kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


গুতেরেসের সঞ্চয়ে অনেক অভিজ্ঞতা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৭ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



জাতিসংঘের পরবর্তী প্রধান হিসেবে যাঁর প্রতি নিরাপত্তা পরিষদের সমর্থন সবচেয়ে বেশি, সেই আন্তোনিও গুতেরেস জাতীয়, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত কর্মব্যস্ত জীবন পার করেছেন। আন্তর্জাতিক এ সংস্থার সাধারণ পরিষদের ভোটে উতরে গেলে তাঁর কাঁধে পড়তে যাচ্ছে আরো গুরুদায়িত্বের ভার।

পর্তুগিজ রাজনীতিক আন্তোনিও মানুয়েল দ্য অলিভেইরা গুতেরেস ১৯৪৯ সালের ৩০ এপ্রিল রাজধানী লিসবনে জন্মগ্রহণ করেন। প্রকৌশল ডিগ্রিধারী গুতেরেস ১৯৭৪ সালের সোশ্যালিস্ট পার্টিতে যোগ দেন। নির্বাচনের মাধ্যমে পার্লামেন্টে তাঁর প্রবেশ ঘটে এর দুই বছর পর। ১৭ বছর পার্লামেন্ট সদস্য থাকা অবস্থায় তিনি বিভিন্ন পার্লামেন্টারি কমিটির সভাপতিত্ব করেছেন। সোশ্যালিস্ট পার্টির পার্লামেন্ট সদস্যদের নেতাও তিনিই ছিলেন। দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ১৯৯৫ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত। পর্তুগিজ শরণার্থী পরিষদ, ভোক্তা সংগঠন ও একটি সামাজিক উন্নয়ন সংগঠন প্রতিষ্ঠাতেও তিনি ভূমিকা রেখেছেন।

১৯৮১-৮৩ মেয়াদে তিনি কাউন্সিল অব ইউরোপের পার্লামেন্টারি অ্যাসেম্বলির সদস্য ছিলেন। পরে ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালনকালে ২০০০ সালে তাঁরই নেতৃত্বে গৃহীত হয় ইউরোপীয় ইউনিয়নের ১০ বছরের অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা তথা লিসবন এজেন্ডা। সোশ্যালিস্ট ইন্টারন্যাশনালেও তিনি সক্রিয় ছিলেন। ১৯৯২-৯৯ মেয়াদে গুতেরেস সংগঠনটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং এর পর থেকে ২০০৫ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

জাতিসংঘে গুতেরেসের প্রবেশ ২০০৫ সালের জুনে। আন্তর্জাতিক এ সংস্থার শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনের (ইউএনএইচসিআর) প্রধান পদে একাধারে ১০ বছর তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।

এখন বান কি মুনের উত্তরসূরি হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন গুতেরেস। সাধারণ পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পেলে আগামী জানুয়ারিতে তিনি জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে অভিষিক্ত হবেন। সূত্র : পলিটিকোস্কোপ।


মন্তব্য