kalerkantho


কুর্দিদের সমর্থনে আফরিনে ঢুকছে সিরীয় সেনা, তুরস্কের সতর্কতা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



সিরিয়ার আফরিন অঞ্চলে তুর্কি বাহিনীর মোকাবেলায় প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সরকার সমর্থিত বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। গতকাল সোমবার সিরিয়ার সরকার নিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, যেকোনো সময় আফরিনে সরকার সমর্থিত বাহিনী ঢুকে পড়বে। আফরিনে কুর্দিদের দমনে তুরস্কের সেনারা জানুয়ারি মাস থেকে অভিযান চালাচ্ছে। সিরিয়া সরকার গোপনে কুর্দিদের সহায়তা দিয়ে এলেও এবার প্রকাশ্যে তারা সহায়তায় নামল বলে জানা গেল।

এর আগে সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক খবরে বলা হয়, সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে সিরীয় সরকারের সমঝোতা হয়েছে। চুক্তি অনুসারে আফরিনে তুরস্কের হামলা মোকাবেলায় কুর্দিদের সহযোগিতায় সেনা পাঠাবে সিরিয়া। কুর্দিদের পক্ষ থেকে এই সমঝোতার বিষয়টি জানালেও সিরীয় সরকারের পক্ষে তা নিশ্চিত করা হয়নি।

এদিকে তুরস্ক সিরিয়াকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, কোনো শক্তিই আফরিনে তুরস্কের অভিযান থামাতে পারবে না। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলু বলেন, ‘সিরিয়ার সরকার সমর্থিত সেনারা যদি পিকেকে, ওয়াইপিজিকে উচ্ছেদ করতে সেখানে যায় তাহলে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু সেখানে তারা যদি ওয়াইপিজিকে রক্ষা করতে চায় তাহলে আমাদের ও তুরস্কের সেনাদের কেউ থামাতে পারবে না।’

সিরিয়ার বার্তা সংস্থা সানা জানায়, ‘সরকার সমর্থিত বাহিনী আফরিনের মানুষকে সমর্থন এবং তুরস্কের হামলা প্রতিহত করতে পরবর্তী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সেখানে পৌঁছবে।’ তবে গত রবিবার আফরিনের নির্বাহী পরিষদের কর্মকর্তা হিভি মোস্তাফা বলেছেন, সরকার সমর্থিত সেনা ছিটমহলে ফিরে আসার বিষয়ে আলোচনা চলছে। এই আলোচনা সেনাবাহিনী পর্যায়ে চলছে।

তুরস্কের সীমান্তের কাছে সিরিয়ার আফরিন এলাকা কুর্দি পিপলস প্রটেকশন ইউনিটসের (ওয়াইপিজি) নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ‘অলিভ ব্রাঞ্চ’ নামের অভিযানে তুরস্ক সেখানে পদাতিক সেনা মোতায়েন করেছে এবং বিমান ও গোলন্দাজ হামলা চালাচ্ছে।

গত সপ্তাহে ওয়াইপিজি প্রধান সিপান হামো সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, তুরস্কের হামলা প্রতিরোধে দামেস্কের হস্তক্ষেপের ব্যাপারে তাঁর বাহিনীর কোনো সমস্যা নেই। হামো বলেন, ‘আফরিন রক্ষায় সিরিয়ার সেনাবাহিনীর প্রবেশে আমাদের কোনো সমস্যা নেই।’ সূত্র : এএফপি।



মন্তব্য