kalerkantho


বিধানসভায় হট্টগোল ভাঙচুর

আস্থা ভোটে উত্তীর্ণ পালানিস্বামী

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



আস্থা ভোটে উত্তীর্ণ পালানিস্বামী

চিত্কার-চেঁচামেচি, চেয়ার ছুড়ে মারা, মাইক ভাঙা আর স্পিকারের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, হই-হট্টগোলের মধ্যেই আস্থা ভোটে জয় পেলেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এদাপ্পাদি কে পালানিস্বামী। তাঁর পক্ষে ভোট দিয়েছেন এআইএডিএমকের ১২২ জন বিধায়ক।

শশিকলা নটরাজনের বিরোধিতা করে এদিন বিধানসভায় মোটেও পাত্তা পেলেন না এআইএডিএমকের বিদ্রোহী নেতা ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পন্নিরসেলভম। তিনি পেয়েছেন মাত্র ১১ ভোট। পালানিস্বামী অবশ্য সম্পূর্ণ বিরোধীশূন্য বিধানসভায় জয় পেলেন। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কারণে ভোটাভুটির আগে অধিবেশন কক্ষ থেকে বের করে দেওয়া হয় ডিএমকের ৮৮ এবং আইইউএমএলের একজন বিধায়ককে। এর প্রতিবাদে ওয়াক আউট করে কংগ্রেস।

গতকাল আস্থা ভোট ঘিরে সকাল থেকেই প্রায় বনেধর চেহারা নেয় চেন্নাই। রাস্তায় রাস্তায় কড়া পুলিশি টহলদারি ছিল। এদিন সকাল ১১টায় অধিবেশন শুরু হয়। মুখ্যমন্ত্রী পালানিস্বামীর পেশ করা আস্থা ভোটের প্রস্তাব গ্রহণ করেন স্পিকার পি ধনাপাল।

এর পরেই গোলমাল বাধে। শশিকলাবিরোধী পন্নিরসেলভমের সমর্থনে ডিএমকে ও কংগ্রেস সদস্যরা স্লোগান দিতে থাকেন। এর সঙ্গে গোপন ভোটাভুটির দাবিও জোরদার হয়। আস্থা ভোট অন্যদিন করারও দাবি জানান ডিএমকে নেতা স্তালিন। গোপন ভোটাভুটির দাবি স্পিকার খারিজ করে দিলে গোলমাল চরমে ওঠে। এর মধ্যেই বিধানসভা ভবনের সব দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। থামানো হয় অধিবেশনের টিভি ও রেডিও সম্প্রচারও। এরপর চূড়ান্ত গণ্ডগোল চলে অধিবেশন কক্ষে। চেয়ার ভেঙে ছোড়া হয়। ছুড়ে মারা হয় মাইক্রোফোনও। ঘেরাও করা হয় স্পিকারকে। একসময়  স্পিকারের চেয়ার দখল করে নেন ডিএমকে বিধায়ক কু কা সেলভাম। ১২টা ১৫ নাগাদ ১টা পর্যন্ত অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করেন স্পিকার। এরপরে ফের অধিবেশন শুরু হলে গোলমালের চোটে ফের তা মুলতবি করে দিতে বাধ্য হন স্পিকার। একপর্যায়ে মার্শাল দিয়ে এসকর্ট করে বাইরে বের করে নিয়ে যাওয়া হয় স্পিকারকে। তাঁর শার্ট ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া।


মন্তব্য