kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ট্রাম্পের দ্বৈত সত্তা

প্রকাশ্যে চীনের সমালোচনা তলে তলে ব্যবসার চেষ্টা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৮ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



প্রকাশ্যে চীনের সমালোচনা তলে তলে ব্যবসার চেষ্টা

রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতির একটা বড় অংশজুড়ে রয়েছে চীনের সমালোচনা। দেশটিকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

অথচ চীন সরকারের সঙ্গে লোভনীয় হোটেল ব্যবসার চুক্তি করতে যাচ্ছে তাঁর কম্পানি।

চীনের অন্যতম বিদ্যুৎ কম্পানি স্টেট গ্রিড করপোরেশন অব চায়নার সঙ্গে ট্রাম্প হোটেল কালেকশনের (টিএইচসি) চুক্তির বিষয়ে আলোচনা চলছে বেশ কিছুদিন থেকেই। চীনে ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ কম্পানির প্রধান। এই আলোচনার সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। প্রক্রিয়ার শেষে তাদের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। এরই ভিত্তিতে ১০ থেকে ১৫ কোটি ডলারের চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে। এই চুক্তির মেয়াদ হবে ১৫ বছর। ট্রাম্পের গ্রেটার চায়না দপ্তর থেকেও জানা গেছে এ তথ্য।

ট্রাম্পের এক মুখে দুই রকম কথা বলা নিয়ে অভিযোগ অবশ্য নতুন নয়। প্রচারের শুরু থেকেই এ অভিযোগ ছিল। পররাষ্ট্রনীতি প্রশ্নে বা অর্থনৈতিক দিক থেকে তিনি গোড়া থেকেই চীনের সমালোচনাই করেছেন সবচেয়ে বেশি। তাঁর অভিযোগ, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির এ দেশটির বিধ্বংসী বাণিজ্য ও মুদ্রানীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে লাখ লাখ চাকরির সুযোগ নষ্ট হচ্ছে। ২০১১ সালে তাঁর ‘টাইম টু গেট টাফ’ নামের একটি বই প্রকাশিত হয়, যেখানে তাঁর প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থিতার ইচ্ছার পাশাপাশি চীনের তীব্র সমালোচনাও স্থান পায়। তিনি চীনা নেতাদের অভিহিত করেন, ‘আমাদের শত্রু’ হিসেবে। ‘যারা আমাদের সন্তান ও পরবর্তী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নষ্ট করছে তাদের আমরা আর কী বলতে পারি?’

ট্রাম্পের সঙ্গে চীনা কম্পানির চুক্তির প্রক্রিয়া চলছে প্রায় দুই বছর ধরে। চীনের সরকারি কম্পানিগুলো এর আগেও যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগের চেষ্টা চালায়। তবে নিরাপত্তার কারণে ওয়াশিংটন তা নাকচ করে দেয়। জাতীয় স্বার্থবিরোধী বলে একই ধরনের চেষ্টা নাকচ হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়ায়ও। সূত্র : এএফপি।


মন্তব্য