kalerkantho


মার্কিন নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের অভিযোগ

ক্ষমা চাইলেন পুতিনের প্রতিদ্বন্দ্বী

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপ থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী সেনিয়া শোবচাক। তিনি বলেন, এমনটি ঘটে থাকলে সে জন্য তিনি ‘দুঃখিত’। এদিকে রাশিয়ার আগামী মাসের নির্বাচনে শোবচাক ছাড়াও আরো ছয় প্রার্থী প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিপক্ষে লড়বেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পরই তাতে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের অভিযোগ ওঠে। বলা হয়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়ের পেছেন রুশ হ্যাকারদের হাত ছিল। ট্রাম্প ও পুতিন প্রশাসন বরাবরই এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

এ অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শোবচাক (৩৬) বলেন, ‘কিছু একটা ঘটেছে বলে আমার মনে হয়। আর তেমন কিছু ঘটে থাকলে সে ক্ষেত্রে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।’ তিনি বলেন, ‘একটি দেশের নির্বাচনে আরেকটি দেশ হস্তক্ষেপ করবে—এটা আসলে মেনে নেওয়া যায় না।’

আগামী মাসের নির্বাচনে ভ্লাদিমির পুতিন খুব সহজেই জয়ী হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে যে কয়েকজন তাঁর বিরুদ্ধে লড়বেন, তাঁদের মধ্যে শোবচাকই সবচেয়ে ‘ভারী’ প্রার্থী। তবে শোবচাকের বিরুদ্ধে ‘গুরুতর’ অভিযোগও আছে। অনেক সমালোচকই মনে করেন, এই টিভি উপস্থাপক আসলে পুতিনের পক্ষেই কাজ করেন। নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করতেই নাকি এই নারী নেত্রী প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হয়েছেন। তবে সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেন।

নির্বাচনে আরো ছয়জন প্রার্থী রয়েছেন। তাঁরা হলেন ৫৭ বছর বয়সী ধনকুবের পাভেল গুদিনিন। তিনি কমিউনিস্ট পার্টি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সত্যিকারার্থে তিনি কমিউনিজম ধারণ করেন না। শুধু অর্থের জোরে মনোনয়ন পেয়েছেন।

প্রার্থী হয়েছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা ভ্লাদিমির ঝিরিনোভস্কি (৭১)। এ নিয়ে ছয়বার প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হলেন তিনি। বাকি চার প্রার্থী হলেন অর্থনীতিবিদ গ্রিগরি ইভালিনস্কি (৬৫); বরিস তিতভ (৫৭); সের্গেই বাবুরিন (৫৯) ও ম্যাক্সিম সুরাইকিন (৩৯)।

পুতিনের সবচেয়ে বড় সমালোচক আলেক্সেই নাভালনির বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ থাকায় তিনি নির্বাচনে লড়তে পারছেন না। নাভালনির অভিযোগ, তাঁকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতেই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। সূত্র : সিএনএন। 


মন্তব্য