kalerkantho

ঢাকার অতিথি

নেপাল টু ঢাকা

পড়াশোনা করতে নেপাল থেকে বাংলাদেশে উড়ে এসেছেন পূজা খাটি। পড়াশোনা করছেন এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন ইন চিটাগংয়ে। চট্টগ্রামে থাকলেও জাদুর শহর ঢাকাও ঘুরে দেখতে মিস করেননি। তাঁর চোখে ঢাকা কেমন? কথা বলে জানাচ্ছেন সাইমুম সাদ

১৯ এপ্রিল, ২০১৭ ০০:০০



নেপাল টু ঢাকা

শহরটা আমার কাছে বৈচিত্র্যপূর্ণ মনে হয়েছে। ঢাকা খুব ব্যস্ত শহর। নানা এলাকার মানুষজন বাস করে এই শহরে। একই সঙ্গে বলব, এই শহরের মানুষগুলো বেশ পরিশ্রমী

 

বাংলাদেশে আসার পর থেকেই দেশটির প্রতি মুগ্ধতা জন্মে তাঁর। পেশায় একজন ফিল্মমেকার ও ইউটিউবার। ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ’ নিয়ে প্রচুর ভিডিও নির্মাণ করেছেন তিনি। বিশ্ববাসীকে শুনিয়েছেন বাংলাদেশের সৌন্দর্যের গল্প। তাঁর ভিডিওগুলো এরই মধ্যে সাড়া ফেলেছে ইউটিউবে। পড়াশোনার খাতিরে বেশ কয়েক বছর ধরে চট্টগ্রামে থাকছেন তিনি। তবে ২০১৫ সালের দিকে প্রথমবার ঘুরতে এসেছিলেন ঢাকায়। ছিলেন সপ্তাহ তিনেকের মতো। ঢাকা সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘শহরটা আমার কাছে বৈচিত্র্যপূর্ণ মনে হয়েছে। ঢাকা খুব ব্যস্ত শহর। নানা এলাকার মানুষজন বাস করে এই শহরে। একই সঙ্গে বলব, এই শহরের মানুষগুলো বেশ পরিশ্রমী। চট্টগ্রামের চেয়েও ঢাকা শহরকে বেশি ভালোবাসি, কারণ একটাই—এখানে সিনেপ্লেক্স আছে! আমি সিনেমা দেখতে খুব ভালোবাসি। ঢাকায় থাকাকালে একটি সিনেমাও দেখেছিলাম। ’

পূজা উঠেছিলেন রায়েরবাজারের একটি বাসায়। ইন্টার্নশিপ করছিলেন বেটার বাংলাদেশ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে। কাজের ফাঁকে একটু সময় পেলেই ঘুরতে বেরোতেন ঢাকার বিভিন্ন স্থানে। জানালেন, ‘মাঝে একবার ঢু মেরেছিলাম নিউ মার্কেটে। অনেক কিছু কেনাকাটা করেছি। কাপড়চোপড়, জুতা আর জুয়েলারি কিনেছিলাম। এখানকার পণ্যগুলো খুব সস্তা। এত কম দামে আমি খুব কম জায়গায় শপিং করেছি। ’

ঢাকার সন্ধ্যাগুলো আড্ডামুখর কেটেছে পূজার। আড্ডা দিতে দারুণ ভালোবাসেন। আড্ডার জন্য প্রিয় জায়গা রবীন্দ্রসরোবর। বন্ধুদের নিয়ে হাজির হতেন সেখানেই। ‘ঢাকার রবীন্দ্রসরোবরটি আমার খুব প্রিয় জায়গার একটি। হাজার রকমের মানুষে পূর্ণ এলাকাটি। মাঝেমধ্যে তরুণদের গিটার হাতে দেখতাম। কেউ বা সুর করে গাইত। পরিবেশটি এককথায় দারুণ হয়ে উঠত। সময়গুলো খুব উপভোগ্য ছিল আমার কাছে। এখনো ভীষণ মিস করি। ’

ঘোরাঘুরির মধ্যে ঢাকাইয়া খাবারদাবারও খেতে ভালোবাসতেন পূজা। ‘আমার প্রিয় খাবার ফুচকা। যেখানেই যাই না কেন, এই খাবারটা আমি সবার আগে খুঁজে বের করি। নেপালে গিয়েও ঢাকাইয়া ফুচকা খুব মিস করতাম। পরেরবার আবার যখন ঢাকায় আসব, অবশ্যই ফুচকার স্বাদটা নিতে চাই। আর সিনেপ্লেক্সেও সিনেমা দেখার ইচ্ছা আছে। সম্ভব হলে আবারও একদিন রবীন্দ্রসরোবরে আড্ডা দেব। অপেক্ষায় আছি সেই সময়ের। ’


মন্তব্য