৭ সালে সরকার ‘রাজউক’-এর (ডিআইটির নাম ১৯৮৭ সালে পরিবর্তন করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা ‘রাজউক’ রাখা হয়) তত্ত্বাবধানে প্রণীত ‘ঢাকা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান’ বা ডিএমডিপি অনুমোদন করে। এই পরিকল্পনার মেয়াদকাল ২০ বছর (১৯৯৫-২০১৫)। প্রায় তিন বছর (১৯৯২-৯৫) সময় ও প্রচুর অর্থ ব্যয় করা এ পরিকল্পনার রিপোর্টগুলো পড়লে প্রথমেই যেটি মনে হয় তা হলো, এতে প্রায় কোটি জনসংখ্যা অধ্যুষিত ঢাকা মহানগরীর সামগ্রিক ব্যবস্থা সম্পর্কে কোনো সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়নি। শহরে বিভিন্ন শ্রেণির লোক কোথায় থাকবে, তাদের কর্মস্থলে যাতায়াত কেমন হবে—এসব বিষয়ে দিকনির্দেশনা একটি মাস্টার প্ল্যানে থাকা অবশ্যই দরকার ছিল, যা এখানে নেই। ১৯৯২ সালে এই প্রজেক্ট যখন হাতে নেওয়া হয়, তার আগে থেকেই গার্মেন্ট ঢাকার প্রধানতম অর্থনৈতিক শিল্প। দলে দলে গ্রাম থেকে নিম্নবিত্ত গার্মেন্ট শ্রমিকদের যে ঢল ঢাকায় আসছে; তারা কোথায় থাকবে, গার্মেন্টগুলোতে কিভাবে যাবে, গার্মেন্টগুলো কোথায় গড়ে উঠবে—তার কোনো নির্দেশনা এ পরিকল্পনায় পাওয়া যায় না। একটি পরিকল্পনা নানা দীর্ঘসূত্রতায় পড়ে কিভাবে প্রায় পুরোপুরি কাগুজে ব্যাপারে পরিণত হয় তা এ ক্ষেত্রে দেখা যায়।

১৯৯৩-১৯৯৫ সাল। এই সময়ের মধ্যে ঢাকা মহানগর উন্নয়ন পরিকল্পনা (ডিএমডিপি) নেওয়া হয়। এ পরিকল্পনায় নগরায়ণের কাঠামো ও পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। পরিকল্পনাটি নেওয়া হয়েছিল জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) ও ইউএন-হ্যাবিট্যাটের আর্থিক সহায়তায়। ডিএমডিপিতে তিন ধাপ পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছিল। প্রথম দুটি হলো অবকাঠামো পরিকল্পনা ও নগর এলাকা পরিকল্পনা। বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা হলো ডিএমডিপির সর্বশেষ ধাপ। ১৯৯৫ সালে ঢাকা মহানগর উন্নয়ন পরিকল্পনা (ডিএমডিপি) চূড়ান্ত হয়।

১৯৯৭ সাল। এ বছর প্রজ্ঞাপন আকারে ঢাকা মহানগর উন্নয়ন পরিকল্পনা (ডিএমডিপি) প্রকাশ করা হয়। ৫৯০ বর্গমাইলের নগরকে ২৬টি অঞ্চলে ভাগ করে এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়। ডিএমডিপির প্রথম ধাপ দুটি ছিল পরীক্ষামূলক।

২০০৪-২০০৮ সাল। দুই হাজার সালে ডিএমডিপির তৃতীয় ধাপ হিসেবে ঢাকা বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনার (ড্যাপ) কাজ শুরু করা হয়। এতে জমি ব্যবহারের মূল পরিকল্পনা নির্ধারণ করা হয়। রাজউকের অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনার কারণে পরিকল্পনাটি চূড়ান্ত করতে অস্বাভাবিকভাবে বেশি সময় লেগেছে। যার সময়কাল হলো পুরো চার বছর। যেসব জমি ড্যাপে সংরক্ষিত বলে ঘোষণা করা হয়েছে, সেসব জলাশয় ও খোলা জায়গার প্রায় পুরোটাই আবাসন ব্যবসায়ীরা

জবরদখল করেছে এই চার বছরে—অনেক ক্ষেত্রে রাজউকের অনুমতি ছিল। ২০০৮ সালে ড্যাপ চূড়ান্ত করা হয়।

২০১০ সাল। আবাসন ব্যবসায়ীদের বড় একটা অংশ সরকারের ভেতরে থাকায় নিজেদের ভাগে তালগাছটা রেখেই ২০০৮ সালের ড্যাপ চূড়ান্ত করা হয়েছে। ফলে নগর পরিকল্পনার চেয়ে আবাসন ব্যবসায়ীদের জমি জবরদখলে সুবিধা দেওয়ার প্রতি বেশি নজর ছিল। কাজেই নগর পরিকল্পনাবিদ ও পরিবেশকর্মীরা এই পরিকল্পনাটি পর্যালোচনার দাবি করেন। ২০০৯ সালে সরকার একটি পর্যালোচনা পরিষদ গঠন করে। কমিটি ড্যাপের দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে এবং সংশোধনের লক্ষ্যে একটি সুপারিশমালা ২৬ মার্চ রাজউকের কাছে জমা দেয়। সংশোধন শেষে সরকার চূড়ান্ত পরিকল্পনাটির প্রজ্ঞাপন জারি করে ২০১০ সালের ২২ জুন। এখন বলা হচ্ছে, এই পুরো পরিকল্পনা ঘরে বসেই করা হয়েছিল, যথেষ্ট বাস্তবসম্মত নয়। নতুন করে পরিকল্পনা করতে হবে। তৈরি হয়েছে নতুন কাঠামোগত পরিকল্পনা। এবার এডিবির সহায়তায়। যার মেয়াদকাল ২০১৬-২০৩৫, অর্থাৎ ২০ বছর। এই পরিকল্পনায় এক হাজার ৬২৪ বর্গকিলোমিটার এলাকাকে ছয়টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। একই ধরনের জলাধার সংরক্ষণ, খোলা জায়গা সংরক্ষণ ইত্যাদির প্রতিশ্রুতি আছে সেখানেও। নতুন যেটি করা হয়েছে সেটি হলো ঢাকার চারপাশ ঘিরে একটি রিং রোডের পরিকল্পনা এবং প্লটভিত্তিক আবাসনের বদলে অ্যাপার্টমেন্টভিত্তিক আবাসনের পরিকল্পনা। কিন্তু বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা বাস্তবায়ন না করে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অর্থ কী আসলে? নারায়ণগঞ্জের মেয়র এরই মধ্যে বলেছেন, যারা দখল করেছে, এর মাধ্যমে তাদের দখলের বৈধতা তৈরি হবে। গাজীপুর এই নতুন পরিকল্পনায় প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হলেও তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনাই হয়নি অভিযোগ করেছেন সেখানকার ভারপ্রাপ্ত মেয়র।

আসলে খুব বেশি কিছু বদলাচ্ছে না। প্রথম মহাপরিকল্পনায় জলাভূমি রক্ষার কথা বলার একটা অর্থ ছিল, কেননা তখন জলাভূমি ছিল। এখন জলাভূমি উদ্ধারের ব্যবস্থা না নিয়ে রক্ষার কথা বলার তেমন কোনো অর্থ দাঁড়ায় না। চারপাশে রিং রোড হলে যানজট হয়তো কিছুটা কমতে পারে। আশাবাদী হতে দোষ কি! তবে আশাটা সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখাই সম্ভবত বাস্তবসম্মত।

আসলে খুব বেশি কিছু বদলাচ্ছে না। প্রথম মহাপরিকল্পনায় জলাভূমি রক্ষার কথা বলার একটা অর্থ ছিল, কেননা তখন জলাভূমি ছিল। এখন জলাভূমি উদ্ধারের ব্যবস্থা না নিয়ে রক্ষার কথা বলার তেমন কোনো অর্থ দাঁড়ায় না। চারপাশে রিং রোড হলে যানজট হয়তো কিছুটা কমতে পারে। আশাবাদী হতে দোষ কি! তবে আশাটা সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখাই সম্ভবত বাস্তবসম্মত


মন্তব্য