kalerkantho


সামরিক ব্যয় ৭ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা চীনের

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৫ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



সামরিক ব্যয় ৭ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা চীনের

সামরিক ব্যয় ৭ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে চীন। ওয়াশিংটন এই খাতে ব্যয় বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার দিনকয়েকের মধ্যেই পেইচিং একই পথে হাঁটল। ব্যয় বাড়ানোর যুক্তি হিসেবে চীন বলছে, বিরোধপূর্ণ নানা ইস্যুতে ‘বহিরাগত’ শক্তি মোকাবিলা করার জন্যই তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

চীনের কমিউনিস্ট নিয়ন্ত্রিত পার্লামেন্ট ‘ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস’-এর মুখপাত্র ফু ইং বলেন, ‘বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আমাদের যে বিরোধ রয়েছে, আমরা তার শান্তিপূর্ণ সমাধান চাই। একই সময়ে আবার নিজেদের অধিকার ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার সক্ষমতাও থাকতে হবে। বিশেষভাবে বলতে গেলে, বিরোধপূর্ণ ইস্যুতে বহিরাগতদের হস্তক্ষেপ মোকাবিলা করার সক্ষমতা আমাদের থাকা দরকার। ’

‘বহিরাগত’ বলতে কোন শক্তিকে বোঝানো হচ্ছে, তা ওই মুখপাত্র পরিষ্কার করেননি। তবে দক্ষিণ চীন সাগরের মালিকানা নিয়ে চীনের সঙ্গে বেশ কয়েকটি দেশের বিরোধ আছে। আর বিরোধে ওয়াশিংটন শুরু থেকেই চীনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

কয়েক দিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় ১০ শতাংশ বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর এই ঘোষণার পরপরই চীনের ঘোষণা এলো।

গত দুই বছরে চীনের সামরিক ব্যয় বাড়ানোর হার ছিল চোখে পড়ার মতো। ২০১৬ সালেও তারা সামরিক ব্যয় ৬.৫ শতাংশ থেকে ৭ শতাংশের মতো বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। যদিও আগের বছরগুলোতে সামরিক ব্যয় বৃদ্ধির হার ছিল ৩ শতাংশের কম। এদিকে অনেক বিশ্লেষক বলছেন, ৭ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে ঠিকই। কিন্তু এই হার আরো বেশি।

উল্লেখ্য, দক্ষিণ চীন সাগরের পুরোটাই নিজেদের বলে দাবি করে পেইচিং। কিন্তু ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই ও তাইওয়ানও বেশ কিছু এলাকা নিজেদের বলে দাবি করে আসছে। বিরোধপূর্ণ এসব এলাকা হলো স্পার্টলি, প্যারাসেল ও স্কেয়ারবোরো দ্বীপপুঞ্জ। এর মধ্যে স্পার্টলিতে বেশ কয়েকটি কৃত্রিম দ্বীপ বানিয়েছে চীন। যুক্তরাষ্ট্র শুরু থেকেই অভিযোগ করে আসছে, এসব দ্বীপে সামরিক স্থাপনা নির্মাণ করছে পেইচিং। সূত্র : এএফপি।


মন্তব্য