kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মার্কিন শিশু অ্যালেক্স আশ্রয় দিতে চায় সিরিয়ার ওমরানকে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



মার্কিন শিশু অ্যালেক্স আশ্রয় দিতে চায় সিরিয়ার ওমরানকে

অ্যালেক্স ------------------ ওমরান

শরণার্থী সমস্যা নিয়ে বিশ্বনেতাদের উদ্বেগ জানানো আর আলোচনার শেষ নেই। তবে এত কিছুর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ছয় বছরের শিশু অ্যালেক্সের এক উদ্যোগ নিয়ে সারা পড়েছে বিশ্বে।

অ্যালেক্স তাদের বাড়িতে সিরিয়ার শরণার্থী শিশু ওমরান দাকনিশকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য অনুমতি চেয়েছে। ওমরানকে নিজের বাড়িতে আশ্রয় দেওয়ার অনুমতি চেয়ে সে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার কাছে চিঠি পাঠিয়েছে। ওমরানের রক্তাক্ত ছবি দেখার পর তাকে আশ্রয় দেওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়ে নিউ ইয়র্ক থেকে অ্যালেক্স কিছুদিন আগে চিঠিটি পাঠায়।

অ্যালেক্সের লেখা চিঠিটি হোয়াইট হাউস থেকে প্রকাশ করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে সম্বোধন করে সে লিখেছে, ‘সিরিয়াতে যে শিশুটিকে অ্যাম্বুল্যান্সে তোলা হয়েছিল তাকে কি মনে করতে পারেন? আপনি কি তাকে খুঁজে বের করতে এবং আমাদের বাড়িতে আনতে পারেন? আমরা আপনাদের জন্য পতাকা, ফুল ও বেলুন নিয়ে অপেক্ষা করব। আমরা তাকে একটা পরিবার দেব এবং সে আমাদের ভাই হবে। ’

চলমান জাতিসংঘের শীর্ষ সম্মেলনে শরণার্থীবিষয়ক আলোচনায় বারাক ওবামা অ্যালেক্সের চিঠিটির কথা উল্লেখ করেছিলেন। অ্যালেক্সের চিঠি সম্পর্কে ওবামা বলেন, ‘আমাদের সবার অ্যালেক্সের মতো হওয়া উচিত। যদি আমরা তেমন হতাম, তাহলে একবার চিন্তা করে দেখুন পৃথিবীটা কেমন হতো। কল্পনা করুন আমরা এই দুর্ভোগটা কত কমিয়ে ফেলতে পারতাম এবং কত জীবন বাঁচাতে পারতাম। ’

চিঠিটি পাওয়ার পর হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে অ্যালেক্সের একটি ভিডিও করা হয়। সেখানে সে চিঠিটি পাঠ করে। ওই ভিডিও সম্মেলনে প্রদর্শন করা হয়। সামাজিক গণযোগাযোগ মাধ্যমে ওবামার বক্তব্য বেশ প্রশংসিত হয়েছে, তবে বেশির ভাগ প্রশংসা ঝরে পড়ছে অ্যালেক্সের জন্য। টেক্সাসের এক নারী ফেসবুকে মন্তব্য করেছেন, ‘বড়দের তুলনায় একটি ছয় বছরের শিশুর মনে অনেক বেশি মানবতা ও ভালোবাসা রয়েছে। ’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট যখন চিঠিটি পড়েন তখন শুনেছি; যদিও চিঠিটি আগেই লেখা হয়েছে। কিন্তু যখন এটি পড়া হয় তখন আমার চোখ ভিজে গেছে। ’ সূত্র : বিবিসি।


মন্তব্য