kalerkantho


শ্রীলঙ্কার রাজনৈতিক সংকট

‘কোনো আগাম নির্বাচন বা গণভোট হবে না’

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১০ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



শ্রীলঙ্কার চলমান রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকট নিরসনে কোনো আগাম নির্বাচন কিংবা গণভোটের সম্ভাবনা নেই। প্রেসিডেন্ট মাইত্রিপালা সিরিসেনার পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়েছে। এর আগে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন উঠেছিল, সংকট দূর করতে পার্লামেন্ট বিলুপ্ত করে সিরিসেনা আগাম নির্বাচন দিতে পারেন।

বৃহস্পতিবার রাতে বৈঠকে বসেন সিরিসেনার নেতৃত্বাধীন ‘শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টি’র (এসএলএফপি) কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা। সেখানে দলের সাধারণ সম্পাদক রোহানা লক্ষ্মণ পিয়াদাসা বলেন, ‘না, কোনো ধরনের আগাম নির্বাচন কিংবা গণভোট হবে না।’

উল্লেখ্য, সংবিধান অনুযায়ী ২০২০ সালের আগস্টে বর্তমান পার্লামেন্টের মেয়াদ শেষ হবে।

প্রেসিডেন্ট সিরিসেনা গত ২৬ অক্টোবর রনিল বিক্রমাসিংহেকে বরখাস্ত করে মাহিন্দা রাজাপক্ষেকে প্রধানমন্ত্রী বানালে গভীর রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকটে পড়ে দ্বীপ রাষ্ট্রটি। বিক্রমাসিংহে এখনো নিজেকে প্রধানমন্ত্রী দাবি করে বলছেন, তাঁকে বরখাস্ত করার কোনো সাংবিধানিক অধিকার প্রেসিডেন্টের নেই। নিজের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে পার্লামেন্টের অধিবেশন ডাকার দাবিও তুলেছেন তিনি। কিন্তু সিরিসেনা আগামী ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত পার্লামেন্ট মুলতবি করে রেখেছেন। বলা হচ্ছে, এই সময়ের মধ্যে নিজের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে বিরোধী এমপিদের দলে টানার কাজ সারতে চান সিরিসেনার মিত্র রাজাপক্ষে।

গত সোমবার সিরিসেনার সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করে স্পিকার কারু জয়াসুরিয়া বলেন, পার্লামেন্টের ভোটাভুটিতে জয় না পাওয়া পর্যন্ত রাজাপক্ষেকে তিনি প্রধানমন্ত্রীর স্বীকৃতি দেবেন না। পার্লামেন্ট মুলতবি রাখায় সিরিসেনার ওপর আন্তর্জাতিক মহলের চাপ ক্রমেই বাড়ছে। সর্বশেষ ‘কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশন’ (সিপিএ) এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আমরা উদ্বেগের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার চলমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। সিপিএ সব সময় আইনের শাসন এবং পার্লামেন্টের ভূমিকাকে গুরুত্ব দেয়।’ সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া।



মন্তব্য