kalerkantho


রদবদল, নৈরাজ্য ভালো লাগে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৫ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



রদবদল, নৈরাজ্য ভালো লাগে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গত প্রায় দেড় বছরের প্রেসিডেন্সি এবং তার আগে নির্বাচনী প্রচারের সময় থেকেই একটি বিষয় স্পষ্ট, সাংবাদিকদের ঘৃণা করতেই ভালোবাসেন তিনি। ট্রাম্পের ভালোবাসার তালিকা অবশ্য ছোট নয়—রদবদল ভালোবাসেন, নৈরাজ্য ভালোবাসেন। ট্রাম্পের দৃষ্টিতে, ‘এসব কিছু আসলেই ভালো’। বাস্তবতা হলো, তিনি হোয়াইট হাউসে ঢোকার পর থেকে এসবই চলছে। আর ওই প্রসঙ্গ টেনেই হালকা রসিকতার স্বরে এ মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

মন্তব্যের স্থান-কাল-দর্শকের সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক আদায়-কাঁচকলায়। শনিবার রাতে ছিল সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেসিডেন্টের ঐতিহ্যবাহী গ্রিডিরন ক্লাব ডিনার। বার্ষিক এই অনুষ্ঠানে রাজনীতিকরাও উপস্থিত থাকেন। ট্রাম্পের দৃষ্টিতে যাঁরা ‘সত্যিকারের গুণী লোক’। এই অনুষ্ঠানেই হালকা মেজাজে রঙ্গ-রসিকতায় মেতে ওঠেন ট্রাম্প।

শুরুতেই জানান দেন, ‘নিজেকে নিয়ে আমার মতো ইয়ার্কি করার সাধ্য আর কারো নেই।’ এর পরই নৈশভোজে যোগ দিতে তাঁর দেরির কারণ তুলে ধরেন। তাঁর জামাত জ্যারেড কুশনারের ওপর সম্প্রতি অতি গোপনীয় তথ্য দেখার ব্যাপারে যে বিধিনিষেধ জারি হয়েছে সে প্রসঙ্গে ইঙ্গিত করে ট্রাম্প বলেন, ‘জ্যারেড নিরাপত্তা পার হয়ে আসতে পারেনি বলে আমাদের দেরি হয়েছে।’

হোয়াইট হাউসের একের পর এক উপদেষ্টার বিদায় নিয়েও ঠাট্টা করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘এবার হয়তো মেলানিয়ার (ফার্স্ট লেডি) পালা।’ উঠে আসে হোয়াইট হাউসের সাবেক উপদেষ্টা স্টিভ ব্যাননের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট মন্তব্য করেন, ‘এই লোক টাইটানিকের চেয়েও বড় ছিদ্র তৈরি করেছেন।’ হোয়াইট হাউসের বহু তথ্য নিয়ে প্রকাশিত বই ‘ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি : ইনসাইট দ্য ট্রাম্পস হোয়াইট হাউস বইটি লিখতে সহায়তা করেন। সূত্র : এএফপি।


মন্তব্য