kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নোবেলজয়ী নাট্যকার দারিও ফো’র মৃত্যু

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৪ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



নোবেলজয়ী নাট্যকার দারিও ফো’র মৃত্যু

সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারজয়ী ইতালীয় নাট্যকার দারিও ফো আর নেই। মিলানে গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি মারা গেছেন।

তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।

রাজনীতি নিয়ে তীব্র ব্যঙ্গ ফোয়ের রচনার এক অনন্য বৈশিষ্ট্য। এ বৈশিষ্ট্য তাঁকে বিশেষ পরিচিতি দিয়েছে। ইতালির প্রধানমন্ত্রী মাত্তেরো রেনজি এক শোকবার্তায় ফোকে ‘নাট্যজগৎ, সংস্কৃতি ও ইতালির আদর্শনীয় ব্যক্তি’ হিসেবে অভিহিত করেন।

একাধারে নাট্যকার, অভিনেতা, গীতিকার, চিত্রশিল্পী ও রাজনৈতিককর্মী ছিলেন ফো। ১৯৯৭ সালে সাহিত্যে নোবেলজয়ী ফোয়ের জন্ম ১৯২৬ সালের ২৪ মার্চ ইতালির ছোট্ট শহর লেক মাগজোরের সানজিয়ানোতে। শৈশবে দাদার কাছেই গল্প বলার কৌশল রপ্ত করেছিলেন ফো, যা তাঁকে জীবনভর সহায়তা দিয়ে গেছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষদিকে তাঁর ওপর বাধ্যতামূলকভাবে যুদ্ধে যাওয়ার চাপ আসে। কিন্তু কৌশলে যুদ্ধে যাওয়া এড়িয়ে যেতে সক্ষম হন তিনি। যুদ্ধের শেষ মাসটি একটি চিলেকোঠায় লুকিয়ে কাটিয়ে দেন ফো। মিলানে স্থাপত্যবিদ্যায় পড়াশোনা করেন ফো। কিন্তু পরবর্তী সময়ের লেখা ও অভিনয়কেই নিজের ধ্যান-জ্ঞানে পরিণত করেন।

ফোয়ের সবচেয়ে আলোচিত দুটি রাজনৈতিক প্রহসন হচ্ছে ‘অ্যাক্সিডেন্টাল ডেথ অব অ্যান অ্যানার্কিস্ট’ এবং কান’ট পে, ওন’ট পে’। এই নাটক দুটি ব্যাপকভাবে আলোচিত। ১৯৬৯ সালে রচিত ‘মিসতেরো বুফো (কমিক্যাল মিস্ট্রি)’ নামের নাটকটির কারণে পোপের সমালোচনার মুখে পড়েন। এতে তিনি আধুনিক ফরমেটে গসপেলের কাহিনী বর্ণনা করেন।

১৯৫০-এর দশকের প্রথম দিকে ফ্রাঙ্কা রামের সঙ্গে পরিচয় হয় ফোয়ের। অভিনেত্রী রামে তাঁর জীবনে আসার পর ধারাবাহিক একক অভিনয়ের নাটকে সাফল্য পান ফো। পরবর্তী সময় তিনি রামেকে বিয়ে করেন। ১৯৫৭ সালে ফো দম্পতি ফো-রামে থিয়েটার কম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।   সূত্র : বিবিসি, এএফপি।


মন্তব্য