kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নির্বাচনপূর্ব জরিপ

হিলারি-ট্রাম্প ব্যবধান ক্রমেই কমছে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



হিলারি-ট্রাম্প ব্যবধান ক্রমেই কমছে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে অন্যতম দুই প্রার্থী ডেমোক্র্যাট হিলারি ক্লিনটন ও রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে লড়াই তত তীব্র হচ্ছে। নিউ ইয়র্ক টাইমস ও সিবিএস নিউজের সাম্প্রতিক জরিপ সে কথাই বলছে।

গত আগস্টের জরিপে তাঁদের মধ্যকার ব্যবধান ৮ পয়েন্ট থাকলেও গতকাল বৃহস্পতিবার তা ছিল মাত্র ২ পয়েন্ট।

৯ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পরিচালিত জরিপে দেখা গেছে, আগামী ৮ নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট দেবে কি দেবে না, এমন অনিশ্চয়তায় থাকা ভোটারদের ৪৬ শতাংশের সমর্থন হিলারির পক্ষে এবং ট্রাম্পের পক্ষে আছে ৪৪ শতাংশ। নিবন্ধিত ভোটারদের সমর্থন বিবেচনা করলে এ দুজন প্রার্থীর মধ্যে পার্থক্য আরেকটু বেশি। হিলারি-ট্রাম্পের প্রতি এ গোত্রের ভোটারদের সমর্থন যথাক্রমে ৪৬ থেকে ৪১ শতাংশ।

চারজন প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর সবাইকে এ জরিপের আওতায় নিয়ে দেখা যায়, হিলারি-ট্রাম্প উভয়ের প্রতি ৪২ শতাংশ ভোটারের সমর্থন আছে। লিবারটারিয়ান পার্টির মনোনীত গ্যারি জনসন ও গ্রিন পার্টির জিল স্টেইনের প্রতি সমর্থন যথাক্রমে মাত্র ৮ ও ৪ শতাংশ। নির্বাচনপূর্ব জরিপে সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা জনসন ও স্টেইনের সমর্থকদের বেশির ভাগই তরুণ। ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী ভোটারদের ২৬ শতাংশ জানায়, তারা জনসনকে ভোট দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। অন্যদিকে স্টেইনের দিকে ঝুঁকেছেন ১০ শতাংশ তরুণ ভোটার। রাজনীতি সচেতন মানুষদের প্রতি পাঁচজনে একজন বা তার চেয়ে কিছু বেশি মানুষ জানায়, তারা অন্যতম দল দুটি বাদ দিয়ে বিকল্প কোনো দলের প্রার্থীকে ভোট দিতে চায়।

হিলারি ও ট্রাম্পের সমর্থকদের সবাই যে তাদের পছন্দের প্রার্থীর প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা নয়। জরিপ বলছে, এসব সমর্থকের অর্ধেক তাদের কাঙ্ক্ষিত প্রার্থীর জোরালো সমর্থক। বাকিদের অভিমত, দলীয় মনোনয়নের সূত্র ধরে ওই সব প্রার্থীকে তারা সমর্থন দিচ্ছে অথবা তারা স্রেফ বিরোধী প্রার্থীকে ঠেকাতে চাইছে।

সব মিলিয়ে দোদুল্যমান ভোটারদের ৪৩ শতাংশ চূড়ান্ত নির্বাচনে ভোট দিতে প্রবল উৎসাহী। আলাদাভাবে ট্রাম্প সমর্থকদের ৫১ শতাংশ এবং হিলারি সমর্থকদের ৪৩ শতাংশ ভোট দেওয়ার ব্যাপারে ভীষণ আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সূত্র : নিউ ইয়র্ক টাইমস।


মন্তব্য