kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদন

দারফুরে রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগ করেছে সুদান সরকার

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



দারফুরে রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগ করেছে সুদান সরকার

সুদানের সরকারি বাহিনী দারফুরে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ তুলেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দারফুরের জেবেল মাররা এলাকায় চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অন্তত ৩০টি রাসায়নিক অস্ত্রের হামলা করা হয়েছে।

এসব হামলায় শিশুসহ অন্তত ২৫০ জন নিহত হয়েছে। ওই এলাকায় সর্বশেষ রাসায়নিক হামলাটি চালানো হয়েছে গত ৯ সেপ্টেম্বর। সুদান সরকার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

স্যাটেলাইট থেকে নেওয়া ছবি, দুই শতাধিক ব্যক্তির সাক্ষাৎকার এবং বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। প্রায় ১০০ পৃষ্ঠার এ প্রতিবেদনে সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে বেসামরিক লোকজনের ওপর নির্বিচারে হামলা, বেআইনি হত্যাকাণ্ড, নারী ও শিশুদের অপহরণ ও ধর্ষণেরও অভিযোগ তোলা হয়।

দারফুরে ২০০৩ সাল থেকে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে বিভিন্ন নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর লড়াই চলে আসছে। ওই গোষ্ঠীগুলো প্রেসিডেন্ট ওমর আল বশিরের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। জাতিসংঘের মতে, লড়াই শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত সুদানে জাতিগত সংঘাতে অন্তত তিন লাখ মানুষ নিহত হয়েছেন। প্রায় ২৫ লাখ মানুষ ঘরহারা হয়েছেন। দেশটিতে প্রায় ৪৪ লাখ মানুষের ত্রাণ সহায়তা অবশ্যক বলে জানায় বিশ্ব সংস্থাটি।

অ্যামনেস্টির দুর্যোগ গবেষণাবিষয়ক পরিচালক তিরানা হাসান বলেন, ‘রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করাটা যুদ্ধাপরাধ। যেসব তথ্য-প্রমাণ আমরা সংগ্রহ করতে পেরেছি, তা বিশ্বাসযোগ্য এবং তা এমন একটি শাসনব্যবস্থার চেহারা তুলে ধরে, যা আন্তর্জাতিক মতামতের কোনো তোয়াক্কাই করে না। ’

জাতিসংঘে সুদানের রাষ্ট্রদূত ওমর দাহাব ফাদল মোহাম্মদ এক বিবৃতিতে জানান, ‘অ্যামনেস্টির প্রতিবেদনে যা বলা হয়েছে, তা সঠিক নয় এবং সুদান কোনো রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করেনি। এ অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই এবং এটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

সূত্র : রয়টার্স।


মন্তব্য