kalerkantho


কাঠগড়ায় তোলা হবে সৌদিও ১১ প্রিন্সকে

বিনা বিচারে আটক এক ধর্মীয় নেতা : এইচআরডাব্লিউ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৮ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



সৌদি আরবে আটক ১১ প্রিন্সকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে বলে গতকাল রবিবার দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন। এদিকে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডাব্লিউ) জানিয়েছে, দেশটির বিশিষ্ট ধর্মীয় নেতা সালমান আল আউদাকে বিনা অভিযোগে চার মাস আটক রাখা হয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে তাঁকে আটক করা হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার রিয়াদে রাজপ্রাসাদের বাইরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভের দায়ে ১১ প্রিন্সকে আটক করা হয়েছিল। প্রিন্সদের বাড়িঘরের পানি ও বিদ্যুৎ বিল সরকার পরিশোধ করবে না, এমন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে প্রিন্সরা বিক্ষোভ করেছিলেন। অ্যাটর্নি জেনারেল সৌদ আল মোজেব বলেছেন, ২০১৬ সালে একটি হত্যার দায়ে অভিযুক্ত এক প্রিন্সের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় তার ক্ষতিপূরণও তাঁরা দাবি করছিলেন।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া এক বিবৃতিতে মোজেব বলেন, ‘বৃহস্পতিবার ১১ প্রিন্স ঐতিহাসিক কাসর আল হোকম প্রাসাদে উপস্থিত হয়ে বিদ্যুৎ ও পানির বিল বন্ধের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করছিলেন। তাঁদের দাবি আইনসিদ্ধ নয়, এমনটা জানানো সত্ত্বেও তাঁরা ওই স্থান ত্যাগ করতে অসম্মতি জানান। এ ছাড়া তাঁরা সাধারণ নাগরিকদের শান্তি বিনষ্ট ও আইন-শৃঙ্খলার বিঘ্ন ঘটাচ্ছিলেন।’

আটক ১১ প্রিন্সকে রিয়াদের দক্ষিণে সর্বোচ্চ নিরাপত্তায় ঘেরা আল হায়ের কারাগারে রাখা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

গোয়েন্দা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কঠোর ব্যবস্থায় গত সেপ্টেম্বরে সৌদির রাজপরিবারের সদস্যসহ ২০ জনের বেশি বিশিষ্ট নাগরিককে আটক করেছিল সৌদি সরকার। তাঁদের একজন সালমান আল আউদা। এইচআরডাব্লিউ জানিয়েছে, কাতার সম্পর্কিত এক টুইটের কারণে সালমান আল আউদাকে আটক করা হয়েছে বলে তাঁর পরিবার মনে করছে। আটকের পর থেকে আউদাকে নির্জন কারাবাসে রাখা হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আনা হয়নি। এমনকি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়নি। তবে গত অক্টোবরে তাঁকে একবার মাত্র ফোন করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।

এদিকে সালমান আল আউদার আটকের খরব প্রকাশ করায় তাঁর ভাই খালেদ আল আউদাকে আটক করা হয়েছে বলে মানবাধিকারকর্মীরা জানিয়েছেন। সূত্র : এএফপি।



মন্তব্য