kalerkantho


কিম জং-নাম হত্যাকাণ্ডে এক নারী গ্রেপ্তার

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং-উনের সত্ভাই কিম জং-নাম হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে এক নারীকে গতকাল বুধবার গ্রেপ্তার করেছে মালয়েশীয় পুলিশ। এ নারী উত্তর কোরীয় এজেন্ট হতে পারে সংবাদমাধ্যমে এমন খবর চাউর হলেও পুলিশ জানিয়েছে, তিনি ভিয়েতনামের পাসপোর্টধারী।

৪৫ বছর বয়সী জং-নাম গত সোমবার মালয়েশিয়া থেকে চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ম্যাকাউতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ওই দিন কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে বিষ প্রয়োগে হত্যা করা হয়। বিষে আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জং-নাম বিমানবন্দরের এক রিসিপশনিস্টকে জানান, কেউ একজন তাঁকে পেছন থেকে ধরে তাঁর মুখে কিছু একটা স্প্রে করেছে। এরপর ক্রমেই অসুস্থ হয়ে পড়া জং-নামকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কিম জং-উনের আমলে এ নিয়ে তাঁদের পরিবারের দুজন শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তি নিহত হলেন। এর আগে রাজনৈতিক প্রতারণার দায়ে চাচা জ্যাং-সং-থায়েকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেন কিম জং-উন।

এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার আইনপ্রণেতারা দেশের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানের কাছ থেকে অবগত হওয়ার পর গতকাল জানিয়েছেন, জং-নামকে ২০১২ সালে একবার হত্যাচেষ্টা হয়েছিল। পরের বছর তিনি ভাইকে এক চিঠিতে লেখেন, ‘দয়া করে আমার ও আমার পরিবারকে রেহাই দাও। ’

২০০১ সালে পাসপোর্ট জালিয়াতি করে জাপানে যেতে গিয়ে ধরা পড়ায় তিনি বাবা কিম জং-ইলের সুদৃষ্টিবঞ্চিত হন।

ফলে বড় ছেলে হিসেবে ক্ষমতার উত্তরাধিকারী হওয়ার কথা থাকলেও ২০১১ সালে বাবার মৃত্যুর পর ছোট ভাই কিম জং-উন ক্ষমতাসীন হলে কার্যত স্বেচ্ছানির্বাসনে চলে যান জং-নাম।

মালয়েশীয় পুলিশপ্রধান খালিদ আবু বকর জানিয়েছেন, বিমানবন্দরের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা ওই নারীর নাম ভিয়েতনামের পাসপোর্টের লেখা দোয়ান থাই হুয়ং। তাঁর সঙ্গে থাকা সন্দেহভাজন অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে তাঁদের পরিচয় আপাতত গোপন রাখা হয়েছে। সূত্র : এএফপি।


মন্তব্য