kalerkantho


বৈষম্যমূলক উন্নয়নে নাগরিক দুর্ভোগ চরমে

২৩ আগস্ট, ২০১৭ ০০:০০



বৈষম্যমূলক উন্নয়নে নাগরিক দুর্ভোগ চরমে

বাসাবো খেলার মাঠে অবৈধভাবে চলছে মেলা।

অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও সমন্বয়হীন উন্নয়নের কারণে প্রতিনিয়তই ভুগতে হচ্ছে নগরবাসীকে। রাজধানীর ক্রমবর্ধমান নাগরিক চাহিদা অনুযায়ী বাড়ছে না নাগরিক সেবা দেওয়ার প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা।

সরু গলির ভাঙা রাস্তা, যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনার উৎকট দুর্গন্ধ আর গলি থেকে রাজপথ পর্যন্ত জলাবদ্ধতায় নাকাল নগরবাসী। ব্যতিক্রম নয় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ১, ২, ৩ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পরিস্থিতিও। এসব ওয়ার্ডের বিরাজমান অবস্থা নিয়ে লিখেছেন তোফাজ্জল হোসেন রুবেল

 

রাজধানীর খিলগাঁও, বাসাবো, মেরাদিয়া এলাকা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) অন্তর্ভুক্ত। রাজধানীর দুই সিটির নির্বাচনের পর মেয়রদ্বয় ও কাউন্সিলরদের পক্ষ থেকে অনেক প্রতিশ্রুতি পেলেও বাস্তবায়ন হয়েছে খুব কমই। ঘনবসতিপূর্ণ এ এলাকায় উন্নয়নের কোনো ছোঁয়া লাগেনি। এলাকাবাসী জানায়, ময়লা-আবর্জনা, মশার যন্ত্রণা, ভাঙা রাস্তা, মাদকের উত্পাত, যানজট ও সুপেয় পানির সংকট তাদের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। এর মধ্যে বাসাবাড়ি থেকে বের হলেই যানজটে পড়ে বসে থাকতে হয় দীর্ঘ সময়। সেই সঙ্গে সম্প্রতি জলাবদ্ধতাও এলাকাবাসীর নতুন ভোগান্তির নাম। লাখ লাখ মানুষের একটু বিনোদনের জন্য নেই কোনো পার্ক বা খেলার মাঠ।

১ নম্বর ওয়ার্ডে জোরপুকুর খেলার মাঠ আর বাসাবো এলাকায় দুটি মাঠ থাকলেও তা বছরে কয়েকবার মেলার নামে দখল করে রাখা হয়। মেলা শেষে গর্ত আর খানাখন্দে মাঠ ব্যবহার উপযোগী থাকে না। একই অবস্থা ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসাবো খেলার মাঠও।

খিলগাঁও এলাকার ব্লক-এ এবং ব্লক-সি নিয়ে ডিএসসিসির ১ নম্বর ওয়ার্ড। এ ওয়ার্ডের পূর্ব দিকে গোড়ান, পশ্চিমে মালিবাগ, উত্তরে তালতলা চৌধুরীপাড়া এবং দক্ষিণে বাসাবো এলাকা অবস্থিত। এ ওয়ার্ডের মোট আয়তন প্রায় ছয় বর্গকিলোমিটার। তিলপাপাড়া, প্রভাতীবাগ, তারাবাগ, ঝিলপাড়, চৌরাস্তা, খিলগাঁও কলোনি, পিডাব্লিউডি কোয়ার্টারসহ ওয়ার্ডের জনসংখ্যা হবে কয়েক লাখ। এ এলাকার বিপুল পরিমাণ জনসংখ্যাকে প্রতিদিনই পোহাতে হয় নানা ভোগান্তি, যার মধ্যে সবচেয়ে বড় ভোগান্তির নাম জলাবদ্ধতার ভোগান্তি। এর অন্যতম কারণ, পানি নিষ্কাশনের একমাত্র খিলগাঁও খালটি দখল হয়ে যাওয়া। দখলদাররা খালের টুঁটি চেপে ধরেছে। এ খালে পানি নিষ্কাশন যথাযথভাবে না হওয়ায় পুরো খিলগাঁও, তিলপাপাড়া, গোড়ান ও সিপাইবাগ এলাকার লাখ লাখ মানুষের ভোগান্তি হয়। এ ছাড়া এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, খিলগাঁও জোরপুকুর মাঠসংলগ্ন ফুটপাতে সরকারদলীয় লোকজনের ছত্রচ্ছায়ায় দোকান বসানো হয়েছে। ব্যস্ত এ স্থানে লোকজনকে চলাচল করতে হয় ফুটপাতের পরিবর্তে রাস্তা দিয়ে। এ মাঠের পাশে বর্তমানে রাস্তা আর ফুটপাত দখল করে চলছে ডিএসসিসির টয়লেট নির্মাণকাজ। এ ছাড়া এই ওয়ার্ডে একমাত্র মাঠ জোরপুকুর খেলার মাঠটিও বছরের বিভিন্ন সময় মেলার জন্য বাণিজ্যিকভাবে ভাড়া দেওয়া হয়। এ-ব্লকের ঝিলপাড় এলাকায় বস্তি ও বাদলের বস্তিতে এবং তিলপাপাড়া ঢালের রাস্তায় প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি ও সেবন হয় বলে জানা যায়। ডিএসসিসির ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ওয়াহিদুল হাসান মিল্টন বলেন, ‘খিলগাঁও এলাকার রাস্তায় কাজ করার জন্য ৪০ দিনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে রাস্তা কেটে রাখা হয়েছে। এতে এলাকাবাসীকে ভয়াবহ ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। আশপাশের এলাকায় সৃষ্টি হচ্ছে ব্যাপক যানজটের। এ ক্ষেত্রে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাউন্সিলরদের কিছু বলারও সুযোগ নেই। ’

ডিএসসিসির ২ নম্বর ওয়ার্ডে রয়েছে পূর্ব গোড়ান, উত্তর গোড়ান, দক্ষিণ গোড়ান। বর্তমানে গোড়ান ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হলেও আশির দশকেও এখানে প্রচুর ফাঁকা জমি ছিল। বসতি ছিল কম। এ ওয়ার্ডের বেশির ভাগ বসতিই গড়ে তুলেছে ঢাকার বাইরে থেকে আসা লোকজন। ওয়ার্ডটিতে সিটি করপোরেশনের দেওয়া নাগরিক সুবিধা খুবই কম। ডিএসসিসির গোড়ান, শান্তিপুর, নূরবাগ, সিপাইবাগ, নবাবী মোড়, দক্ষিণ বনশ্রী, আদর্শনগর, গোড়ান ৮, ৯ ও ১০ নম্বর গলি, আলী আহম্মদ স্কুল, ছাপরা মসজিদ এলাকা নিয়ে গঠিত এ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আনিসুর রহমান আনিস। প্রায় তিন লাখ লোকের বসবাস এ ওয়ার্ডে। মশার উপদ্রব আর যানজটই তাদের সবচেয়ে বড় অভিযোগ। এ ছাড়া ভাঙা আর সরু রাস্তায় ঘর থেকে বের হলেই পড়তে হয় নাকাল অবস্থায়। এলাকার বেশির ভাগ রাস্তা ভাঙাচোরা। পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের তত্পরতা নেই বলে ড্রেনগুলো ভরা থাকে আবর্জনায়। এ ছাড়া সিপাইবাগ মোড়ে দিন-রাত সব সময়ই ভয়াবহ যানজট লেগে থাকে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এ ওয়ার্ডে কমিউনিটি সেন্টার, শিশু পার্ক ও খেলার মাঠ নেই। ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আনিসুর রহমান আনিস বলেন, ‘মশার উপদ্রব অনেক বেশি। আমরা মশা নিধনের ক্রাশ প্রগ্রাম হাতে নিয়েছি। আর সরু রাস্তার কারণে যানজট একটু বেশি। তবে ভাঙা রাস্তা মেরামতের জন্য কাজ করতে যাচ্ছি। এ রাস্তাগুলো মেরামত হয়ে গেলে আশা রাখি যানজট কিছুটা কমবে। ’

ডিএসসিসির ৩ নম্বর ওয়ার্ডটি মেরাদিয়া, নবীনবাগ, ছাহেরুনবাগ, ভুঁইয়াপাড়া, মেরাদিয়া মধ্যপাড়া, নয়াপাড়া, উত্তর মেরাদিয়া ও আঙ্গারজোড়া এলাকা নিয়ে গঠিত। এখানে বেশির ভাগই নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষের বসবাস। এ এলাকায় রাস্তাঘাটসহ অন্যান্য নাগরিক সুবিধাও তেমন নেই। এ ওয়ার্ডের অন্যতম আকর্ষণ হচ্ছে শত বছরের প্রাচীন মেরাদিয়া হাট। প্রতি বুধবার হাটের কারণে মেরাদিয়ায় আসে হাজার হাজার মানুষ। এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সারা বছরই রাস্তায় নোংরা পানি—অর্থাত্ মলমূত্র ও আবর্জনা মেশানো পানি জমে থাকে। এ ওয়ার্ডের সবচেয়ে বড় সমস্যা সঠিক স্যুয়ারেজ ব্যবস্থাপনা। এলাকার স্যুয়ারেজের লাইন ফুটো হয়ে কয়েকটি পথে পানি জমে থাকে। এ ছাড়া এই এলাকায় রয়েছে মাদকের ছড়াছড়ি। সন্ধ্যার পর এলাকার বিভিন্ন অলিগলিতে বেড়ে যায় মাদকের কেনাবেচা। ইয়াবা, ফেনসিডিল ও গাঁজা পাওয়া যায় সর্বত্র। ভুঁইয়াপাড়া, নবীনবাগ, তিতাস রোডের মাথায় বালুর মাঠে, আবদুল্লাহ মসজিদের পূর্ব দিকে, মদনগলি ও মধ্যপাড়া গলিতে চলে মাদকের রমরমা বাণিজ্য। এ ছাড়া আনসারবাগ এলাকার বড়বাড়ি গলি, কবরস্থান গলি, জামতলা গলিসহ আশপাশের রাস্তায় পানি জমে থাকে। ছাহেরুনবাগ থেকে তিতাস রোডের রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে ভেঙেচুরে আছে। সেখানে ভাঙা রাস্তা পানির নিচে রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে দুর্গন্ধ ও ময়লা পানিতে চলাফেরা করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

ডিএসসিসির ৪ নম্বর ওয়ার্ডটি বাসাবো, মাদারটেক এলাকার বাগানবাড়ি, পাটোয়ারী গলি, আদর্শপাড়া, সরকারপাড়া, ওয়াহাব কলোনি, দক্ষিণ বাসাবো, মধ্য বাসাবো, পূর্ব ও উত্তর বাসাবো এলাকার বেশির ভাগ জায়গা নিয়ে গঠিত। এ ওয়ার্ডে নাগরিক সুযোগ-সুবিধা অপ্রতুল। এ ওয়ার্ডে ভাঙা রাস্তা, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার বিপর্যয়, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং অলিগলিতে ভাসমান মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিস্তার ঘটেছে। কদমতলা বালুর মাঠসংলগ্ন ১৫ ফুট রাস্তার ওপর চারটি ময়লার ডাস্টবিন। মায়াকানন এলাকায় একটু বৃষ্টি হলেই জমে যায় পানি। বাসাবো জেনারেল হাসপাতালের সামনে ভাঙা রাস্তায় পানি জমে আছে। এ ওয়ার্ডসহ আশপাশের এলাকার পানি নিষ্কাশনের একমাত্র উপায় হচ্ছে বাসাবো খাল। খালটির বেশির ভাগ অংশ দখল হয়ে গেছে। তবে ওয়াসা কয়েক বছর আগে পাড় বাঁধাই করে দেওয়ার পর নতুন করে দখল হচ্ছে না; কিন্তু বর্তমানে খালের ময়লা-আবর্জনার স্তূপ থাকায় পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নেই। বেশির ভাগ স্থানে ময়লা পড়ে শক্ত হয়ে গেছে। আবার বাসাবো খেলার মাঠসংলগ্ন ব্যস্ত সড়কেও রয়েছে ময়লার বড় একটি কনটেইনার। ফলে দিন-রাত সব সময়ই এখানে রিকশা ও অন্যান্য যানবাহনের জটলা লেগে থাকে। এ ওয়ার্ডের অন্যতম সমস্যা হলো মাদক। স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে মাদক বিক্রেতারা বছরের পর বছর প্রকাশ্যে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের এ অবৈধ ব্যবসা।

তবে এলাকার সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ বাসাবো খেলার মাঠটি মাঝেমধ্যেই বাণিজ্যকভাবে ব্যবহারে স্থানীয় লোকজনের ক্ষোভের শেষ নেই। বর্তমানে বাসাবো খেলার মাঠে চলছে মেলা। বাহারি পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছে দোকানিরা। শতাধিক দোকানি বসেছে এ মেলায়। ২৪ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এ মেলায় দোকানপ্রতি গুনতে হয়েছে ২০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত। মেলাকে কেন্দ্র করে মাঠে ব্যাপক আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে এ মেলা। মেলার জন্য আশপাশের বাসাবো টেম্পোস্ট্যান্ড, বাসাবো আমতলা ও দক্ষিণ বাসাবো এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। আর বাঁশ পুঁতে মাঠের মধ্যে করা হয়েছে শত শত গর্ত।

মেলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গণপূর্তের মালিকানাধীন এ মাঠে মেলা বসানোর অনুমতি দিয়েছে ‘বাসাবো তরুণ সংঘ’। মাঠটিতে মেলা বসানোর অনুমতি নিয়ম অনুযায়ী দিতে পারে গণপূর্ত অধিদপ্তর ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। বাসাবো তরুণ সংঘের সভাপতি সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চিত্তরঞ্জন দাস এবং সাধারণ সম্পাদক ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মাসুদ হাসান শামিম। ক্লাবের পক্ষে এ দুই কর্তা ১৫ লাখ টাকার বিনিময়ে মেলা বসানোর জন্য অনুমতি দিয়েছেন বলে জানান একাধিক ব্যক্তি। আর মেলার আয়োজক কমিটিতে রয়েছেন ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি তানিয়া হোসেন ও সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আখতারুজ্জামান মিথুন। কয়েক বছর ধরেই স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক লোকজন মেলা বসানোর চেষ্টা করলেও এলাকাবাসীর প্রতিরোধের মুখে তাঁরা পিছু হটেন। এবার বাধা দিয়েও আর মেলা ঠেকাতে পারেনি স্থানীয় লোকজন। জানতে চাইলে মাসুদ হাসান শামিম বলেন, ‘মাঠটি গণপূর্ত বিভাগের হলেও আমরা পুলিশের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে মেলা বসতে দিয়েছি। মেলা থেকে লাখ দশেক টাকা পাওয়া যায়, যা আমাদের ক্লাব পরিচালনার কাজে লাগানো হবে। আরো অনেক বেশি অর্থ প্রয়োজন ক্লাব পরিচালনায়। সরকার থেকে কোনো অর্থ পাই না। তাই মাঠে মেলা বসিয়ে অর্থ আয় করতে হয়। ’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বাসাবো তরুণ সংঘের সভাপতি ও সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চিত্তরঞ্জন দাস কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মেলাটি মূলত ভালো উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। সেখানে মেলা বসিয়ে সুলভ মূল্যে মানুষকে পণ্য দেওয়া হচ্ছে। আর দোকান ভাড়া থেকে একটি অর্থ ক্লাব পরিচালনার জন্য নেওয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি আমি করিনি, করেছেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মাসুদ হাসান শামিম। ’

 

ডিএসসিসির ১ নম্বর ওয়ার্ড

তিলপাপাড়া, প্রভাতীবাগ, তারাবাগ, ঝিলপাড়, খিলগাঁও চৌরাস্তা, খিলগাঁও কলোনি, পিডাব্লিউডি কোয়ার্টার এলাকা।

দুর্ভোগ : রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি ও যানজট প্রধান সমস্যা।

 

২ নম্বর ওয়ার্ড

পূর্ব গোড়ান, উত্তর গোড়ান, দক্ষিণ গোড়ান এলাকা।

দুর্ভোগ : যানজট, রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি ও মাদক সমস্যা।

 

৩ নম্বর ওয়ার্ড

নবীনবাগ, ছাহেরুনবাগ, ভুঁইয়াপাড়া, মেরাদিয়া মধ্যপাড়া, নয়াপাড়া, উত্তর মেরাদিয়া ও আঙ্গারজোড়া এলাকা।

দুর্ভোগ : জলাবদ্ধতা, যানজট, ভাঙা রাস্তা ও মশার উত্পাত।

 

৪ নম্বর ওয়ার্ড

বাসাবো এলাকা ও মাদারটেকের আংশিক।

দুর্ভোগ : খাল ও মাঠ দখল, মাদক, যানজট ও

রাস্তায় ভাগাড়।


মন্তব্য