kalerkantho


অস্ত্র কর্মসূচি বাড়ানোর হুমকি উত্তর কোরিয়ার

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



অস্ত্র কর্মসূচি বাড়ানোর হুমকি উত্তর কোরিয়ার

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ অষ্টমবারের মতো নিষেধাজ্ঞা জারির পর অস্ত্র কর্মসূচি আরো সম্প্রসারণের হুমকি দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। সম্প্রতি পিয়ংইয়ং তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী পরমাণু পরীক্ষা চালানোর পর এবারের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো।

উত্তর কোরিয়ার দাবি, গত সপ্তাহে হাইড্রোজেন বোমার পরীক্ষা চালায় তারা, যা ১৯৪৫ সালে হিরোশিমায় ফেলা বোমার চেয়ে ১৬ গুণ শক্তিশালী।

পিয়ংইয়ংয়ের এটি ছিল ষষ্ঠ পরমাণু পরীক্ষা। গত জুলাই মাসে আন্ত মহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায় তারা। তাদের দাবি, এই ক্ষেপণাস্ত্র যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানতে সক্ষম এবং এই ক্ষেপণাস্ত্র তাদের গত সপ্তাহে পরীক্ষা চালানো হাইড্রোজেন বোমা বহন করতে পারবে। এরপর গত সোমবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ দেশটির ওপর আবারও নিষেধাজ্ঞা জারি করে। যুক্তরাষ্ট্রের তোলা প্রস্তাবে নিরাপত্তা পরিষদের পূর্ণ সমর্থনের মধ্য দিয়ে উত্তর কোরিয়ার টেক্সটাইল পণ্য রপ্তানিতে পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে, সেখানে জ্বালানি তেল রপ্তানিতে বড় ধরনের কাটছাঁট, উত্তর কোরিয়ার শ্রমিকদের বিদেশে কাজের অনুমতি প্রদান নিষিদ্ধ, দেশটির বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা ও তিনটি প্রতিষ্ঠানের নাম জাতিসংঘের কালো তালিকাভুক্ত করে তাদের সম্পদ জব্দ ও বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং দেশটির সঙ্গে যেকোনো যৌথ উদ্যোগ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ ছাড়া নিরাপত্তা পরিষদে পাস করা প্রস্তাবে উত্তর কোরিয়ার নিষিদ্ধ পণ্য বহন করছে এমন সন্দেহভাজন জাহাজে তল্লাশির বিষয়টিও রয়েছে। তবে সে ক্ষেত্রে পণ্যবাহী জাহাজটি যে দেশের পতাকা বহন করবে, সংশ্লিষ্ট সে দেশের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন পড়বে।

উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নতুন ব্যবস্থার ‘কড়া ভাষায়’ নিন্দা জানিয়ে একে ‘পূর্ণ মাত্রার অর্থনৈতিক অবরোধ’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

এর মধ্যে দিয়ে তাদের দেশ ও জনগণের শ্বাসরোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছে পিয়ংইয়ং। এক বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়ার সরকারি বার্তা সংস্থা কেসিএনএ জানায়, এই নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের ‘আরেকটি অবৈধ ও অশুভ পরীক্ষা’। উত্তর কোরিয়ার আনুষ্ঠানিক নাম ডিপিআরকে ব্যবহার করে সংস্থাটি জানায়, ‘ডিপিআরকে দেশের সার্বভৌমত্ব ও অস্তিত্ব রক্ষায় প্রতিরক্ষা জোরদার করার প্রচেষ্টা দ্বিগুণ করবে। ’

যদিও দক্ষিণ কোরিয়ার পুনরেকত্রীকরণ বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞার পর এটি ছিল উত্তর কোরিয়ার সবচেয়ে মৃদু প্রতিক্রিয়া। ’ সূত্র : এএফপি।


মন্তব্য