kalerkantho


বছরপূর্তিতে আবার ট্রাম্পবিরোধী নারী বিক্ষোভ

‘ভবিষ্যৎ নারীতেই’

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২২ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



‘ভবিষ্যৎ নারীতেই’

মধ্য নিউ ইয়র্কের রাস্তায় পোস্টার হাতে নারীদের ঢল। গত শনিবারের ছবি। ছবি : সিএনএন

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানের পরদিন যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে নারীরা রাস্তায় নেমে তাঁর প্রেসিডেন্সির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়। এক বছর পার করে আবার যুক্তরাষ্ট্রের শহরগুলোতে নারীদের ঢল নেমেছে। বিক্ষোভের বিষয় একই—ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিকভাবে চলমান আরেকটি আন্দোলন—কর্মক্ষেত্রে নারীর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার প্রতিবাদে ‘মি টু’ হ্যাশট্যাগের প্রতি একাত্মতা প্রকাশও যুক্ত হয়েছিল গত শনিবারের বিক্ষোভে। দ্বিতীয় অংশটির কারণেই শনিবারের এই বিক্ষোভ ছড়িয়ে গেছে দেশ থেকে দেশান্তরে। আর সবার অভিন্ন ব্যানার হিসেবে এসেছে ‘ফিউচার ইজ ওম্যান’ বা ‘নারীতেই ভবিষ্যৎ।’

অভিষেকের বিক্ষোভের বর্ষপূর্তিতে শনিবার ওয়াশিংটন, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগোসহ যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় আড়াই শ শহরে মার্কিন প্রেসিডেন্টের নেওয়া বিভিন্ন নীতির বিরুদ্ধে নারীরা রাস্তায় নেমে আসে। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমর্থকরা ছাড়াও অভিনেত্রী, লেখিকাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নারী-পুরুষ এসব বিক্ষোভে অংশ নেন। রিপাবলিকান প্রেসিডেন্টের নেওয়া বিভিন্ন নীতি নারীদের আঘাত করছে মন্তব্য করে তাঁরা নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটের মাধ্যমে এর জবাব দিতে জনগণের প্রতিও আহ্বান জানান। লস অ্যাঞ্জেলেসের মিছিলে অংশ নেওয়া অভিনেত্রী ইভা লংগোরিয়া বলেন, ‘আপনার ভোটই আপনার অবস্থানের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। যাদেরই ভোটের অধিকার আছে তাদেরই উচিত তা প্রয়োগ করা।’

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন শহরেও নারীদের এমন বিক্ষোভ হয়েছে। বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প টুইটারে বলেছেন, তাঁর মেয়াদের প্রথম বছর নারীরা অনেকভাবেই সুবিধা পেয়েছেন। তিনি লিখেন, ‘দেশজুড়ে সুন্দর আবহাওয়া, নারীদের মিছিল করার জন্য এটি চমৎকার একটি দিন। গত ১২ মাসে যেসব ঐতিহাসিক অর্জন ও অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক সফলতা এবং সম্পদ সৃষ্টি হয়েছে তা উদ্‌যাপনে আপনারা বেরিয়ে আসুন। ১৮ বছরের নারী বেকারের হার এখনই সবচেয়ে কম।’

গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম বিভাগ দেশটিতে সামগ্রিক বেকারত্বের হার ৪.১ শতাংশ হলেও নারীদের ক্ষেত্রে তা ৩.৭ শতাংশ বলে জানিয়েছিল। বিক্ষোভকারীরা অবশ্য বলছেন, এর উল্টোটা। টেনেসির নক্সভিল থেকে ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল মলের বিক্ষোভে অংশ নিতে আসা ৩৯ বছর বয়সী আইনজীবী কেটি ও’কনর বলেন, ‘আমি চাই ট্রাম্প চলে যাক। এ প্রশাসন নারীদের জন্য ভালো কিছু করবে এমনটা বিশ্বাস করি না।’ সূত্র : সিএনএন, রয়টার্স।



মন্তব্য