kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সিরিয়ায় যুদ্ধে যাচ্ছে এক হাজার ইরাকি সেনা!

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



ইরাক থেকে এক হাজারেরও বেশি যোদ্ধাকে সিরিয়ার যুদ্ধের জন্য পাঠানো হয়েছে বলে বুধবার এক শিয়া মিলিশিয়া কমান্ডার জানিয়েছেন। বিদ্রোহীদের হাত থেকে আলেপ্পো উদ্ধারের লড়াইকে আরো তীব্রতর করতেই এই যোদ্ধাদের পাঠানো হয়েছে।

সিরিয়ার অন্যতম বড় শহর আলেপ্পোর কিছু অংশ সরকার এবং বাকি অংশ বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের বাহিনী বিদ্রোহী এলাকা অবরোধ করে রেখেছে। ইরাক থেকে নতুন এক হাজার যোদ্ধা পাওয়ায় পুরো এলাকা নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিদ্রোহীদের জন্য এ ঘটনা বড় আঘাত হয়ে দেখা দিতে পারে। আসাদের বাহিনী রাশিয়ার বিমানবাহিনীর সমর্থন পাচ্ছে, এ ছাড়া ইরাকের শিয়া মিলিশিয়ারা ইরানের জেনারেলের নেতৃত্বে লড়াই করছে।

ইরাকের শিয়া মিলিশিয়া হারাকাত আল-নুজাবের মুখপাত্র হাশিম আল মৌসাভি বলেন, ইরাকের মিলিশিয়া বাহিনী আলেপ্পোর দক্ষিণাঞ্চলে বিদ্রোহীদের দখলে থাকা এলাকায় লড়াই করবে।

এদিকে বিদ্রোহী বাহিনী মরণপণ লড়াইয়ের কথা জানিয়েছে। বিদ্রোহী নেতারা জানিয়েছেন, শহরের অবরোধ ভাঙার জন্য তারা প্রতি আক্রমণ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিদ্রোহীরা গত রবিবার আধা সরকারি বাহিনীর কাছে সেনা কলেজ ক্যাম্পাসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। অথচ এই কমপ্লেক্স ব্যবহার করেই তারা শহরে প্রবেশ করত।

পাঁচ বছর ধরে সিরিয়ায় বহুপক্ষীয় এই দলীয় লড়াইয়ে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। এক কোটিরও বেশি মানুষ স্থানচ্যুত হয়েছে। এভাবে প্রাণহানি ও সম্পদ ধ্বংস হলেও কোনো পক্ষের সুস্পষ্ট জয়ের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। কারো স্থায়ী সাফল্যও দেখা যাচ্ছে না। বরং বিদেশি শক্তির অন্তর্ভুক্তি বেড়েই চলেছে। কয়েক দিন আগে ইসলামিক স্টেট (আইএস) ও কুর্দি যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য সিরিয়ার অভ্যন্তরে তুরস্ক সেনা পাঠিয়েছে। আলেপ্পোর বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় প্রায় আড়াই লাখ মানুষ ফাঁদে আটকে রয়েছে। রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ বিরতি চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারায় এ নাগরিকরা চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

সূত্র : রয়টার্স।


মন্তব্য