kalerkantho

মঙ্গলবার। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ । ৯ ফাল্গুন ১৪২৩। ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৮।


চীনে শীতল আতিথেয়তায় উষ্ণ প্রতিক্রিয়া ওবামার

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



চীনে শীতল আতিথেয়তায় উষ্ণ প্রতিক্রিয়া ওবামার

জি-টোয়েন্টি শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে চীনের চে চিয়াং প্রদেশের রাজধানী হাংচৌয়ে বিমানবন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নামার পর টারমাকে তাঁর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা সুসান রাইসের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে লিপ্ত হয়েছিলেন এক চীনা কর্মকর্তা। পরে ওই চীনা কর্মকর্তা হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তার সঙ্গেও রেগে কথা বলেন।

এই দুটি ঘটনার পাশাপাশি বিমানবন্দরে ওবামার জন্য লাল গালিচার সংবর্ধনার ব্যবস্থাও ছিল না। এ কারণে ওবামা তাঁর এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানের মূল দরজা দিয়ে বের না হয়ে একটি ছোট দরজা দিয়ে নামেন। ওবামা পরে এসব বিষয়কে বড় করে না দেখার জন্য তাঁর সফরসঙ্গী ও সাংবাদিকদের বলেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, এসব নিয়ে মাতামাতি করলে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর সম্পর্কে কোনো ফল বয়ে আনবে না। গণমাধ্যমের প্রতি তিনি বলেন, ‘সম্মেলনে আমরা কী কাজ করব সেদিকেই আপনারা মনোনিবেশ করলেই ভালো হবে। ’

গণমাধ্যম জানায়, গত শনিবার ওবামার বিমান থেকে থেকে নেমে আসার সময় ওই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। চীনের পূর্বাঞ্চলীয় চে চিয়াং প্রদেশের রাজধানী হাংচৌয়ে ওবামাকে বহনকারী বিমানটি নামার কিছুক্ষণ পর পর গণমাধ্যমের কর্মীদের জন্য নির্ধারিত একটি জায়গার দড়ির বেড়া টপকে ওবামার গাড়িবহরের দিকে রওনা হন রাইস। এ সময় এক চীনা কর্মকর্তা তাঁকে বাধা দেন। তখন তাঁদের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হলে যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিসের এজেন্টরা দুজনের মাঝে এসে দাঁড়ান।

ওই চীনা কর্মকর্তার কথা স্পষ্টভাবে শোনা গেলেও রাইসের কথা মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিমান ‘এয়ার ফোর্স ওয়ানের’ ডানার নিচে দাঁড়িয়ে থাকা সাংবাদিকদের রেকর্ডে স্পষ্ট হয়নি।

সুসান রাইস যুক্তরাষ্ট্রের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা এবং তিনি সাংবাদিক নন, এটি ওই চীনা কর্মকর্তা জানতেন কি না, তা জানা যায়নি।

পরে হোয়াইট হাউসের এক প্রেস কর্মকর্তার সঙ্গেও তর্কে জড়ান ওই চীনা কর্মকর্তা। ওবামা বিমান থেকে নামার সময় কোথায় দাঁড়াতে হবে তা বিদেশি সাংবাদিকদের দেখিয়ে দিচ্ছিলেন হোয়াইট হাউসের ওই কর্মকর্তা। এ সময় ওই চীনা কর্মকর্তা রাগতস্বরে ইংরেজিতে হোয়াইট হাউসের ওই কর্মকর্তার প্রতি বলেন, ‘এটা আমাদের দেশ। এটা আমাদের বিমানবন্দর। ’

এই দুটি ঘটনার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে কোনো মন্তব্য করেনি চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিংবা  হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র। ঘটনার সময় ওবামা বিমান থেকে নেমে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ে ব্যস্ত থাকায় বিষয়টি খেয়াল করেননি।

ওবামা রসিকতার ছলে বলেন, আয়োজক দেশ চীন ‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বহরের বিশাল আকার দেখে কিছুটা হতভম্ব হয়ে পড়তে পারে। ’ সূত্র : রয়টার্স, এএফপি।


মন্তব্য