kalerkantho


আরাফাতের ত্রয়োদশ মৃত্যুবার্ষিকী

ইয়াসির আরাফাত একনজরে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১১ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



জন্ম : ২৪ আগস্ট ১৯২৯।

মৃত্যু : ১১ নভেম্বর ২০০৪।

জন্মস্থান : মিসরের কায়রো।

প্রকৃত নাম : মোহাম্মেদ আব্দেল রউফ আরাফাত আল কুদওয়া আল হুসেইনি। কৈশোরে তাঁকে সবাই ইয়াসির নামে ডাকতে শুরু করে। ১৯৬০-এর দশকের মাঝখানে সমর্থকরা তাঁকে আবু আম্মার নামে ডাকতে শুরু করে।

বাবা : আব্দ আল রউফ আল কুদওয়া আল হুসেইনি।

মা : জাহওয়া আবু সউদ।

স্ত্রী : সুহা তাউয়িল

সন্তান : জাহওয়া আরাফাত

শিক্ষা : ১৯৫৬ সালে (ভিন্ন সূত্র মতে ১৯৫৫) কায়রো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্মাণ প্রকৌশলবিদ্যায় ডিগ্রি অর্জন।

ধর্ম : সুন্নি মুসলিম।

রাজনৈতিক জীবন পরিক্রমা

১৯৫০ দশক : উচ্চশিক্ষা শেষে ফাতাহ নামে জাতীয়তাবাদী দলের গোড়াপত্তন করেন।

১৯৬৪ : ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র দলগুলোকে নিয়ে গঠন করেন প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন তথা পিএলও।

১৯৬৯ : পিএলওর নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

১৩ নভেম্বর ১৯৭৪ : জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেন।

১৯৮২ : লেবাননের বৈরুতে পিএলওর ১৩ ডিসেম্বর ১৯৮৮ : জাতিসংঘে ভাষণ দানকালে সশস্ত্র অভিযান থেকে সরে আসার ঘোষণা দেন এবং ইসরায়েলের অস্তিত্বের অধিকার স্বীকার করে নেন।

১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯৩ : যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে পিএলও-ইসরায়েল অসলো চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।

১ জুলাই ১৯৯৪ : ২৭ বছর পর গাজায় পা রাখেন।

৫ জুলাই ১৯৯৪ : ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রধান পদে আসীন হন, শুরু হয় ফিলিস্তিনিদের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া।

১৪ অক্টোবর ১৯৯৪ : শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

২০ জানুয়ারি ১৯৯৬ : ফিলিস্তিনিদের প্রথম নির্বাচনে জিতে প্রেসিডেন্ট হন।

২৯ অক্টোবর ২০০৪ : প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে পড়ায় চিকিৎসার জন্য তাঁকে ফ্রান্সের প্যারিসে নেওয়া হয়।

১১ নভেম্বর ২০০৪ : ৭৫ বছর বয়সী আরাফাতের মৃত্যু হয়। কায়রোয় সামরিক শেষকৃত্য শেষে তাকে রামাল্লায় দাফন করা হয়। সূত্র : সিএনএন।

 


মন্তব্য