kalerkantho


আলোচনায় থাকবে জলবায়ু পরিবর্তন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



কী হবে তা নিশ্চিত নয়। তবে কিছু তো হবেই—প্রলয়ংকরী ঝড় হতে পারে, বিপর্যয় সৃষ্টিকারী বন্যা হতে পারে বা প্রাণঘাতী দাবদাহও হতে পারে। ভয়ংকর কিছু চিত্র আমাদের সামনে উঠে আসবে—শিশুরা ডুবে যাচ্ছে, বরফের চাঁই ভেঙে পড়ছে, ক্ষুধার্ত মরু ভালুুক বাঁচার জন্য লড়ছে। আবার এমন মানুষের দেখাও আমরা পেয়েছি এবং ভবিষ্যতেও পাব, যারা দাবি করবে—জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়ংকর এই রূপ কল্পনামাত্র।

কোনো না কোনোভাবে জলবায়ু পরিবর্তন ২০১৮ সালেও তীব্রভাবে আলোচনায় থাকবে। প্রতিবার আবহাওয়ায় অস্বাভাবিক কিছু ঘটবে, আলোচনা হবে। জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর কারণেই কি কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হচ্ছে? তাহলে এ ক্ষেত্রে আমাদের করণীয় কী?

কয়লা, তেল, গ্যাসের নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিনিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে আমাদের গাড়ির ওপর নির্ভরশীলতা, আমাদের জীবনযাপন নিয়েও কথা হচ্ছে। এভাবে সময় পার করলে কি টিকে থাকা যাবে? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট একধরনের দর্শনে বিশ্বাস করেন, যা ভুল। বাকিদের বিশ্বাস অন্য কিছু। স্কটল্যান্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমণের মাত্রা ৯০ শতাংশ কমিয়ে ফেলা হবে। পরিবেশবাদীদের দাবি ২০৪০ সালের মধ্যেই এই লক্ষ্য শূন্য নির্ধারণ করতে হবে। তাদের দাবি, প্যারিস জলবায়ু চুক্তি অনুসারে স্কটল্যান্ডকে এমন শর্তই পূরণ করতে হয়।

স্কটল্যান্ড যেখানে এমন একটা অবস্থানে পৌঁছানোর জন্য লড়ছে, ট্রাম্প তখন প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে বের হয়ে যাওয়ার হুমকি দিচ্ছেন। সূত্র : হেরাল্ড

স্কটল্যান্ড ডটকম।


মন্তব্য