kalerkantho


ইয়েমেন যুদ্ধে মার্কিন বাহিনীর প্রত্যাহার চান সিনেটররা

ট্রাম্প প্রশাসনের বাধার মুখে পড়বে উদ্যোগ!

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



ইয়েমেন যুদ্ধে সৌদি জোটের ওপর থেকে মার্কিন সামরিক সমর্থন প্রত্যাহার চান যুক্তরাষ্ট্রের একদল সিনেটর। এ লক্ষ্যে তাঁরা মার্কিন সিনেটে একটি খসড়া প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ১৯৭৩ সালের যুদ্ধ নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি দুর্লভ প্রবিধান কার্যকরের কথা বলা হয়েছে, যাতে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা রহিত করে যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নিতে পারে কংগ্রেস। ডেমোক্রেটিক সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স, রিপাবলিকান সিনেটর মাইক লি, ডেমোক্রেটিক সিনেটর ক্রিস মারফি যৌথভাবে এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

এ প্রসঙ্গে গত বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে বার্নি স্যান্ডার্স বলেন, ‘আমরা মনে করি কংগ্রেস যেহেতু এই যুদ্ধ ঘোষণা করেনি এবং সামরিক বাহিনী পাঠানোর অনুমতি দেয়নি, তাই ইয়েমেনে যুক্তরাষ্ট্রের জড়িয়ে পড়া অসাংবিধানিক এবং অননুমোদিত। আর সৌদি জোট থেকে সামরিক সমর্থন প্রত্যাহার করে নেওয়া উচিত।’

স্যান্ডার্স জোর দিয়ে বলেন, মার্কিন সংবিধান ও কংগ্রেস হলো যুদ্ধ ঘোষণা করার একমাত্র অধিকারী। সেখানে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ও কংগ্রেসীয় ক্ষমতার বিভাজন সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। আর প্রেসিডেন্টের ভূমিকা হচ্ছে সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার ইন চিফ।

তবে প্রায় একই ধরনের উদ্যোগ এর আগেও দেখা গেছে। গত বছরের নভেম্বরে ইয়েমেন যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন প্রত্যাহার চেয়ে একটি প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছিল, যা পাস হলেও বাস্তবায়িত হয়নি। যদিও এবারের মতো উদ্যোগ আগে কখনোই নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেছেন উদ্যোক্তারা।

স্যান্ডার্স বলেন, বর্তমানে সৌদি আরবের সঙ্গে হুথি বিদ্রোহীদের বিধ্বংসী গৃহযুদ্ধের কারণে ইয়েমেনের জনগণ যে কষ্ট ভোগ করছে, সে সম্পর্কে অনেক আমেরিকানই জানে না। তিনি বলেন, এই যুদ্ধে সৌদির সমর্থনে যুক্তরাষ্ট্র বাহিনী সক্রিয়ভাবে জড়িত এবং গোয়েন্দা সহায়তা ও যুদ্ধবিমানে আকাশে জ্বালানি সরবরাহ করছে—এ সম্পর্কে অনেক আমেরিকানই ওয়াকিফহাল নয়। অথচ সেই সব বিমান হাজার হাজার মানুষকে বোমা নিক্ষেপ করছে এবং মানবিক সংকট অতি তীব্র করে তুলছে। সূত্র : আলজাজিরা, দ্য ইন্টারসেপ্ট।



মন্তব্য