kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


অভিবাসী প্রসঙ্গ

পুরনো কঠোর অবস্থানেই রয়েছেন ট্রাম্প

দেয়ালের শতভাগ খরচ মেক্সিকো দেবে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



পুরনো কঠোর অবস্থানেই রয়েছেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে প্রবেশকারীরা কখনোই বৈধ মর্যাদা অর্জন করতে পারবেন না বলে আবারও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন আসন্ন প্রেসিডেন্টে নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত বুধবার মেক্সিকো সফরের পর আরিজোনা রাজ্যের ফিনিক্সে এক নির্বাচনী জনসভায় এ কথা বলেন তিনি।

অর্থাৎ ট্রাম্প অভিবাসন প্রসঙ্গে কিছুটা নমনীয় হয়েছেন বলে কয়েক দিন ধরে যে প্রচার চলছিল, তাকে একেবারে নাকচ করে দিয়ে পুরনো অবস্থানই ধরে রাখলেন।

সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, ‘অবৈধ অভিবাসী এবং সাধারণ ক্ষমার যে চক্রে আমরা আছি, সেটা ভেঙে ফেলা হবে। ’ ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিলারির বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্পের অন্যতম প্রধান ইস্যু এটি। এদিন তিনি অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম বন্ধে ১০ দফা প্রস্তাব তোলেন। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববাসীর প্রতি আমাদের বার্তা হলো, অবৈধভাবে এ দেশে প্রবেশের পর আপনারা বৈধ মর্যাদা বা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাবেন না। সেই দিন আর নেই। ’ এর মধ্য দিয়েই অভিবাসন প্রসঙ্গে নিজের কঠোর অবস্থানের বিষয়টি স্পষ্ট করে দিলেন ট্রাম্প।

এর আগে ট্রাম্প মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট এনরিক পেনা নিয়েটোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিনি এ সময় মেক্সিকো সীমান্ত বরাবর দেয়াল নির্মাণের বিষয়টিও টানেন। তিনি বলেন, নির্বাচিত হলেই এ কাজটি করা হবে। পরে সমাবেশেও দেয়ালের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, এর ব্যয়ভার মেক্সিকোই বহন করবে। বিষয়টি শতভাগ নিশ্চিত বলে জানান তিনি। তবে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট বিষয়টি স্বীকার করেননি। এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায়ই তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, এর খরচ মেক্সিকো বহন করবে না।

দেয়াল ছাড়াও অপরাধী হিসেবে রেকর্ড রয়েছে এমন অবৈধ অভিবাসীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে বলে আবারও মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প।

ট্রাম্পের ভাষণের পর এর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে হিলারি শিবির। ট্রাম্পের এই অবস্থানকে তারা ‘ঘৃণার প্রচার’ হিসেবে অভিহিত করেছে। এক বিবৃতিতে হিলারি শিবির জানায়, ট্রাম্পের দেওয়া সবচেয়ে নিন্দনীয় ভাষণ এটি। অভিবাসীবিরোধী বক্তব্য দ্বিগুণ বাড়িয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সূত্র : বিবিসি, এএফপি।


মন্তব্য