kalerkantho


যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকছে সাত দেশের নাগরিক

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী নির্বাহী আদেশ বহালের আবেদন আদালতে খারিজ হয়ে যাওয়ায় তালিকাভুক্ত সাতটি দেশের বৈধ ভিসাধারীদের যুক্তরাষ্ট্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে। ট্রাম্পের আদেশ বহাল রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের করা আবেদন গত রবিবার খারিজ করে দেন আপিল বিভাগের বিচারক।

গত ২৭ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশ জারি করেন। এতে ইরাক, ইরান, ইয়েমেন, সিরিয়া, সুদান, লিবিয়া ও সোমালিয়ার নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশ তিন মাসের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়। শরণার্থীদের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা চার মাসের জন্য এবং সিরীয় শরণার্থীদের ক্ষেত্রে তা অনির্দিষ্টকালের জন্য জারি করা হয়। সিয়াটলের ফেডারেল আদালতের আদেশে ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত হওয়ার পর থেকেই সংশ্লিষ্ট সাতটি দেশের নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রগামী বিমানে উঠতে শুরু করে। সিয়াটলের ফেডারেল আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগের আবেদন গত রবিবার আপিল বিভাগে খারিজ হয়ে যাওয়ায় ওই সব দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রগামী বিমানে আরোহণ অব্যাহত রয়েছে। গতকাল বিতর্কিত বিষয়টি নিয়ে আপিল বিভাগে আরো শুনানি হওয়ার কথা।

আপিল বিভাগের এমন আদেশের পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখানোর পরিবর্তে ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে হোয়াইট হাউসের অবস্থান জানানোর নির্দেশনা দেন। পেন্স আদালতের আদেশকে হতাশাজনক অ্যাখ্যা দেন। ফক্স নিউজকে তিনি বলেন, ‘আমরা খুব দ্রুত পদক্ষেপ নেব।

শুনানিতে আমরাই জিতব। কারণ দেশের সুরক্ষায় আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের এ পদক্ষেপ গ্রহণের অধিকার আছে। ’

ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ নিয়ে সরকার ও আদালতের রশি টানাটানির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে পেরে ভীষণ আনন্দিত সুদানি চিকিৎসক কামাল ফাদলাল্লা বলেন, ‘খুব ভালো লাগছে। কঠিন একটা সপ্তাহ গেল। ’ ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের কারণে এক সপ্তাহ তিনি সুদানে আটকে ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রে ফিরতে পেরেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ইরানি তরুণী সারা ইয়ারজানি। নির্বাহী আদেশের কারণে তাঁকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছিল। লস অ্যাঞ্জেলেসে ফিরে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘আইনজীবীসহ অন্য যাঁরা আমাকে সাহায্য করেছেন, তাঁদের সবার প্রতি আমি ভীষণ কৃতজ্ঞ। ’ সূত্র : এএফপি।


মন্তব্য