kalerkantho


ট্রাম্পের গর্ভপাতবিরোধিতার বিরুদ্ধে একাট্টা আট দেশ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



গর্ভপাতবিষয়ক তথ্য প্রদান এবং এতে সহায়তাদানকারী বেরসকারি সংস্থাগুলোর (এনজিও) অর্থায়নের জন্য তহবিল গঠনে একজোট হয়েছে আটটি দেশ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গর্ভপাতবিরোধী নির্বাহী আদেশের কারণে অর্থাভাবে পড়ে এনজিওগুলোর কার্যক্রম যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সুইডেনের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী ইসাবেলা লভিন রয়টার্সকে জানিয়েছেন, আগামী ২ মার্চ বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। গর্ভপাতসংক্রান্ত সেবাদানকারী এনজিওগুলোর জন্য তহবিল সংগ্রহের কাজ শুরু করা হবে ওই সম্মেলনেই। এ কার্যক্রমে সুইডেনের সঙ্গে আরো থাকছে নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, ফিনল্যান্ড, কানাডা ও কেপ ভার্দে। এর মধ্যে নেদারল্যান্ডস গত মাসেই আন্তর্জাতিক তহবিল গঠনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দেয়।

ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের চতুর্থ দিনের মাথায় গর্ভপাতবিরোধী এক নির্বাহী আদেশে সই করেন। এতে বলা হয়, যেসব এনজিও যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি তহবিল থেকে অর্থ বরাদ্দ পায়, তারা যদি গর্ভপাতসংক্রান্ত তথ্য বা সেবাদান অব্যাহত রাখে তবে তাদের রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে অর্থ দেওয়া হবে না। ট্রাম্পের এ আদেশের ফলে বিশ্বজুড়ে বহু নারী ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মন্তব্য করেন বিশ্লেষকরা।

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ১৯৭৩ সালে গর্ভপাতকে বৈধতা দেন। তবে ১৯৮৪ সালে রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান গর্ভপাতবিরোধী আইন প্রণয়ন করেন।

এর পর থেকে একের পর এক ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্টরা গর্ভপাতসংক্রান্ত সেবার পক্ষে এবং রিপাবলিকান প্রেসিডেন্টরা এর বিপক্ষে পদক্ষেপ গ্রহণ করে এসেছেন। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি। ক্ষমতায় বসেই রিপাবলিকান নেতা ট্রাম্প গর্ভপাতবিরোধী পদক্ষেপ নেন। সূত্র : রয়টার্স।


মন্তব্য