kalerkantho


তুরস্কের যুদ্ধবিমান ধ্বংসের হুঁশিয়ারি সিরিয়ার

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২০ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



সিরিয়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, তুরস্কের কোনো যুদ্ধবিমান তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করলে তা ধ্বংস করা হবে। একই সঙ্গে এও বলেছে, তাদের ভূখণ্ডে তুরস্কের যেকোনো সামরিক হস্তক্ষেপকে তারা ‘আগ্রাসন’ হিসেবে বিবেচনা করবে। সিরিয়ায় কুর্দিদের সশস্ত্র গোষ্ঠী—ওয়াইপিজের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর যে হুমকি তুরস্ক কয়েক দিন ধরে দিয়ে আসছে, মূলত তারই জবাবে দামেস্ক এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করল।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র জানায়, তারা ‘সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস’কে (এসডিএফ) সামরিক প্রশিক্ষণ দেবে। এসডিএফে প্রায় ৪০ শতাংশই ওয়াইপিজের যোদ্ধা। এই ওয়াইপিজেকে ‘সন্ত্রাসী’ গোষ্ঠী হিসেবে দেখে তুরস্ক। কারণ এই গোষ্ঠীর সঙ্গে তুরস্কের সরকারবিরোধী কুর্দিদের সম্পর্ক রয়েছে।

তুরস্কের সীমান্তবর্তী সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় আফরিন অঞ্চলটি কুর্দি অধ্যুষিত। কয়েক দিন ধরে তুরস্কের কর্মকর্তারা বলে আসছেন, তাঁরা সেখানে কুর্দিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালাবেন। এর প্রতিক্রিয়ায় গত বৃহস্পতিবার সিরিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল আল-মিকদাদ বলেন, ‘আমরা সতর্ক করে দিয়ে বলতে চাই, তুরস্কের কোনো যুদ্ধবিমান সিরিয়ার আকাশসীমা লঙ্ঘন করলে তা ধ্বংস করার জন্য আমাদের বিমানবাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।’

সিরিয়ার সরকারি বার্তা সংস্থা সানাকে তিনি আরো বলেন, ‘আমরা তুরস্কের নেতাদের সতর্ক করে বলতে চাই, আফরিন অঞ্চলে তারা যুদ্ধে জড়ালে আমরা তা সিরিয়ার সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সামরিক আগ্রাসন হিসেবে বিবেচনা করব।’ এ ছাড়া সামরিক হস্তক্ষেপ হলে তা তুরস্কের জন্য ‘আনন্দদায়ক কিছু’ হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। বর্তমানে কুর্দি যোদ্ধাদের দখলে রয়েছে সিরিয়ার ২৫ ভাগ এলাকা। সামরিক প্রশিক্ষণসহ এদের সব ধরনের অস্ত্র সরবরাহ করে যুক্তরাষ্ট্র। এরা দীর্ঘদিন ধরে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে লড়াই করছে। সূত্র : আলজাজিরা।



মন্তব্য