kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


‘ট্রাম্পের অর্ধেক সমর্থক ময়লার ঝুড়ি’

দুঃখ প্রকাশ হিলারির

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



রিপাবলিকান পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের অর্ধেক সমর্থককে ‘ময়লার ঝুড়ি’ বলে অভিহিত করে বেসামাল অবস্থায় পড়েছেন ডেমোক্র্যাটিক দলের প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন। দুঃখ প্রকাশ করলেও সংকট থেকে বের হতে পারবেন কি না তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

স্বাভাবিকভাবেই হিলারির এই মন্তব্যকে লুফে নিয়েছেন ট্রাম্প। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এই ধনকুবের ব্যবসায়ী বলেছেন, রাজনীতির চলমান মৌসুমে হিলারির সবচেয়ে বড় ভুল এটি।

গত শুক্রবার তহবিল সংগ্রহের এক সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ মন্তব্য করেন হিলারি। এর পরপর রকেট গতিতে নানা মন্তব্য আসতে থাকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোয়। এমনকি ‘হিলারির বাসকেট’ নামে একটি ভুয়া আইডি খুলে সেখান থেকে হ্যাশট্যাগ দিয়ে মন্তব্য-পাল্টামন্তব্য চলতে  থাকে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে পর দিনই হিলারি দুঃখ প্রকাশ করেন। তার প্রচার শিবির থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে  হিলারি বলেন, আমার ওই মন্তব্য ভুল ছিল। ওটা বলা ভালো হয়নি। আমি দুঃখিত। ’

হিলারির শুক্রবারের ওই মন্তব্যের পর টুইটারে ট্রাম্প বলেন, ‘অসম্মানজনক’। পরে একটি বিবৃতিও দেন তিনি। এতে বলেন, ‘এই রাজনৈতিক মৌসুমে এটিই হলো হিলারির সবচেয়ে বাজে ভুল। তিনি আমেরিকান ভোটারদের আক্রমণ করেছেন। প্রচারে ক্রমেই ব্যর্থ হচ্ছেন তিনি। সেই প্রায় ডুবে যাওয়া নৌকাকে বাঁচাতেই কি এমন চেষ্টা?’ তিনি আরো বলেন, ‘একটা দীর্ঘ সময় পর এই প্রথমবারের মতো হিলারির প্রকৃত চেহারা বের হয়ে এলো। গোঁড়ামি আর আমেরিকান ভোটারদের প্রতি ঘৃণা দেখালেন তিনি। ’ এই বিবৃতিতে ট্রাম্প একই সঙ্গে হিলারিকে প্রেসিডেন্ট পদের জন্য অযোগ্য বলেও দাবি করেন। ট্রাম্প বলেন, ‘জরিপে হিলারির প্রতি সমর্থনের হার এখন মাত্র ৪৭ শতাংশ। সম্মানিত আমেরিকানদের সম্পর্কে কী ভয়াবহ মন্তব্য করলেন তিনি। ’

সমালোচনায় পিছিয়ে নেই ট্রাম্পের ছেলে এরিকও। টুইটারে বিপুল জনসমাবেশ হয়েছে ট্রাম্পের এমন এক জনসভার ছবি দিয়ে তিনি বলেন, ফ্লোরিডার পেনসাকোলায় দেখুন কত পচা ঝুড়ি জমে আছে। টুইটের পর বাবার মতোই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে তিনি লেখেন #ক্রুকডহিলারি (কুটিল হিলারি)।

এখন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা হিলারির এ মন্তব্যকে কিভাবে গ্রহণ করে সেটা মূল বিবেচ্য। সূত্র : এএফপি।


মন্তব্য