kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


কিউবা-ভিয়েতনামে পুনরায় সামরিক ঘাঁটি করবে রাশিয়া

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৯ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



কিউবা-ভিয়েতনামে পুনরায় সামরিক ঘাঁটি করবে রাশিয়া

কিউবা ও ভিয়েতনামে পুনরায় সামরিক ঘাঁটি চালুর পরিকল্পনা করছে রাশিয়া। গত শুক্রবার রাশিয়ার উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিকলাই প্যানকভ এ কথা জানিয়েছেন।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশটির উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই রাশিয়ার এ পরিকল্পনার কথা জানা গেল।

একসময় সোভিয়েত ইউনিয়নের বৈশ্বিক সামরিক শক্তির কেন্দ্র এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈরিতার প্রতীক হিসেবে দেখা হতো সামরিক ঘাঁটিগুলোকে। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার এক যুগ পর ২০০২ সালে ঘাঁটি দুটি বন্ধ করে দেয় রাশিয়া।

বার্তা সংস্থা আরআইএ জানায়, রাশিয়ার উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্যানকভ গত শুক্রবার রাশিয়ান পার্লামেন্টকে বলেছেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি। ’ এ সময় তিনি ঘাঁটিগুলোর চালুর বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে অস্বীকার করেন। তিনি জানান, অতীতে ঘাঁটিগুলোর বন্ধের সিদ্ধান্ত পুনর্মূল্যায়ন করছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এর আগে রাশিয়ার পররাষ্ট্রবিষয়ক পার্লামেন্টারি কমিটির উপপ্রধান অ্যালেক্সেই চেপা পার্লামেন্টে বলেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য এলাকায় আমাদের উপস্থিতির বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা উচিত। আমি বিশ্বাস করি, লাতিন আমেরিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও আফ্রিকায় আমাদের যে ঘাঁটিগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, তা উন্মুক্ত করলে রাশিয়ার স্বার্থই প্রতিনিধিত্ব করবে। ’

সম্প্রতি রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা এবং রাশিয়ান পার্লামেন্ট সিরিয়ায় বিমানঘাঁটিতে রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতির মেয়াদ বাড়ার অনুমোদন দেওয়ার মধ্যেই দেশটির এই নতুন পরিকল্পনার কথা জানা গেল। রয়টার্সের পক্ষ থেকে রাশিয়ার পরিকল্পনার ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে ভিয়েতনাম পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। এ বিষয়ে কিউবার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পাওয়া যায়নি।

দুই বছর আগে রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগো প্রথম জানিয়েছিলেন, তাঁরা এখন ভিয়েতনাম ও কিউবার দুটি ঘাঁটির দিকে নজর দিচ্ছে। একই সঙ্গে সিঙ্গাপুর ও নিকারাগুয়ায় ঘাঁটি করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। দুই বছর পর ফের পরিকল্পনাটির কথা জানাল রাশিয়া।

এ বিষয়ে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি প্যাসকভ বলেন, ‘বৈশ্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল নয়, প্রবহমান বিষয়। গত দুই বছরে আন্তর্জাতিক বিষয় ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে। ’ তিনি বলেন, ‘কাজেই এটা খুব স্বাভাবিক যে সব দেশই তাদের জাতীয় স্বার্থের অনুকূলে পরিবর্তনের কথা বিবেচনা করবে এবং যেটি সঠিক মনে করবে, সেদিকেই পদক্ষেপ ফেলবে। ’ সূত্র : বিবিসি, রয়টার্স ও আরটি।


মন্তব্য