kalerkantho


ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিবাসন বিরোধিতায় অটল

নতুন নির্বাহী আদেশ আসছে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিবাসন বিরোধিতায় অটল

অভিবাসন নিয়ে নতুন নির্বাহী আদেশ জারি করতে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে গতকাল সোমবারই তাঁর এ আদেশ জারির কথা ছিল।

এদিকে তাঁর এক জ্যেষ্ঠ সহকারী দাবি করেন, ট্রাম্প এর আগে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাসংক্রান্ত যে নির্বাহী আদেশ জারি করেছিলেন তাতে তাঁর কর্তৃত্ব লঙ্ঘনের মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। বরং আদালতই ট্রাম্পের অধিকারের ওপর হস্তক্ষেপ করেছেন। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় আপিল আদালতের নির্দেশে এরই মধ্যে এই আদেশ স্থগিত হয়েছে।

ট্রাম্পের সহকারী স্টেফেন মিলার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে গত শনিবার বলেন, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ‘সম্ভাব্য সব বিকল্পই খতিয়ে দেখছেন ট্রাম্প। ’ অর্থাৎ হোয়াইট হাউস সুপ্রিম কোর্টে আপিল করতে পারে আবার নতুন নির্বাহী আদেশও জারি করতে পারে। দ্বিতীয় বিকল্পের বিষয়টি ট্রাম্প নিজেই গত শুক্রবার বাতাসে ছড়িয়ে দেন।

ফক্স নিউজের ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে মিলার আরো বলেন, ‘এই জাতি ও মূল্যবোধের প্রতি বৈরী মনোভাব পোষণকারী ব্যক্তিরা খুব সহজেই অভিবাসনকে একটি মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে এ দেশে ঢুকে পড়বে—তা আমরা হতে দিতে পারি না। এটা বন্ধ করতেই নতুন এবং অতিরিক্ত কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ’

মিলার বলেন, ‘আদালতের সর্বময় ক্ষমতা বলে কিছু নেই।

(ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাসংক্রান্ত নির্বাহী আদেশের ক্ষেত্রে) বিচারকরা যা করেছেন তা হলো, শুধু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের হাতে থাকতে পারে এমন ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া। ’

ট্রাম্পের গতকাল কানাডার প্রেসিডেন্ট জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা ছিল। নিশ্চিতভাবেই ওই বৈঠকেও এ প্রসঙ্গ উঠবে। ট্রাম্প ২৭ জানুয়ারি তাঁর ওই নির্বাহী আদেশ জারির পর ট্রুডো বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র যেসব অভিবাসীকে আশ্রয় দেবে না, তাদের জন্য কানাডার দরজা খুলে দেবেন তিনি।  

এদিকে ২৭ জানুয়ারির ওই নির্দেশ জারির আগে ২৫ জানুয়ারি অবৈধ অভিবাসীদের আটকের আরেকটি নির্বাহী আদেশে সই করেছিলেন ট্রাম্প। সেই আদেশ বাস্তবায়ন করতে এরই মধ্যে কয়েক হাজার নথিহীন অভিবাসীকে আটক করা হয়ছে। এ প্রসঙ্গে মিলার বলেন, ‘যাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি কোনো অভিযোগ রয়েছে শুধু সেসব অবৈধ অভিবাসীকেই আটক করা হচ্ছে। ’ তিনি আরো বলেন, ‘অপারেশন ক্রস চেক প্রতিবছরই চালানো হয়ে থাকে। তবে এ বছর এর আওতা ও প্রয়োগ আরো বেশি। দেশ থেকে সব অপরাধীকে সরিয়ে ফেলতে চাই আমরা। ’

এর আগে দেওয়া এক টুইট বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে। গ্যাং সদস্য, মাদক ব্যবসায়ী ও অন্যদের দেশ থেকে বের করে দেওয়া হবে। ’ সূত্র : এএফপি।    


মন্তব্য