kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


যুক্তরাষ্ট্রের রণতরী লক্ষ্য করে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১১ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



যুক্তরাষ্ট্রের একটি রণতরী গত রবিবার আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমায় অবস্থানকালে সেটিকে লক্ষ্য করে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। গতকাল সোমবার এই দাবি করেছে মার্কিন নৌবাহিনী।

তবে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো রণতরীতে আঘাত করতে ব্যর্থ হয়েছে।

এ ছাড়া রবিবার সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তায়েফ ও ইয়েমেনের হুতি নিয়ন্ত্রিত অংশের রাজধানী সানার পূর্বদিকে মারিব শহর লক্ষ্য করে আরো দুটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে এ দুটি হামলাও সফল হয়নি বলে দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট।

সানায় এক ব্যক্তির জানাজা চলাকালে বিমান হামলায় ১৪০ জনের বেশি নিহত ও কমপক্ষে ৫২০ জন আহত হওয়ার পর দিনই এসব ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটল। ইরান সমর্থিত শিয়া মতাবলম্বী হুতি বিদ্রোহীদের দাবি, গত শনিবার সানায় বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।

রণতরী লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর মুখপাত্র পলা ডুন বিবৃতিতে জানান, তাঁদের রণতরী ইউএসএস ম্যাসন নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে রবিবার ইয়েমেনসংলগ্ন লোহিত সাগরের আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমায় অবস্থান করছিল। স্থানীয় সময় আনুমানিক সন্ধ্যা ৭টা থেকে শুরু করে এক ঘণ্টার মধ্যে তারা দুটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চিহ্নিত করেন। তবে সেগুলো জাহাজ পর্যন্ত পৌঁছায়নি। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, তাঁদের বিশ্লেষণ অনুসারে ক্ষেপণাস্ত্র দুটি ইয়েমেনের হুতি নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল থেকে ছোড়া হয়েছে।

সৌদি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, মক্কা নগরীর কাছাকাছি তায়েফ শহর লক্ষ্য করে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রটিকে মাঝপথে ধাওয়া করার পর লক্ষ্যস্থলের ৫২০ কিলোমিটার দূরে বিধ্বস্ত হয়েছে। হুতিদের পরিচালিত স্যাটেলাইট সম্প্রচারমাধ্যম আল-মাসিরাহ জানায়, তায়েফের বাদশাহ ফাহাদ বিমানঘাঁটিই ছিল হামলার লক্ষ্যস্থল। সৌদি সামরিক কর্তৃপক্ষ আরো জানায়, তায়েফে হামলার আগে তারা মারিব শহরের দিকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্রকেও মাঝপথে ধাওয়া করেছে।

২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে সরকারকে হটিয়ে সানার নিয়ন্ত্রণ নেয় হুতি বিদ্রোহীরা। পরের বছর মার্চে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট হুতিবিরোধী হামলা শুরু করে।

সূত্র : এএফপি, বিবিসি।


মন্তব্য