kalerkantho


মুসলিমবিদ্বেষী মন্তব্য করে পুলিশি তদন্তের মুখে জার্মান এমপি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৩ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



মুসলিমবিদ্বেষী মন্তব্য করে পুলিশি তদন্তের মুখে জার্মান এমপি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুসলিমবিদ্বেষী মন্তব্য করে জার্মানির এক পার্লামেন্ট সদস্য (এমপি) পুলিশি তদন্তের মুখে পড়েছেন। ডানপন্থী দল ‘অলটারনেটিভ ফর জার্মানি’ (এএফডি) থেকে নির্বাচিত ওই এমপির নাম বিয়াট্রিক্স ফন স্টর্চ। পুলিশ বলছে, স্টর্চের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ছড়ানোর অভিযোগ আনা হতে পারে।

অনলাইনে ‘হেট স্পিচ’ বন্ধে গত সোমবার ‘নেৎসডিজি’ নামে নতুন একটি আইনের প্রয়োগ শুরু করে জার্মানি। এর এক দিনের মাথায় এ ধরনের অভিযোগের মুখে পড়লেন এএফডি পার্টির উপনেতা স্টর্চ।

সম্প্রতি নতুন বছর উপলক্ষে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে টুইটারে একটি বার্তা পোস্ট করে কোলোন শহরের পুলিশ বিভাগ। ইংরেজি, ফরাসি ও জার্মান ভাষার পাশাপাশি আরবিতেও ওই পোস্ট দেওয়া হয়। মূলত আরবিতে পোস্ট দেওয়ার কারণে পুলিশের ওপর ‘ক্ষিপ্ত’ হন স্টর্চ। পাল্টা এক টুইটার বার্তায় তিনি অভিযোগ করেন, ‘বর্বর ও ধর্ষক মুসলমান জাতিগোষ্ঠীকে তৃপ্ত করতেই পুলিশ আরবিতে টুইট করেছে।’

জার্মান সাময়িকী ‘ডেয়া স্পিগেল’কে কোলোন পুলিশ জানিয়েছে, স্টর্চের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ আনা হবে কি না, তা তারা খতিয়ে দেখছে।

এদিকে স্টর্চের মন্তব্যের পর তাঁর অ্যাকাউন্ট ১২ ঘণ্টার জন্য বন্ধ করে দেয় টুইটার কর্তৃপক্ষ। যুক্তি হিসেবে তারা জানায়, স্টর্চের মন্তব্য টুইটারের নিয়ম লঙ্ঘন করেছে। এরপর একই পোস্ট ফেসবুকে শেয়ার করেন নারী এমপি স্টর্চ। ফেসবুকও একই কারণে তাঁর সেই পোস্ট ব্লক করে দেয়।

উল্লেখ্য, ‘নেৎসডিজি’ আইন লঙ্ঘন করলে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ পাঁচ কোটি ইউরো জরিমানা হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৪৯৬ কোটি টাকা। সূত্র : বিবিসি।



মন্তব্য