kalerkantho


ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংকট

‘দুই রাষ্ট্র নীতির বিকল্প সমাধান বর্ণবাদী হবে’

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১০ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



‘দুই রাষ্ট্র নীতির বিকল্প সমাধান বর্ণবাদী হবে’

ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের মধ্যকার বিরোধ মীমাংসায় ‘দুই রাষ্ট্র’ নীতির পক্ষে নিজেদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন। সেই সঙ্গে সতর্ক করে দিয়েছেন, এই নীতির বিকল্প খুঁজতে গেলে তা হবে বর্ণবাদী সমাধান।

গতকাল বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের ‘জেরুজালেম পোস্ট’ পত্রিকায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব মন্তব্য করেন তিনি।

সমাধান হিসেবে ‘দুই রাষ্ট্র’ নীতির মানে হলো, ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন আলাদা দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এর বিকল্প সমাধানের ইঙ্গিত দিয়ে সমালোচনা তৈরি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত মাসে হোয়াইট হাউসে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি বলেন, শান্তির স্বার্থে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন মিলে ‘এক রাষ্ট্র’ হলেও তাঁর আপত্তি নেই।

ফিলিস্তিনের আশঙ্কা, ‘এক রাষ্ট্র’ হলে তারা কখনোই সমান অধিকার পাবে না; ব্যাপক বৈষম্য হবে। এই অবস্থায় গত বুধবার সংক্ষিপ্ত সফরে রামাল্লায় গিয়ে জনসন বলেন, যুক্তরাজ্য এখনো দুই রাষ্ট্র নীতির প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ফিলিস্তিনের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া পশ্চিম তীরে ধারাবাহিকভাবে ইহুদি বসতি স্থাপন করে যাচ্ছে ইসরায়েল। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মতে, এ বসতি স্থাপন দুই রাষ্ট্র সমাধানের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে।

এমনকি বসতি স্থাপনের নিন্দা জানিয়ে সম্প্রতি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে একটি বিলও পাস হয়েছে।

জেরুজালেম পোস্টে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বরিস জনসন বলেন, ‘আমরা বলছি যে আপনাকে (ইসরায়েল) দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানে আসতে হবে। এর বিকল্প কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তা হবে বর্ণবাদী। ’

সফরকালে নেতানিয়াহুর সঙ্গেও বৈঠক করেন ব্রিটিশ মন্ত্রী। বৈঠককালে তিনি বলেন, ‘নিজেদের স্বার্থে একটা নিরাপত্তাবলয় তৈরির অধিকার অবশ্যই ইসরায়েলের আছে। কিন্তু একই সঙ্গে বসতি স্থাপনের মতো প্রতিবন্ধকতা আমাদের দূর করতে হবে, যা শান্তিপ্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে। ’ সূত্র : এএফপি।


মন্তব্য