kalerkantho


রাশিয়ার কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা কিনছে তুরস্ক

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৩ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



রাশিয়ার কাছ থেকে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা কিনবে তুরস্ক। আগামী সপ্তাহেই এসংক্রান্ত একটি চুক্তি সই হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে।

ন্যাটো জোটের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেনাবাহিনী তুরস্কের। তাদের রাশিয়া থেকে এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা কেনার বিষয়টিকে মোটেই সুদৃষ্টিতে দেখছে না যুক্তরাষ্ট্রসহ জোটভুক্ত কয়েকটি দেশ। কারণ জোটের প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত হবে না।

তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিউরেতিন ক্যানিকলি গত মাসে জানান, ২০১৯ সাল নাগাদ প্রথম ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা তাঁদের কাছে পৌঁছবে। সফরকারী রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে পাশে নিয়ে গত সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এরদোয়ান বলেন, ‘আমাদের কর্মকর্তারা আগামী সপ্তাহে এস-৪৪ সংক্রান্ত বিষয়টি চূড়ান্ত করবে।’ এ সময় এরদোয়ান জানান, প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে এটি এ বছর তাঁর অষ্টম বৈঠক। তিনি বারবারই পুতিনকে ‘আমার প্রিয় বন্ধু’ বলে সম্বোধন করেন। পুতিনের মুখেও একই সম্বোধন শোনা যায়। পুতিন সোমবার এক দিনের সফরে তুরস্কে যান।

আংকারা অবশ্য বেশ কয়েক বছর ধরেই নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা ও সমরাস্ত্র তৈরির চেষ্টা করে যাচ্ছে। এর মধ্যে যুদ্ধ হেলিকপ্টার, ট্যাংক ও ড্রোন রয়েছে।

দুই বছর আগে নভেম্বরে রাশিয়ার একটি যুদ্ধবিমান সিরিয়া সীমান্তের তুর্কি সেনাবাহিনীর গুলিতে বিধ্বস্ত হলে দুই দেশের সম্পর্কে টানাপড়েন শুরু হয়। তবে সিরিয়া যুদ্ধ নিয়েই দুই পক্ষের মধ্যে সম্পর্কে উষ্ণতা ফিরে আসে।

সংবাদ সম্মেলন এরদোয়ান আরো জানান, জেরুজালেমকে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ইসরায়েলের রাজধানীর মর্যাদা দেওয়ার ইস্যুতে তুরস্ক ও রাশিয়ার অবস্থান অভিন্ন। দুটি দেশই মনে করে, এরই মধ্যে জটিল হয়ে থাকা ওই অঞ্চলের পরিস্থিতিকে এই সিদ্ধান্ত আরো অস্থিতিশীল করে তুলবে।

সূত্র : এনবিসিনিউজ।



মন্তব্য