kalerkantho


বিদ্রোহীদের হঠাৎ হামলার পর দামেস্কে তীব্র লড়াই

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২১ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



বিদ্রোহীদের হঠাৎ হামলার পর দামেস্কে তীব্র লড়াই

সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের পূর্বাংশে বিদ্রোহীদের আকস্মিক হামলার পর সরকারি বাহিনী বিমান হামলা চালানোসহ তীব্র লড়াই শুরু করেছে। রবিবার ভোরে শহরতলি জোবার এলাকায় বিদ্রোহীদের হঠাৎ হামলায় হতভম্ব হয়ে পড়ে সরকারি বাহিনী।

বিদ্রোহীরা কামানের গোলা ও রকেট ছুড়লে এর অনেকটি রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে গিয়ে পড়ে। এরপরই পাল্টা হামলা চালায় সরকারি বাহিনী।

আসাদ সরকার বিরোধীরা জানিয়েছে, গাড়িবোমা ও আত্মঘাতী হামলার মাধ্যমে বিদ্রোহীদের আক্রমণটি শুরু হয়। সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, গোপন সুড়ঙ্গ পথ তৈরি করে সেটা ব্যবহার করেও হামলা চালিয়েছে। তবে সামরিক বাহিনী সেই আক্রমণ প্রতিহত করেছে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক পর্যবেক্ষক সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, দুই পক্ষের ২১ জন লড়াইয়ে নিহত হয়েছে। জোবার এলাকা ও আব্বাসিদ এলাকায় লড়াই চলছে। আসাদ সরকারের যুদ্ধবিমানগুলো বিদ্রোহীদের অবস্থান লক্ষ্য করে ৩০ বারেরও বেশি হামলা চালিয়েছে। তীব্র লড়াই ও বিস্ফোরণের শব্দে প্রকম্পিত হতে থাকে দামেস্ক।

সেনাবাহিনী কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আব্বাসিদ স্কয়ারে যাওয়ার সব পথ বন্ধ করে দেয়।

সরকারি সূত্র জানিয়েছে, রাজধানীর প্রান্তে এই লড়াই চলছে, প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ নিরাপদে আছেন।

প্রসঙ্গত, দামেস্কের কয়েকটি এলাকা বিদ্রোহীরা এখনো দখল বজায় রেখেছে। এর মধ্যে জোবার রাজধানীর কেন্দ্রস্থলের সবচেয়ে কাছে অবস্থিত। এ এলাকাটির দুই ভাগ দুই পক্ষের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এক ভাগে আছে বিদ্রোহী ও কট্টরপন্থী গোষ্ঠীগুলো এবং অন্য অংশে সরকারি বাহিনী।

অবজারভেটরি জানিয়েছে, রাজধানীর বারজেহ, তিশারিন ও কাবুনে সরকারি বাহিনীর আক্রমণের চাপ কমাতেই জোবার এলাকা দিয়ে রাজধানীর কেন্দ্রস্থলমুখী আক্রমণের উদ্যোগ নেয় বিদ্রোহীরা।  

গত বুধবার দামেস্কর কেন্দ্রস্থলে মূল আদালতের চত্বরে এক আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত হয়। এরপর রাজধানীর পশ্চিমাংশের রাববেহ এলাকায় আরেকটি আত্মঘাতী বোমা হামলায় ২০ জনেরও বেশি আহত হয়। প্রেসিডেন্ট আসাদের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া গণঅভ্যুত্থানের ষষ্ঠ বার্ষিকীতে এসব হামলা হয়। সূত্র : বিবিসি।


মন্তব্য