kalerkantho


ডিএনসিসির ৩০ ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ড

দখল, মাদক উপদ্রবসহ বহুমুখী সমস্যায় বাসিন্দারা

প্রতিনিয়ত বাড়ছে ঢাকার পরিধি। কিন্তু ক্রমবর্ধমান ঢাকার দ্রুত নগরায়ণের সঙ্গে তাল মিলিয়ে গড়ে উঠতে পারছে না পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনা। ফলে বেশির ভাগ নগরবাসীকে কাটাতে হয় নানা সমস্যা-সংকটে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩০ ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ডও এর ব্যতিক্রম নয়। ওয়ার্ড দুটির বিরাজমান পরিস্থিতি তুলে ধরে লিখেছেন কবীর আলমগীর

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



দখল, মাদক উপদ্রবসহ বহুমুখী সমস্যায় বাসিন্দারা

রাস্তায় ফেলে রাখা হয়েছে নির্মাণসামগ্রী। মিস্ত্রিদের থাকার ঘরও করা হয়েছে রাস্তায়ই। দেখার যেন কেউ নেই!

আদাবর থানার ডিএনসিসির ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের আয়তন ২.৩৮৩ বর্গকিলোমিটার। হোল্ডিং সংখ্যা ৫৭৪২।

জনসংখ্যা প্রায় আড়াই লাখ। শ্যামলী রিং রোড, আদাবর, নজরুলবাগ, পিসি কালচার হাউজিং, বায়তুল আমান, শেখেরটেক, মোহনপুর, চৌধুরী গলি লেন, ঢাকা হাউজিং এলাকা নিয়ে ৩০ নম্বর ওয়ার্ড গঠিত। এর পূর্বে শ্যামলী রিং রোড, পশ্চিমে বুড়িগঙ্গা নদী, উত্তরে মিরপুর, দক্ষিণে মোহাম্মদী হাউজিং।

 

ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি

মোহনপুর এলাকায় গত বছর মুদি দোকান বসিয়েছেন মো. মনিরুল ইসলাম নামের এক ব্যবসায়ী। এক দিন বিকেলে হঠাৎ কিছু লোক এলো। তারা দোকান বসানো বাবদ কিছু টাকা চেয়ে বসল। শেষ পর্যন্ত পাঁচ হাজার টাকায় রফাদফা। এমনই আরেকটি অভিজ্ঞতার কথা জানালেন আরেক ব্যবসায়ী আরিফুর রহমান। তিনি বলেন, ‘ঢাকা হাউজিং এলাকায় একটি রেস্টুরেন্ট বসাতে চেয়েছিলাম।

দোকানও ঠিক করেছিলাম কিন্তু এলাকার এক রাজনৈতিক কর্মসূচির কথা বলে আমার কাছে ২০ হাজার টাকা চাওয়া হয়। ভয়ে এখানে আর ব্যবসার চিন্তা করিনি। ’ স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাঁদাবাজপ্রবণ এলাকা মোহনপুর, চৌধুরী গলি লেন, বায়তুল আমান হাউজিং, পিসি কালচার হাউজিং ও ঢাকা হাউজিং এলাকা।

 

করুণদশায় পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা

ওয়ার্ডের পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা নাজুক হওয়ায় অল্প বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় বলে জানালেন শেখেরটেকের ৬ নম্বর রোডের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত এএসপি খোরশেদুল আলম। তিনি বলেন, ‘কয়েক দিন আগে বৃষ্টিতে পুরো রাস্তা ডুবে গেছে। যত্রতত্র পানি জমে থাকে। ওয়াসার প্রকৌশলী ও ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে বলেছি। কাউন্সিলর আশ্বাস দিয়েছেন কিন্তু এখনো এর কোনো বাস্তবায়ন হয়নি। ’ ঢাকা হাউজিং এলাকায়ও বৃষ্টির পানি জমে, তৈরি হয় জলাবদ্ধতা। হাউজিংয়ের বাসিন্দা মো. ইব্রাহিম বলেন, ‘আমরা মহা ভোগান্তিতে থাকি। ’ সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মেহেদীবাগ হাউজিংয়ের ভেতরের সড়ক ও ড্রেন বেহাল। দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করায় ড্রেনেজ লাইন ভরে গেছে বাসাবাড়ির আবর্জনায়। স্থানীয় ফার্মেসি ব্যবসায়ী আক্ষেপ করে বলেন, ‘এসব সমস্যার কথা বলে লাভ নেই। সমস্যা আছে কিন্তু সমাধান নেই। ’

 

শেখেরটেকের অবৈধ বাজার

শেখেরটেক এলাকার ৭ ও ৮ নম্বর সড়কের শেষ মাথায় মার্কেট স্থাপন আর কাঁচাবাজার বসিয়েছেন স্থানীয় ব্যক্তি হাজি আহসান উল্লাহ। স্কুলঘরের আকৃতিতে তিনি ৭ নম্বরের শেষ মাথায় নির্মাণ করেছেন তিনতলা মার্কেট। মার্কেটের নিচে দোকান এবং ওপরে বাসিন্দাদের ভাড়া দিয়েছেন। কিন্তু মার্কেট করতে যে রকম সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তা দরকার তা সেখানে নেই। নেই আগুন নির্বাপণ ব্যবস্থা। এ ছাড়া বিদ্যুৎ সার্কিট সিস্টেমও নাজুক। ঢাকার এক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র শামীম আহসান বলেন, ‘আমি এই এলাকায় থাকি। এই মার্কেটের সিস্টেম ভালো না। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কয়েক মাস আগে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে এখানে আগুন লেগেছিল। অবশ্য আধঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুনের ভয়ে সেই সময় ওপরতলার বাসিন্দাদের নেমে আসতে হয়। ’ এ ছাড়া কর্তৃপক্ষের অনুমোদন না নিয়েই মার্কেটের ভেতরে কাঁচাবাজার বসানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কয়েকজন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মার্কেটের ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. জসীম বলেন, ‘মালিক যেভাবে নির্মাণ করেছেন সেভাবেই মার্কেট চলছে। ’ যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বাজারের অনুমোদন নেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আমি নতুন দায়িত্ব নিয়েছি। ’ মার্কেট ও বাজারের মালিক আহসান উল্লাহর ম্যানেজার মো. ইরন মোবাইলে বলেন, ‘এসব বিষয়ে এখন কথা বলা যাবে না। আপনি সময় করে একদিন আসেন, মালিকের সঙ্গে বসেন। ’

 

দখলদারি

শেখেরটেক পিসি কালচার হাউজিংয়ের ৯ নম্বর রোডের শেষ মাথায় গার্মেন্ট ভবনের নির্মাণকাজ চলছে কয়েক মাস ধরে। এই গার্মেন্ট নির্মাণ করছেন আহসান উল্লাহর ভাগ্নে মো. আলম। এমন তথ্য জানালেন গার্মেন্ট ভবন নির্মাণের কেয়ারটেকার মো. লিটন। কিন্তু ভবন নির্মাণসামগ্রী এনে রাখা হয়েছে লোকজন যাতায়াতকারী সড়কে। এ ছাড়া টিন দিয়ে মিস্ত্রিদের থাকার ঘরও বানানো হয়েছে ওই সড়কে। ফলে এ সড়কে যান চলাচল নেই। জানতে চাইলে লিটন বলেন, ‘নির্মাণকাজ শেষ। আগামী মাসে ঘরগুলো ভেঙে ফেলব। ’ এ ছাড়া ওয়ার্ডের একাধিক সড়ক ও ফুটপাত চলে গেছে হকারদের দখলে। কেউ কেউ ভ্যান কিংবা চৌকিতে বসিয়েছেন দোকান। শেখেরটেক ৩ নম্বর সড়ক, আদাবর মূল সড়কের দুই পাশের সড়কের ফুটপাত দখল করে বসানো হয়েছে দোকান, চলছে ব্যবসায়িক কার্যক্রম।

 

ওয়ার্ড কাউন্সিলরের অভিমত

ওয়ার্ডের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে ৩০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবুল হোসেন হাসু বলেন, ‘আমি এলাকার তিনবারের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে কখনো গড়িমসি করি না। মানুষের সেবায় নিয়োজিত বলেই বুঝতে পারি মানুষের নানা সমস্যা। আমরা প্রতিটি সমস্যা গুরুত্ব দিয়ে সমাধান করার চেষ্টা করি। ’ তিনি আরো বলেন, ‘স্যুয়ারেজ লাইনের ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হলে রাস্তায় কখনো কখনো পানি জমে। পানি সরতে একটু সময় তো লাগবেই। বৃষ্টি হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই রাস্তায় পানি থাকে না। আমার ওয়ার্ডে খাল আছে। খাল এলাকায় মশার উপদ্রব একটু বেশি। খাল এলাকা ছাড়া আর কোথাও তেমন মশা নেই। মশা নিধনেও কাজ করছি। এ ছাড়া অন্যান্য যে সমস্যা আছে ভুক্তভোগীরা আমাকে জানালে সঙ্গে সঙ্গে তা সমাধানের চেষ্টা করব। ’

 

৩১ নম্বর ওয়ার্ড

মোহাম্মদপুর থানার অন্তর্গত ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের লোকসংখ্যা প্রায় আড়াই লাখ। নূরজাহান রোড, সলিমুল্লাহ রোড, রাজিয়া সুলতানা রোড, তাজমহল রোড (আংশিক), শেরশাহ সুরী রোড, আসাদ এভিনিউ (আংশিক), জাকির হোসেন রোড নিয়ে গঠিত এই ওয়ার্ড।

 

ক্রীড়া ক্লাবের নামে গাঁজার আসর

মোহাম্মদপুর শহীদ পার্কের ভেতরে শহীদ মিনার। তার বাঁ পাশেই টিনের বেড়া ও ছাউনি দিয়ে তৈরি করা হয়েছে অনুমোদনহীন এক ক্রীড়া ক্লাব। খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্যে ক্লাবগুলো প্রতিষ্ঠা করা হলেও মোহাম্মদপুর শহীদ পার্ক ক্রীড়া চক্র ক্লাব ব্যবহৃত হচ্ছে মাদকের আখড়া হিসেবে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শহীদ মিনারের পাশে চেয়ার পেতে গোল হয়ে বসে আছে ১০-১২ জন লোক। এদের দুই-একজন পত্রিকা পড়ছে, বাকিরা ব্যস্ত গাঁজা সেবনে। বাতাসে উড়ছে গাঁজার ধোঁয়ার গন্ধ, কিছুদূরে খেলছে শিশুরা। স্থানীয় এক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘গাঁজা, মদ, ফেনসিডিল খাওয়ার আখড়ায় পরিণত হয়েছে ক্লাবটি। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সেখানে দফায় দফায় মাদকসেবন চলে। ’ সাংবাদিক পরিচয় জানার পর নেশার আসর থেকে উঠে এলো কয়েকজন লোক। এদের পরিচয় এরা ক্লাবের ২১ সদস্যের পরিচালনা কমিটির দায়িত্বরত বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা। তাদের একজন ফোন দিল ক্লাবের সভাপতি মো. শাহজাহান খান বাদলকে। কিছুক্ষণ পর খেলার মাঠের বাইরে থেকে এলেন বাদল। খেলার মাঠে এই ক্লাব বসানোর কোনো অনুমোদন আছে কি না জানতে চাইলে সভাপতি বলেন, ‘আমাদের অনুমোদন দিয়েছেন এমপি সাহেব (জাহাঙ্গীর কবির নানক)। আমরা তো খেলাধুলার বিভিন্ন টুর্নামেন্টের আয়োজন করি। ’ ক্লাবের অনুমোদন লিখিত কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না, এমপি সাহেব মৌখিক অনুমোদন দিয়েছেন। ’

অবৈধভাবে গড়ে ওঠা রিকশার গ্যারেজটি রাত নামলেই পরিণত হয় মাদকের আখড়ায়

রিকশা গ্যারেজে চলে অনৈতিক কার্যকলাপ

টাউন হল বাজার থেকে মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডের দিকে যেতে বাঁ পাশে চোখে পড়বে একটি মাঠ। সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত এক পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ জায়গাটি নিয়ে ব্যক্তিমালিকানার বিরোধ চলছে, যা এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। স্থানীয় এক বড় ভাই জায়গাটা কাঁটাতার দিয়ে ঘিরে রিকশা গ্যারেজ করেছেন। আবুল হোসেন নামের এক রিকশাচালক বলেন, ‘এখানে তিনজন মালিক আছেন। কারো ১০০ রিকশা, কারো দেড় শ। আবার রিকশাচালকদের মধ্যেই কেউ কেউ মালিক আছেন। তাঁদের কারো আছে পাঁচটি রিকশা, কারো দুই-তিনটি করে। ’ স্থানীয় একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘এটা শুধু রিকশা গ্যারেজ নয়। এটা মাদকের আখড়া। এমন কোনো মাদক নেই যে এখানে পাওয়া যায় না। ’

ফার্নিচার ব্যবসায়ীদের দখলে ফুটপাত

ফার্নিচার দোকানিদের দখলে ব্যস্ত রাস্তা

আজম রোডের শুরু থেকে শহীদ পার্ক পর্যন্ত সীমানায় রাস্তার দুই পাশে গড়ে উঠেছে ফার্নিচার কেনাবেচার দোকান। এক পাশের দোকানগুলো ব্যক্তিমালিকানায় পরিচালিত। পার্ক লাগোয়া গড়ে ওঠা দোকানগুলোর মালিক ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা। কিন্তু সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত বেচাকেনা চলে এখানে। দোকানে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় ফার্নিচার মেরামত, পলিশ কিংবা বানানোর কাজ চলে ব্যস্ত রাস্তায়ই। ফলে গাড়ি চলাচলে অসুবিধা হয়। এমনকি ফুটপাত দখলে থাকায় লোকজন চলাচল করতে পারে না। ওই এলাকার বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা সাজ্জাদুর আরিফ বলেন, ‘একটা ব্যস্ত রাস্তা দখলে থাকবে। সাধারণ মানুষ জিম্মি হয়ে থাকবে। এটা দেখার যেন কেউ নেই। মাঝে মাঝে প্রশাসন অভিযান চালায় কিন্তু কয়েক ঘণ্টা পরই অবস্থা আগের মতো হয়ে যায়। ’

মাদকের আখড়া হয়ে উঠেছে মোহাম্মদপুর শহীদ পার্ক ক্রীড়া ক্লাবটি

মাদক বিক্রির হাট টাউন হল!

দিনের বেলা নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বিক্রি হয় মোহাম্মদপুরের টাউন হল বাজারে। কিন্তু সন্ধ্যা গড়াতে না গড়াতেই সেখানে শুরু হয় গোপনে ইয়াবা, ফেনসিডিল ও গাঁজা বিক্রি। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আজম শাহ রোডের মোড়েও মাদক বিক্রির ধুম পড়ে যায়। স্থানীয় লোকজন দেখেও অনেকটা না দেখার ভান করে। সেলিম নামের এক বাসিন্দা বলেন, ‘এই এলাকার গুরুতর সমস্যার একটি হলো মাদক। এলাকার বিভিন্ন স্পটে মাদক বিক্রি হচ্ছে। উঠতি বয়সী অনেকে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। আমরা কেউ ভয়ে প্রতিবাদ করি না। কারণ যারা মাদক কেনাবেচা করে, তারা সাধারণত অপরাধকর্মের সঙ্গে জড়িত। এ ছাড়া তাদের কিছু বললে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে। ’ খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শহীদ পার্ক সীমানা লাগোয়া বিভিন্ন স্থানে মাদক বিক্রি হয় সবচেয়ে বেশি।

 

যা বললেন ওয়ার্ড কর্তৃপক্ষ

এ বিষয়ে কাউন্সিলর শফিকুল ইসলাম সেন্টুর মোবাইল ফোনে কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি। তবে অভিযোগের বিষয়ে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের সচিব মো. আলম বলেন, ‘সমস্যা প্রচুর। দেখা গেল দখল উচ্ছেদ করতে গেলাম। উচ্ছেদ শেষ হতে না হতেই আবার দখল। এক সমস্যা ঠেকাতে গেলে আরেক সমস্যা দেখা দেয়। তবে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে যখনই কোনো অভিযোগ পাই সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করি। ’


মন্তব্য