kalerkantho

মঙ্গলবার। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ । ৯ ফাল্গুন ১৪২৩। ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৮।


আলেপ্পোতে জরুরি সহায়তার অপেক্ষায় জাতিসংঘ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্মতিতে যুদ্ধবিরতি ৪৮ ঘণ্টা বাড়ানোর পর জাতিসংঘ সিরিয়া সরকারের কাছে আলেপ্পোতে জরুরি সহায়তা পৌঁছানোর অনুমতি চেয়েছে। জরুরি সহায়তা নিয়ে তুরস্ক ও সিরিয়ার মধ্যবর্তী স্থানে দ্বিতীয় দিনের মতো জাতিসংঘ ট্রাক মাল নিয়ে অপেক্ষা করছে। তাদের প্রত্যাশা আলেপ্পোর বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করা সম্ভব হবে।

এদিকে ওয়াশিংটন যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত মানতে ব্যর্থ হয়েছে বলে মস্কো অভিযোগ করেছে। নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভিতালি চুরকিন বলেন, যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলের অনুমোদন চেয়েছেন তাঁরা। তিনি বলেন, ‘আমরা এটার ওপর কাজ করছি। আশা করছি আগামী সপ্তাহে সিরিয়ায় যখন নিরাপত্তা কাউন্সিল আলোচনা করবে তখন এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ’

জাতিসংঘ অফিসের মুখপাত্র ডেভিড সোয়ানসন জানান, ৪০টি ট্রাক আলেপ্পোতে ৮০ হাজার মানুষের জন্য খাবার নিয়ে তুর্কি সীমান্তে অপেক্ষা করছে। কিন্তু অবরোধ থাকায় তাদের পক্ষে আলেপ্পোয় যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। পর্যবেক্ষক সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, শুরুতে বিদ্রোহী দল অবরোধ তুলে না নেওয়া পর্যন্ত সরকারি দল সেখান থেকে সরে না আসার কথা জানিয়েছিল।

সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া যথাক্রমে বিদ্রোহী ও সরকারপক্ষকে সহায়তা দিচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাশিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সিরিয়ান বাহিনী যুদ্ধবিরতির চুক্তি পালন করেছে এবং তারা চুক্তি অনুযায়ী পথ থেকে সরে যাচ্ছে। তবে বিদ্রোহী দল চুক্তি অনুযায়ী এখনো কোনো উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেয়নি।

ওয়াশিংটন বুধবার জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রসচিব ও রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ সোমবার পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি বাড়াতে সম্মত হয়েছে। তবে দুই পক্ষই এ পর্যন্ত চুক্তির কিছু আইন লঙ্ঘন করলেও যুদ্ধবিরতি কমবেশি পালন হচ্ছে।

ওয়াশিংটনের এমন মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পর রাশিয়ার সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ইগর কোনাসেনকভ বলেন, ‘যুদ্ধবিরতির তৃতীয় দিনে শুধু সিরিয়ান সেনাবাহিনী তা মেনে চলছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বিরোধীরা আবাসিক জেলাগুলোতে আক্রমণ চালিয়েছে। ’ সূত্র : এএফপি।


মন্তব্য