kalerkantho


ট্রাম্পের জনসমর্থন আরো কমেছে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



ট্রাম্পের জনসমর্থন আরো কমেছে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি জনসমর্থনের হার শুরু থেকেই কম। ক্ষমতাগ্রহণের চার সপ্তাহের মাথায় তা আরো কমেছে। মাত্র ৩৮ শতাংশ ভোটার মনে করেন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ভালোভাবে দায়িত্ব পালন করছেন ট্রাম্প। এদিকে ট্রাম্পের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাবিষয়ক প্রধান জন কেলি বলেছেন, অভিযান চালিয়ে অবৈধ অভিবাসীদের গণহারে দেশ থেকে বের করে দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা তাঁদের নেই। ট্রাম্প প্রশাসনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, দেশের দক্ষিণ সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা।

কুইনিপিয়াক ইউনিভার্সিটি পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, ৫৫ শতাংশ মানুষ মনে করেন, ট্রাম্প তাঁর কাজ ঠিকমতো করতে পারছেন না। আধুনিক প্রেসিডেন্টদের মধ্যে কারো মেয়াদের একেবারে শুরুর দিকে অনুমোদনের হার এত কম ছিল না। জরিপে অংশ নেওয়া ৬৩ শতাংশ মানুষ মনে করেন, ট্রাম্প স্থির মস্তিষ্ক নন। ৫৫ শতাংশের ধারণা, ট্রাম্প সৎ নন। যেকোনো রাজনীতিবিদের জন্য সংখ্যাগুলো বিপর্যয়কর। এগুলো তাঁর রাজনৈতিক শত্রুদের উৎসাহিত এবং মিত্রদের দূরত্ব বজায় রাখার বার্তা দেয়।

ওয়াশিংটনের অনেকেই এখন ২০১৮ সালে কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করছেন। ওই নির্বাচন রিপাবলিকান দলের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে। মধ্যবর্তী নির্বাচন অনেক সময়ই বর্তমান প্রেসিডেন্টের জন্য একটি গণভোটের ভূমিকা পালন করে। বর্তমানে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ রিপাবলিকানদের হাতে। তবে আশঙ্কা রয়েছে মধ্যবর্তী নির্বাচনে দলটি তাদের অজনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট এবং জনগণের তীব্র সমালোচনার মধ্যে আটকা পড়বে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিষয়কমন্ত্রী জন কেলি বলেছেন, ‘আমরা গণহারে অবৈধ অভিবাসীদের দেশে ফেরত পাঠাব না। ’ গত মঙ্গলবার অবৈধ অভিবাসীদের বিষয়ে দুটি প্রজ্ঞাপনে সই করেন কেলি। এর পর থেকেই আশঙ্কা তৈরি হয়, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকারী এক কোটি ১০ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে দেশে ফেরত পাঠানো হবে। কেলি জানান, ট্রাম্পের নির্দেশেই ওই দুটি প্রজ্ঞাপনে সই করেন তিনি। কেলি বলেন, ‘আমরা কাউকে আটক করলে তা যুক্তরাষ্ট্রের বৈধ আইন অনুসারেই করা হবে। এ বিষয়ে আদালতই ব্যবস্থা নেবে। কেলি বর্তমানে গুয়াতেমালা সফর করছেন। মধ্য আমেরিকার যে তিনটি দরিদ্র দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি অবৈধ অভিবাসী যায় তার মধ্যে এটি একটি। মূলত এই সংকট নিয়ে আলোচনা করতেই কেলি গুয়াতেমালায় গেছেন। বাকি দুটি দেশ হলো এল সালভেদর ও হন্ডুরাস।

সূত্র : এএফপি।


মন্তব্য