kalerkantho


নয়াদিল্লিতে ধোঁয়াশা

৪৪ সিগারেটের ধোঁয়া রোজ শরীরে ঢোকে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১১ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



ভারতের রাজধানীর মানুষ এখন সত্যি সত্যি বিষ পান করছে। কারণ সেখানকার প্রতি ঘন মিটার বাতাসে যে মাত্রার দূষিত উপাদান রয়েছে, সেটা নিঃশ্বাসের গ্রহণের ফলে তাদের শরীরে ঢুকছে ৪৪টি সিগারেটের সমান ধোঁয়া।

আর ধূমপানে বিষপান, সে কথা কে না জানে।

শিল্প-কারখানা, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুেকন্দ্র, নির্মাণ শিল্পসহ বিভিন্ন উৎস থেকে নির্গত পদার্থে এমনিতেই দিল্লির বাতাস দূষিত। তার ওপর শীত শুরুর আগে কৃষকরা ফসল তুলে নিয়ে নাড়ায় আগুন ধরিয়ে দিলে সেই ধোঁয়ায় পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়ে পড়ে। এবারও তার ব্যত্যয় হয়নি।

দিল্লির বায়ুদূষণ পরিস্থিতি সম্পর্কে সেখানকার মার্কিন দূতাবাস জানায়, প্রতি ঘনমিটার বাতাসে ‘পার্টিকুলেট ম্যাটার বা বস্তুকণা (পিএম) ২.৫’-এর উপস্থিতি এক হাজার মাইক্রোগ্রামের বেশি। অথচ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডাব্লিউএইচও) নির্ধারিত মান অনুযায়ী, পিএম ২.৫-এর পরিমাণ সর্বোচ্চ ২৫ মাইক্রোগ্রাম হলে সেটা মানব স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ। প্রতি ঘনমিটার বাতাসে পিএম ২.৫-এর পরিমাণ ৯৫০ থেকে এক হাজার মাইক্রোগ্রাম হলে এবং এ দূষিত বায়ুতে কেউ শ্বাস নিলে, কার্যত ওই ব্যক্তি প্রতিদিন ৪৪টি সিগারেটের সমান ধোঁয়া নিঃশ্বাসের সঙ্গে শরীরে গ্রহণ করে।

মাত্রাতিরিক্তি বায়ুদূষণের মধ্যে যারা বাইরে বেরোতে বাধ্য হচ্ছে, তারা নাক-মুখে সাধারণ মাস্ক বা রুমাল জড়িয়ে নিচ্ছে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পিএম ২.৫ থেকে সত্যিকার আত্মরক্ষার জন্য এন৯৫ গ্রেডের মাস্ক প্রয়োজন।

বিশেষ ধরনের এ মাস্ক পিএম ২.৫-কে ছেঁকে আলাদা করতে পারে, যা সাধারণ মাস্কের মাধ্যমে সম্ভব নয়। সূত্র : সিএনএন।


মন্তব্য