kalerkantho


‘জেরুজালেমে যাচ্ছে না মার্কিন দূতাবাস’

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



‘জেরুজালেমে যাচ্ছে না মার্কিন দূতাবাস’

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস তেল আবিব থেকে স্থানান্তর করে জেরুজালেমে নেওয়ার যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা দূর হয়েছে। আরব সংবাদমাধ্যমে এমন কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দূতাবাস স্থানান্তরের কোনো পরিকল্পনা ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেই। জর্দানের বাদশার অনুরোধে ডোনাল্ড ট্রাম্প দূতাবাস স্থানান্তরের পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা ফিলিস্তিনের কর্মকর্তাকে এ ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছেন।

ফিলিস্তিনের দৈনিক পত্রিকা আল কুদসে শনিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষকে নিশ্চিত করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তর করা হবে না। ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তারা ফিলিস্তিনের জেনারেল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের প্রধান মাজিদ ফারাজের সঙ্গে কথা বলে দূতাবাস জেরুজালেমে সরিয়ে না নেওয়ার ব্যাপারে নিশ্চয়তা দিয়েছেন।

তবে হিব্রু ভাষায় প্রকাশিত দৈনিক পত্রিকা ‘ইসরায়েল হায়োম’-এর সঙ্গে সাক্ষাত্কারে ট্রাম্প বলেছেন, দূতাবাস স্থানান্তর করা হবে কি না, সে ব্যাপারে তিনি এখনো সিদ্ধান্ত নেননি। ‘আমি দূতাবাসের ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করছি, দূতাবাসের বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করছি। এ বিষয়ে কী করা যায়, তা নিয়ে ভাবছি। দূতাবাস তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে স্থানান্তরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া মোটেও সহজ নয়।

এটা বছরের পর বছর ধরে সেখানে রয়েছে, কেউ স্থানান্তরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চায়নি। আমি বিষয়টি নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে চিন্তাভাবনা করছি। দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কী হয়। ’

গত বুধবার জর্দানের রাজধানী আম্মানে জর্দান ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা পশ্চিত তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে ইসরায়েলিদের অবৈধ বসতি নির্মাণ সম্পর্কে আলোচনা করেন। জর্দানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আইমান আল সাফাদি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের সঙ্গে জর্দানের বাদশা আবদুল্লাহর ইসরায়েলিদের অবৈধ বসতি স্থাপন এবং এ সম্পর্কিত অন্য বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এ আলোচনায় তেল আবিব থেকে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তর নিয়ে বাদশা আবদুল্লাহ উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।

সাফাদি আরো বলেন, ‘আমাদের দৃষ্টিতে জেরুজালেম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পবিত্র এ শহরে আরব, মুসলিম এবং খ্রিস্টানদের পরিচয় বদলে যাবে—এমন কোনো পরিবর্তনের বিরুদ্ধে আমরা। ’ সূত্র : রয়টার্স।


মন্তব্য