kalerkantho


লিবিয়ায় জাতিসংঘের দূত মনোনয়ন

ফায়াদের পক্ষেই মহাসচিব

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতার পরও ফিলিস্তিনি কূটনীতিককে লিবিয়ায় শান্তিদূত মনোনয়নের ইচ্ছা পুনর্ব্যক্ত করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তাঁর তরফ থেকে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের একজন কর্মকর্তা কোনো দেশের প্রতিনিধিত্ব করে না।

এর আগে জাতিসংঘের বিরুদ্ধে ‘ফিলিস্তিনপ্রীতির’ অভিযোগ এনে শান্তিদূত হিসেবে ফিলিস্তিনি কূটনীতিকের মনোনয়নের প্রক্রিয়া আটকে দেয় যুক্তরাষ্ট্র।

গত বুধবার ফিলিস্তিনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী সালাম ফায়াদকে লিবিয়ায় জাতিসংঘের দূত মনোনয়নের ইচ্ছা প্রকাশ করেন গুতেরেস। এ বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদের কোনো দেশের আপত্তি থাকলে তা জানাতে শুক্রবার পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেন মহাসচিব। শেষ দিন জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘লিবিয়ার মতো সহিংসতাপূর্ণ একটি দেশে ফায়াদের মনোনয়নের প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্র হতাশ হয়েছে। ’ তিনি জাতিসংঘের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই জাতিসংঘ ফিলিস্তিনের পক্ষ নিয়ে কাজ করছে। আর এটি তারা করছে ইসরায়েলের ক্ষতি করার জন্য। এর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র এখন আর শুধু মৌখিকভাবেই প্রতিবাদ করবে না। কাজকর্মেও এর বিরোধিতা করবে। ’

মার্কিন দূতের এ বিরোধিতার জবাবে শনিবার জাতিসংঘের মুখপাত্র স্তিফান দুজারিক বলেন, ‘ব্যক্তিগত যোগ্যতার বলেই ফায়াদকে শান্তিদূত করার প্রস্তাব উঠেছে।

আর জাতিসংঘের সব কর্মকর্তা জাতিসংঘেরই প্রতিনিধিত্ব করে, তাঁরা কোনো সরকার কিংবা দেশের প্রতিনিধিত্ব করে না। ’

দুজারিক বলেন, ‘ইসরায়েল কিংবা ফিলিস্তিনের কোনো ব্যক্তি এখন পর্যন্ত জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেনি। এ অবস্থায় ফায়াদের মনোনয়নের প্রস্তাব খুবই যথার্থ ও গুরুত্বপূর্ণ। ’

ফায়াদ (৬৪) ২০০৭ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। জাতিসংঘের প্রায় সব উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার কাছে ফায়াদের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। সূত্র : এএফপি।


মন্তব্য