kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


প্রথম টিভি বিতর্ক নিয়ে সাজ সাজ রব

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



প্রথম টিভি বিতর্ক নিয়ে সাজ সাজ রব

প্রথম টিভি বিতর্ককে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের প্রধান দুই প্রার্থীর নানামুখী তৎপরতা এখন তুঙ্গে। ডেমোক্রেটিক প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের স্বামী বিল ক্লিনটনের সাবেক প্রেমিকা জেনিফার ফ্লাওয়ারসকে সামনের সারিতে বসে প্রথম টিভি বিতর্কটি উপভোগের আহ্বান জানিয়েছেন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এর আগে অবশ্য হিলারির শিবির থেকে ট্রাম্পের কঠোর সমালোচনাকারী মার্ক কিউবানকে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সময় সোমবার রাতে (বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার সকাল ৬টা) নিউ ইয়র্কের হোফসট্রা বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে। এই বিতর্কে জয় বা পরাজয় চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত দেবে না। তবে অবধারিতভাবেই এর প্রভাব পড়বে ভোটারদের মনে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, অন্তত ৯ কোটি মার্কিনি ৯০ মিনিটের এ বিতর্ক দেখবে বলা হচ্ছে, ৯ শতাংশ ভোটার এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি কাকে ভোট দেবে।

ফলে ভোটারদের মন টানতে দুই প্রার্থী জোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। হিলারি কিছুদিন থেকে নির্বাচনী সমাবেশগুলো পর্যন্ত বন্ধ রেখেছেন। ট্রাম্পের দুটি বিষয়ই চলছে সমানতালে। একই সঙ্গে তিনি সমান সক্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও। ফ্লাওয়ারসের প্রসঙ্গ টুইটারেই সামনে আনেন তিনি।

ফ্লাওয়ারসের সঙ্গে বিল ক্লিনটনের সম্পর্ক ছিল আশির দশকের গোড়ার দিকে। সাবেক এ মডেলের দেওয়া তথ্য মতে, ১২ বছর শরীরিক সম্পর্ক ছিল তাঁদের। বিষয়টি প্রথম সামনে আসে ১৯৯২ সালে বিল ক্লিনটনের প্রথম প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালানোর সময়। সেই সময় ক্লিনটন বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে ১৯৯৮ সালে স্বীকার করেন।

সেই পুরনো ইস্যুকেই নতুন করে সামনে আনলেন ট্রাম্প। এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, ‘ওরা যদি মার্ক কিউবানকে সামনের সারিতে বসায় তাহলে আমি তাঁর পাশে জেনিফার ফ্লাওয়ারসকে বসাব। ’ ফ্লাওয়ারস ইতিমধ্যেই বিতর্কে দাওয়াত পাওয়া এবং সেখানে উপস্থিত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে ২০০৭ সালে অবশ্য তিনি বলেছিলেন, নারী বলেই হিলারিকে ভোট দিতে চান তিনি। সে সময় দলীয় প্রাইমারিতে বারাক ওবামার কাছে পরাজিত হন হিলারি। তবে এবার ট্রাম্পের কট্টর সমর্থক ফ্লাওয়ারস।

বিল ক্লিনটনের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক নিয়ে ট্রাম্প অবশ্য এর আগেও তির্যক মন্তব্য করেছেন।

তবে এসব বিষয় বিতর্কে কতটা এবং কিভাবে আসবে সেটাই এখন দেখার বিষয়। গত শনিবার নিউ ইয়র্ক টাইমস পত্রিকা ডেমোক্রেটিক প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনকে অনুমোদন দেয়। এর পরপরই ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, হিলারি যদি বিতর্কে ভদ্র আচরণ করেন, তাহলে তিনিও উগ্র হয়ে উঠবেন না।

তবে বিতর্কে ট্রাম্পের এ মেজাজকেই ব্যবহার করতে চাইছেন হিলারি। বিশ্লেষকদের ধারণা, ট্রাম্প মেজাজ হারালেই হিলারির পক্ষে প্রমাণ করা সহজ হবে যে প্রেসিডেন্ট পদের জন্য মাথা যতটা শান্ত রাখতে হয়, তা ট্রাম্পের নেই। সূত্র : এএফপি, সিএনএন, গার্ডিয়ান।


মন্তব্য