kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


আলেপ্পোয় যুদ্ধবিরতিতে কিছু মানুষ সরার সুযোগ পেয়েছে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২১ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



আলেপ্পোতে গতকাল বৃহস্পতিবার পূর্ব নির্ধারিত স্বল্প সময়ের ‘মানবিক যুদ্ধবিরতি’ কার্যকর হয়। তবে সাধারণ নাগরিকদের শহর ছেড়ে যাওয়ার বিষয়টি পুরোপুরি নিরাপদ ছিল না।

আটটি পথের মধ্যে সাতটিতে নাগরিকরা স্বস্তিতে শহর ছেড়ে যাওয়ার সুযোগ পেলেও একটিতে গোলাগুলিতে ভয়ংকর পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি সতর্ক করে বলেছেন, আলেপ্পো শহরের এই যুদ্ধবিরতি সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ বন্ধে কাজে আসবে না।

সিরিয়ার আলেপ্পো শহরে অবরোধের কারণে দুই লাখ ৫০ হাজার নাগরিক আটকে রয়েছে। এএফপির সংবাদদাতা জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতির সুযোগে এসব নাগরিককে শহর ছেড়ে যাওয়ার জন্য আটটি পথের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু একতরফা যুদ্ধবিরতির মধ্যে একটি পথে হঠাৎ করে সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়। শহরের সিটি সেন্টারের পথে এই ঘটনা ঘটে। রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যম সানা জানিয়েছে, সন্ত্রাসীরা এই কাণ্ড করেছে।

জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে রাশিয়া ও সিরিয়ার সরকারি বাহিনী বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বোমা হামলা করে আসছে। এ অঞ্চলের নাগরিকদের বিভীষিকাময় জীবন থেকে রেহাই দিতে রাশিয়া বৃহস্পতিবারে আট ঘণ্টার জন্য যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে। এটি পরবর্তী সময়ে বাড়িয়ে ১১ ঘণ্টা করা হয়েছে। অবশ্য গত মঙ্গলবার থেকে রাশিয়া ও সিরীয় বাহিনী বিমান হামলা বন্ধ রেখেছে। পূর্ব নির্ধারিত বিরতির সময় আরো বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে রুশ কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে সিরিয়ার সেনাবাহিনী জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি তিন দিন স্থায়ী হবে।

সিরিয়ান সেনাবাহিনী জানিয়েছে, নাগরিকদের শহর ছেড়ে যেতে আটটি পথের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি পথ বিদ্রোহীরাও ব্যবহার করতে পারবে, তবে তাদের অস্ত্র রেখে আসতে হবে।

‘নিরাপদে’ শহর ছাড়ার ব্যবস্থা থাকলেও অনেকেই নিরাপদ ভাবতে পারেননি। চার সন্তানের বাবা মোহাম্মদ শায়াহ বলেন, ‘আমরা শহর ছেড়ে যেতে উদিগ্রব হয়ে ছিলাম। কিন্তু নিরাপত্তাব্যবস্থা আরো জোরদার প্রয়োজন ছিল। অবরোধের কারণে খাদ্য ও কাজের অভাবের কারণে আমাকে শহর ছেড়ে যেতে হচ্ছে। ’ সূত্র : এএফপি।

 


মন্তব্য