kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


জলবায়ু নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা চান ওবামা-ডিকাপ্রিও

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৫ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



জলবায়ু নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা চান ওবামা-ডিকাপ্রিও

হোয়াইট হাউসে ‘সাউথ বাই সাউথ লন’ ফেস্টিভালে কথা বলছেন ওবামা (বাঁয়ে) ও লিওনার্দো ডিকাপ্রিও (ডানে)। তাঁদের সঙ্গে জলবায়ু বিজ্ঞানী ক্যাথেরিন হেইহো। ছবি : এএফপি

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে সংগ্রাম আরো জোরদারের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং হলিউড তারকা লিওনার্দো ডিকাপ্রিও দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর জোর দিয়েছেন। গত সোমবার রাতে প্রেসিডেন্টের কার্যা লয় হোয়াইট হাউসে তাঁরা এই মনোভাব জানান।

 

হোয়াইট হাউসে পরিবেশ-বিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী উপলক্ষে সেখানে যান ডিকাপ্রিও। ‘বিফোর দ্য ফ্লাড’ প্রামাণ্যচিত্রে কাপ্রিও পরিবেশবিজ্ঞানী, আন্দোলনকর্মী এবং বিভিন্ন বিশ্বনেতার সঙ্গে কথা বলেন। এতে রয়েছেন ওবামা ও পোপ ফ্রান্সিসের বক্তব্যও।

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের গতি প্রসঙ্গে ওবামা বলেন, ‘সত্যিই আমাদের সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিতে হচ্ছে। ’ তাঁর অভিমত, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের সমস্যাটা এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যে রাজনৈতিকভাবে এটা সামাল দেওয়া খুব কঠিন। ’ তার পরও গত ১২ ডিসেম্বর ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে স্বাক্ষরিত চুক্তি নিয়ে আশাবাদী ওবামা। জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ ঠেকাতে স্বাক্ষরিত ওই চুক্তি আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই কার্যকর করা যাবে বলে মনে করছেন যুক্তরাষ্ট্রের এ বিদায়ী প্রেসিডেন্ট। চুক্তিটি কার্যকর করতে হলে এমন ৫৫টি দেশের অনুসমর্থন দরকার, যারা গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের মোট পরিমাণের ৫৫ শতাংশ নিঃসরণের জন্য দায়ী। ইতিমধ্যে ৬২টি দেশ এতে অনুসমর্থন দিয়েছে। তবে তাদের গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের পরিমাণ ৫২ শতাংশ। সর্বোচ্চ গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের দিক দিয়ে বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারত গত শনিবার চুক্তিতে অনুসমর্থন দেওয়ায় ওবামা এখন আরো আশাবাদী।

ডিকাপ্রিও মনে করেন, দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়াটা জরুরি। তাঁর অভিমত, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টা বিশ্বাস না করার মানে হলো বাস্তবতা কিংবা বিজ্ঞানের প্রতিই আপনার বিশ্বাস নেই। আর সে ক্ষেত্রে আমার বিনীত অভিমত, সরকারি দপ্তরে আপনাকে বসতে দেওয়া উচিত হবে না। ’ ডেমোক্র্যাট ঘরানার ডিকাপ্রিওর এ মন্তব্য যেন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্দেশেই। কেননা, নির্বাচনের প্রচারে নেমে ট্রাম্প জলবায়ু পরিবর্তন ও জনজীবনে এর প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। সূত্র : এএফপি।


মন্তব্য