kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ বন্ধই হবে গুতেরেসের প্রথম কাজ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৫ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ বন্ধই হবে গুতেরেসের প্রথম কাজ

সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ বন্ধে উদ্যোগ নেওয়াই হবে প্রথম কাজ। আর একে ব্যবহার করেই অন্যান্য সব সংঘাতের ওপর নজর দিতে হবে, এক সুতোয় গাঁথতে হবে।

এ কথা বলেছেন জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর এ মন্তব্য করেন তিনি।

পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী গুতেরেসকে বৃহস্পতিবার পাঁচ বছরের জন্য জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

বর্তমান মহাসচিব বান কি মুনের দ্বিতীয় দফায় পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষে ১ জানুয়ারি গুতেরেস দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সাবেক এই কমিশনার হবেন বিশ্ব সংস্থাটির নবম মহাসচিব।

গেল সপ্তাহে জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব হিসেবে ১৩ জন প্রার্থীর মধ্য থেকে তাঁকে মনোনীত করে নিরাপত্তা পরিষদ। বৃহস্পতিবার ১৯৩ সদস্যের সাধারণ পরিষদে তা সর্বসম্মত অনুমোদন পায়।

৬৭ বছর বয়সী গুতেরেস সংবাদমাধ্যমকে জানান, বিশ্ব এখন একটি বিপজ্জনক সময় অতিবাহিত করছে। তিনি দেখতে চান, নিরাপদ ভবিষ্যৎ অর্জনের লক্ষ্যে বিশ্বের মানুষ একসঙ্গে কাজ করছে। তবে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটানো হবে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, এই সংঘাতের অবসান ঘটানোর প্রচেষ্টাই হবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অগ্রাধিকারমূলক উদ্যোগ। আর একে ব্যবহার করেই অন্যান্য সব সংঘাতের ওপর নজর দিতে হবে, এক সুতোয় গাঁথতে হবে। ’

পেশায় প্রকৌশলী গুতেরেস রাজনীতিতে আসেন ১৯৭৬ সালে। পাঁচ দশকের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটানো ‘কার্নেশন বিপ্লবের’ পর ওই বছরই দেশটিতে প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৯২ সালে তিনি দেশটির সোশ্যালিস্ট পার্টির নেতা নির্বাচিত হন; তিন বছর পর হন প্রধানমন্ত্রী।

২০০৫ সালে গুতেরেস জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক কমিশনের দায়িত্ব নেন। এরপর এক দশক তিনি ব্যস্ত ছিলেন সিরিয়া, আফগানিস্তান ও ইরাকের মতো দেশগুলোর শরণার্থী সংকট মোকাবিলায়। যুদ্ধবিধ্বস্ত শরণার্থীদের আরো বেশি সহায়তা দিতে পশ্চিমা সমাজকে বারবার অনুরোধ করেছেন তিনি।

পর্তুগালের সাবেক প্রেসিডেন্ট অ্যানিবাল কাভাবো সিলভা এ বছরের শুরুতে বলেছিলেন, গুতেরেস শরণার্থীবিষয়ক কমিশনে ‘কিংবদন্তিতুল্য’ কাজ করেছেন। সূত্র : রয়টার্স।


মন্তব্য