kalerkantho


পশ্চিম তীরে আরো ১১০০ বসতির অনুমোদন ইসরায়েলের

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১২ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



ফিলিস্তিনের দখলকৃত পশ্চিম তীরে নতুন বসতি স্থাপনের জন্য আরো এক হাজার ১০০ বাড়ি নির্মাণ অনুমোদন করেছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। বসতি নির্মাণবিষয়ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যৌথভাবে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কমিটি গত বুধবার এ অনুমোদন দেয়। গতকাল বৃহস্পতিবার বসতি নির্মাণ পর্যবেক্ষক এনজিও ‘পিস নাও’ এই তথ্য জানিয়েছে।

পিস নাওয়ের কর্মকর্তা হ্যাগিত অফ্রান বলেছেন, নতুন এই এক হাজার ১০০ বসতির মধ্যে ৩৫২টি চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে। বাকিগুলো এই প্রক্রিয়ার প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। অফরানের তথ্য মতে, অনুমোদন করা বসতিগুলোর বেশির ভাগই পশ্চিম তীরের অনেক ভেতরে, যা ইসরায়েলকে একসময় উচ্ছেদও করতে হতে পারে। কারণ ফিলিস্তিন-ইসরায়েলি দ্বন্দ্বের দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধান হিসেবে ইসরায়েলকে নিজেদের স্থাপিত এই বসতি সরাতে হবে। তিনি বলেন, ‘ইসরায়েলি সরকারের সাধারণ প্রবণতার অংশ হিসেবে পুরো পশ্চিম তীরজুড়ে বসতি তৈরি করা হচ্ছে। এমনকি এমন স্থানেও বসিত স্থাপন করা হচ্ছে, যা ইসরায়েলকে উচ্ছেদ করতেই হবে। তবে এই প্রক্রিয়া দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধানকে ব্যাহত করবে।’

গত মঙ্গলবার পশ্চিম তীরে গুলিতে এক ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীর মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে বসতি স্থাপনের আহ্বান জানায় ইসরায়েলের কর্তৃপক্ষ। পিস নাওয়ের তথ্য মতে, গত বছর (২০১৭ সালে) ইসরায়েল পশ্চিম তীরে ছয় হাজার ৭৪২টি বসতি নির্মাণ অনুমোদন করে, যা ২০১৩ সালের পর সর্বোচ্চ।

এরই মধ্যে জাতিসংঘ মহাসচিবসহ বিশ্ব নেতৃবৃন্দ ইসরায়েলের এই বসতি নির্মাণের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন এই বসতি নির্মাণের পক্ষে।

সেলেলার হত্যার প্রতিশোধের হুমকি : মঙ্গলবার পশ্চিম তীরের নাবলুসে গুলিতে এক ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীর মৃত্যার ঘটনায় প্রতিশোধ গ্রহণের হুমকি দিয়েছে ইসরায়েল। গতকাল বৃহস্পতিবার রিজাইল শিভাহ নামের ওই ইসরায়েলির শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে এই হুমকি দিয়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলেছে, তারা হামলাকারীর বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেবে। তবে এ ঘটনায় গতকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার কিংবা কোনো ফিলিস্তিনির বাড়িতে হামলার খবর পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় ইসরায়েলে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ডেভিড ফ্রিডম্যান হামলাকারীকে ‘ফিলিস্তিনি সন্ত্রাসী’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তবে হামাস এই হামলাকে স্বাগত জানিয়েছে। সূত্র : এএফপি।



মন্তব্য